

প্রেমের সঙ্গে গণিত আর বিজ্ঞানের যে এক গভীর যোগাযোগ আছে সেটা হক কথা। সে আপনি ‘X = প্রেম’ ধরে অঙ্ক কষুন, বা দাবি করুন ‘আমি তুমি তুমি আমি’-র বিচিত্র বিটকেল কম্বিনেশন আর পারমিউটেশনই প্রেম। কিন্তু গভীর প্রেমের বাঁধনে পড়ে, যাঁরা একইসঙ্গে ডাকসাইটে বিজ্ঞানচর্চা করেছেন, কেমন ছিল তাঁদের প্রেম?
প্রকৃতি পঙ্গু করেছে তাঁর দেহকে, কিন্তু থামাতে পারেনি তাঁর মনন। বিশ্বের নবম আশ্চর্য– একটি স্টেলার অ্যাচিভমেন্ট ফর আস ফ্র্যাজাইল হিউম্যানস। এই ইমেজটা বিবিসি ইন্টারভিউ হোক বা সংবাদমাধ্যমে– চালানো হচ্ছিল, মানুষ খাচ্ছিলেন। শুধু কি হকিং জনপ্রিয় পপুলার সায়েন্স লেখক, ধূর্ত ইমেজ বিক্রেতা, না সত্যিই মহাবিজ্ঞানী?
১৯৮৪-’৮৫ সাল নাগাদ গবেষণাগারে পরপর কিছু পরীক্ষা করেন এই বিজ্ঞানী-ত্রয়ী। তখন অধ্যাপক ক্লার্ক ছিলেন সেই গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক, ডেভোরেট ছিলেন পোস্ট-ডক্টরাল গবেষক এবং মার্টিনিস পিএইচডি গবেষণারত ছাত্র। কোয়ান্টাম গতিবিদ্যার এক নতুনতর ভেলকিবাজি উন্মোচিত হয়েছিল তাঁদের সেই পরীক্ষায়।
আত্মপরিচয় জ্ঞাপনে তিনি কী বলতে চাইছেন, তা বোঝার মতো বোধ আমরা বিক্রি করে দিয়েছি ভোট-সর্বস্ব এবং ক্ষমতার মধুভাণ্ড চেটেপুটে খেতে চাওয়া অপ-রাজনৈতিক সমাজের কাছে। তাই তিনি বহু দূরের অনাবিষ্কৃত জ্যোতিষ্কই থেকে যাবেন আমাদের কাছে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved