Robbar

Maihar

শ্রোতা নয়, বাঁশি বাজানোর আনন্দই আজও হরিপ্রসাদের শেষ আশ্রয়

পালোয়ানের পুত্র হিসেবে তাঁর হয়ে ওঠার কথা ছিল কুস্তিগির। কিন্তু মাত্র চার বছর বয়সে হঠাৎ মাতৃহারা হয় যে শিশু, তার ভেতরে গুঁড়ি মেরে বেড়ে ওঠে শূন্যতা। বাবার প্রখর নিয়মানুবর্তিতায় হাঁপিয়ে ওঠে সে, কিন্তু মুক্তি পায় সুরে। বাঁশিই হয়ে ওঠে তার আশ্রয়।

→

শেষ নয়, সমে ফেরা

গুরুবাবাকে মাটিতে শুইয়ে রেখে সাদা কাপড় চাপা দিয়ে দেওয়া হয়। শোকাচ্ছন্ন আলাউদ্দিনজি বাজারে চলে যান দাফনের কাপড় কিনতে। ফকির আফ্‌তাবউদ্দিন তখন মন্ত্র বলতে বলতে গুরুবাবার শরীরের চারপাশে ঘুরছেন। সাত-আট পাক ঘোরার পর গুরুবাবার বুকে পা রাখলেন। শোনা যায়, পা রাখার পরই তিনি উঠে বসে গান গাইতে শুরু করেন। মেঘ রাগ।

→