Robbar

Rabindranath Tagore

তোমার রঙেরই গৌরবে

রবীন্দ্রনাথ সমাজনির্মিত লিঙ্গের খাঁচাটিকে ভাঙতে ভাঙতে চলেন। প্রশ্ন করেন প্রণয়ের পরিসরে নারী-পুরুষ বাইনারির কেন্দ্রিকতাকে, ‘পুরুষালি’, ‘মেয়েলি’ এই একমাত্রিক সংজ্ঞাগুলির একাধিপত্যকে, তাঁর রচনাপথে জেন্ডার-এর পাঠ নিয়ে আসে নানা সন্ধানের বাতাস। প্রাইড মান্থ উপলক্ষে বিশেষ নিবন্ধ।

→

পরমার পারিশ্রমিক

১৯৮৫ সালের ৯ জুন ‘পরমা’ ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল। একটি আদ্যন্ত বাঙালি উচ্চবর্ণ, উচ্চবিত্ত পরিবারের বিবাহিত নারীর কাহিনি। কিন্তু নারীর অস্তিত্ব, নারী-জীবনের বাস্তবতা ও পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্রে বাস করা নারীকে যে হেনস্থা-হিংসার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়, কেবলমাত্র সিকিভাগ স্বাধীনতার জন্য, সেই ক্যানভাস আজকের ভারতে এতটুকু পুরনো হয়নি।

→

শিল্পশিক্ষার আতিশয্যহীন ক্লাসরুম

শুরুর কলাভবনের অন্দরমহল। শান্তিনিকেতনে ক্লাসের সহজ অনাড়ম্বর অন্দরসজ্জা ছিল আশ্রমজীবনের সঙ্গে বেশ মানানসই। মার্কা দেওয়া আর্ট কলেজের মতো নয়, একেবারে সাদাসাপ্টা। ব্যবস্থাপনাও খানিক আলাদা।

→

স্মৃতিসম্পুট: রবীন্দ্রনাথ ও ইন্দিরা দেবী

ইন্দিরা দেবী চৌধুরানীর ব্যতিক্রমী জীবনের পরতে পরতে জড়িয়ে আছে উনিশ ও বিশ শতাব্দীর শিক্ষিত অভিজাত বাঙালির ইতিহাস ও সংস্কৃতি। রবির আলোয় উজ্জ্বল এক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেও তিনি গড়ে তুলেছিলেন এক অনন্য নিজস্ব পরিচিতি।

→

সেইসব হকারেরা

হকার, হকার, হকার। একজীবন, ট্রেনজীবন। কু ঝিকঝিক। বিক্রিবাট্টা। হাঁকডাক। চিরুনি, সেফটিফিন, ঝালমুড়ি, ছুরি, কলম। কলম থেকে লেখা। লেখা সীমান্ত ছিঁড়ে চলে যায়।

→

হারানো সময়ের খেলাচ্ছড়া

‘টায়োস্কোপ’-এর মতো অপূর্ব অন্ত্যমিল বাংলা ছড়া ছাড়া আর কোথায় সম্ভব! শৈশবের ‘ইকড়ি মিকড়ি’ জনৈক ‘দামোদর’-এর ঘরদোর নিয়ে টুকরো অসংলগ্ন ছবিতে কত গল্পই বলে গেল; এইসব ছড়া বাংলা মৌখিক ধারায় ‘ননসেন্স রাইম’-এর আদিরূপ যেন।

→

স্বপ্ন কি সত্যি নয়?

একটু থেমে হাতের তামার ঘটিটা থেকে একটু জল খেয়ে ভৈরবী বললেন, ‘সেই যুবতী মেয়েটিকে আমি কিন্তু অনেক পরে চিনতে পেরেছিলাম!’

→

গলাগলি

গলা অতি বিষম বস্তু। যারা গলা তোলে, আর তাদের বিরুদ্ধে যারা গলা তোলে, দু’-পক্ষেরই বাইরে থেকে আড়ি কিন্তু ভিতর থেকে গলাগলি ভাব।

→

হায়, গৃহহারা!

‘বহুরূপী’র ‘রাজা অয়দিপাউস’। তিনটে ‘হায়!’ লক্ষ করবেন, নাটক প্রায় শেষদিকটায় পৌঁছে গিয়েছে, তখন ইয়োকাস্তের কণ্ঠে একটা ‘হায়’ শুনি আমরা। রবীন্দ্রগানের তিনটি ‘হায়’-এর সঙ্গে বহুরূপী অভিনীত তিনটি ‘হায়’ যেন একটা যোগসূত্র তৈরি করে। সবটাই দৈবনির্দিষ্ট দুর্ভাগ্যের ফল।

→

আসা-যাওয়ার কলাভবন

নন্দলাল চলে যাওয়ায় অসিতকুমার পুনরায় আর্ট কলেজের চাকরি ছেড়ে কলাভবনে যুক্ত হতে চাইলে রবীন্দ্রনাথ খুশি হয়েছেন। নন্দলাল ফিরে গিয়েছিলেন নভেম্বরের শেষে। জানুয়ারির গোড়াতেই রবীন্দ্রনাথের চিঠিতে অসিতকুমারের শান্তিনিকেতনে আসার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

→