

জলাভূমি রক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলিই আজ জলাভূমি ধ্বংসের হাতিয়ার, আইনি রক্ষাকবচকেই সুবিধামতো ব্যবহার করে চলছে জলাভূমি খুন। পাশাপাশি ধ্বংস হওয়া বাস্তুতন্ত্র। তার বিকল্প কী? কলকাতায় কিছু জলাশয় খাতায়-কলমে ‘বাস্তু’ হয়ে যায় আগেভাগেই, যাতে পরে ভরাট করা যায় আইন ফাঁকি দিয়ে।
একমাত্র সংরক্ষিত জলাভূমিগুলি ছাড়া বাকি সব জলাভূমিই আজ বিপন্ন, আর সেইসঙ্গে জলজ বাস্তুতন্ত্রে বাস করা এই প্রাণীটির অস্তিত্বও বিপন্ন হয়ে পড়েছে। আগে মাছ-চাষিরা চাষের কিছুটা অংশ বন্যপ্রাণীদের জন্য ছেড়ে দিত। এখন চাহিদা পূরণের চাপে, মুনাফা বাড়াতে, মাছের উপর নির্ভরশীল বাঘরোলদের হত্যা করতেও মানুষ দ্বিধা করছে না।
আজ থেকে ৮০০ বছর আগে একটা জনগোষ্ঠী পরিব্রজন করেছিলেন তাঁদের অসাধারণ সামুদ্রিক দক্ষতা ও জ্ঞান নিয়ে। তারপর তাঁরা শুধু মন দিয়ে সেই পেশাতেই নিযুক্ত থেকেছেন। আজ হঠাৎ সেই পেশা ছেড়ে তাঁরা কোথায় যাবেন? কী করবেন আগামী দিনে? তাঁরা কি এত বছরের প্রকৃতিলব্ধ জ্ঞান, ভাষা, সংস্কৃতি হারিয়ে ফেলবেন?
তাঁর জীবৎকালের শেষদিন পর্যন্ত মাধব গাডগিল সোচ্চার ছিলেন ভারতের প্রতিটি অংশের পরিবেশ, জীববৈচিত্র ও তার ওপর স্থানীয় প্রান্তিক মানুষের অধিকারকে প্রতিষ্ঠিত করতে। মুনাফালোভীদের উন্মত্ত ধ্বংসলীলায় আজ বিপন্ন এ সময়ে মাধব গাডগিলের নির্ভীক কণ্ঠ বয়সোচিত কারণে স্তব্ধ হল। এবার তাঁর পতাকা তুলে নেওয়ার দায়িত্ব বয়ঃকনিষ্ঠ অনুগামীদের।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved