Robbar

Mahabharata

পিতৃস্নেহ বিষম বস্তু!

দশরথের এত স্নেহ পেয়েছিলেন বলেই কৃতজ্ঞতাস্বরূপ পিতৃ-আজ্ঞা পালনে রাজত্ব ত্যাগ করে বিষম জীবনযাপন বেছে নিয়েছিলেন রাম। সেই রামই নিজের পুত্রদের স্নেহ করার সুযোগই পেলেন না। মহাভারতে যেমন পিতার স্নেহ কী বস্তু জানলই না পঞ্চপাণ্ডব। শকুন্তলা-দুষ্মন্তের পুত্র ভরতকেও পিতৃস্নেহ বঞ্চিত হতে হয়েছিল শৈশবে।

→

তাস পাশা সর্বনাশা

জুয়া-সংক্রান্ত ১৩১টি নৃতাত্ত্বিক বিবরণের বিশ্লেষণে দেখা যায়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কেবল নারীরাই খেলায় অংশ নিত। পুরুষদের অংশগ্রহণ ছিল নামমাত্র। এই প্রবণতা সেই তুষারযুগ থেকেই। অর্থাৎ পাশা ও জুয়ার সঙ্গে যুক্ত সামাজিক খেলার ক্ষেত্রে নারীরাই সম্ভবত অগ্রণী জুয়াড়ির ভূমিকা পালন করেছিল।

→

যে লেখে, সে আমি নয়

মিয়া ব্যালার্ড নতুন লেখিকা। তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস ‘সাই গার্ল’ প্রকাশ করেছেন হ্যাচেটে। সমাজমাধ্যমে পাঠকরা ইতিমধ্যে অভিযোগ করেছেন যে, ব্যালার্ডের উপন্যাস আদৌ তাঁর নিজের লেখা নয়। বরং, এআই-এর লেখায় যতগুলো ফিঙ্গারপ্রিন্ট থাকতে পারে, সেসব এই উপন্যাসের ছত্রে ছত্রে। এত অভিযোগ সত্ত্বেও প্রশ্ন একটাই– এভাবে কি এড়ানো যাবে এআই-এর সৃজনশীলতাকে?

→

এই দুনিয়া ঘোরে বনবন বনবন

‘আমরা কোথায় যাচ্ছি কে তা জানে’, তবুও প্রশ্ন আমরা কি ঘুরে ঘুরে আবার পুরনো জায়গায় ফিরে আসি? গোটা পৃথিবীটাই তার আহ্নিক গতিতে নিজ অক্ষে এবং বার্ষিক গতিতে সূর্যের চারপাশে ঘুরতে ঘুরতে আগের জায়গায় ফিরে আসে বলেই তো শুনি। এই ঘূর্ণি দুর্নিবার, এক অনন্ত ঘূর্ণিপাক।

→

মরণের পরেও, এই পৃথিবীর জন্য আপনি রইলেন

এত সব কাব্যগাথা, এত সব মনের কথা, এত সুন্দর জীবন বেঁচে থাকার পরে উচিত হবে, চমৎকার বন্ধুর মতো মৃত্যুকে আলিঙ্গন করা।

→

নারীর যৌথখামারের করম পরব

জঙ্গলমহল, ছোটনাগপুরের জনজাতি অধ্যুষিত গ্রামে এই পরব পালিত হয়ে আসছে সুদূরের কাল থেকে। এই সেই করম পরব যেখানে নারীরাই একচ্ছত্র, প্রাণশক্তি আবহনের নৈণায়িক ঋত্বিক। মূল পরবের দিন– যে দিন চারাকে (শস্য) পুজো করা হয়, তার সাত দিন আগে শুরু হয় পার্বণ-রীতি।

→

পৌরাণিক হিন্দু ও বৌদ্ধ সাহিত্যে দেবতা অথবা মানুষের বন্ধু হিসেবেই স্থান পেয়েছে কুকুর

ধর্মরাজের প্রতীক হিসাবে কুকুর মহাভারতেই মান্যতা পেয়েছিল। বেদ-উপনিষদ-পুরাণ সাহিত্যে কুকুর প্রাণের প্রতীক হিসাবে বর্ণিত হয়েছে। যমদূত হিসাবে কুকুর পৃথিবী ঘুরে ঘুরে মুমূর্ষুর প্রাণকে যমের কাছে নিয়ে যায় (ঋকবেদ সংহিতা)। ছান্দ্যোগ্য উপনিষদে আছে ‘শৌব উদগীথ’ অর্থাৎ কুকুরদের সামগান।

→

দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণের দিন জনশূন্য কলকাতায় পকেটমারি

সীতাহরণ বা বস্ত্রহরণের এই শহরজোড়া দর্শকাম কি সুধীর কাকারের সেই 'লাভার্স ইন দ‍্য ডার্ক'-এ উল্লিখিত হলের অন্ধকারে লুকনো দর্শকামের সঙ্গে মিলবে? না কি সিনেমাহল থেকে, বড়পর্দা থেকে দৃশ‍্যের বিচ‍্যুতির সেই শুরু?

→