

যে-শিল্পী শিল্পের স্বার্থে দেশের মাটি ছাড়ে না, আর্মি ব্রিগেডিয়ারের মেয়ে হয়েও দেশদ্রোহী তকমা পায়; সে বিপ্লবী না-হয়ে যায় না। সে রাষ্ট্রের রক্তচক্ষু অবজ্ঞা করে রাষ্ট্রের জন্য প্রাণপাত করে রাষ্ট্রযন্ত্রের হাতে গ্রেফতার হবে– এটাই তার নিয়তি। যেমনটা হল গত ৫ মে। সীমা কিরমানির ক্ষেত্রে।
আদান-প্রদান যে নতুন কিছু তা না। আরাকান রাজসভার কবিরা যে বাংলায় যে কাব্য লিখেছিলেন, সেগুলোর উৎস একটু খুঁজলেই দেখা যায়– অবিভক্ত ভারতবর্ষের কবিদের কবিতার সঙ্গে তার স্পষ্ট যোগসূত্র বর্তমান। এঁদের মধ্যে মুসলমানরাও ছিলেন, তাঁদের কাব্যে কৃষ্ণরাধাও ছিল, হোলিও ছিল।
যে যুদ্ধ দেশের নাগরিক, আখলাখ, পেহেলু খান, জুনেইদ-সহ বহু মুসলমান যুবককে পিটিয়ে মেরেছে, সেই যুদ্ধ থামানোর জন্য কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যাপারে আজ অবধি কোনও কথা বলেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী? বলেননি বলেই আজ সেই তাঁরাই নিজের দেশের বিদেশ সচিবকেও ছাড়ছেন না।
জিডিপিতে শক্তিশালী দেশ, তবু ধাক্কা কি জীবনে এসে লাগবে না! বেতন বাড়ুক না-বাড়ুক, আধিপত্য নিপাত যাক না-যাক, উদারনীতিবাদের সংকট মোচনে কেউ সত্যনারায়ণ দিক না-দিক, বাঁচার যুদ্ধে তো নামতেই হবে। একদিন, প্রতিদিন।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved