

রানাঘাট স্টেশনের বিকটাকৃতি মানুষটির ওই ‘নরহিংসা’ বলা জীবনে বারবার ধ্রুবপদের মতো ফিরে এসেছে।
১৯৬১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর। চারদিকে রবীন্দ্র জন্মশতবর্ষ উদ্যাপনের উন্মাদনা। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের সরকার ‘টেগোর ইউনিভার্সিটি বিল’ পেশ করেছে। ঠিক সেই সময় ৪ নম্বর এলগিন রোড থেকে শ্রীযুক্ত দ্বিজেন্দ্রলাল সেনগুপ্তকে একটি চিঠি লিখছেন সৌম্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর।
মারের বদলা কি মার হয় রবীন্দ্রনাথে? না। শুরু হয় প্রতিহিংসাহীন ত্যাগ আর আত্মদানের মধ্য দিয়ে এক গভীর চলা। কখনও কখনও একলা চলা। আপন বুকের পাঁজর জ্বালিয়ে নিয়ে একলা চলা।
সতী কে? শুনলাম, তিনি না কি এই গাঁয়েরই মেয়ে। পরে অন্যরকম জীবন হয় তাঁর। তিনি কিছু একটা দেখেছেন ওই মুকুরটিলায় গামারের বনে। কীভাবেই বা খোঁজ পাব তাঁর? অপরিচিতা একজন মহিলা সম্পর্কে গাঁয়ের লোকের কাছে কিছু জানতে যাওয়া ভালো দেখাবে কি?
নন্দলাল বসুর এমন অপ্রত্যাশিত ভাবে চলে যাওয়ায় কলাভবন ঘিরে রবীন্দ্রনাথের আশা যেন নিভে গেল। নিজের ইচ্ছেয় নন্দলাল চলে গিয়েছিলেন বলে মনে হয় না। ঘটনার সময়ে রবীন্দ্রনাথ কি আশ্রমে ছিলেন না? যদি থাকেন তাহলে কি তাঁর সঙ্গে দেখা না-করেই চলে গেলেন নন্দলাল?
আমরা কোনওদিনই গরিব, বস্তিবাসীদের ঠিক আমাদের সমতুল্য মানুষ ভাবিনি, ভাবি না। তার ওপর সেই মানুষদের কেউ যদি ধর্মে মুসলমান হন, তাহলে তো কথাই নেই! আমরা ধরেই নিই, মুসলমান মানেই বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী!
আপাতদৃষ্টিতে এমন ভিত্তিহীন মন্তব্য তাচ্ছিল্যের সঙ্গে উড়িয়ে দেওয়াই যেতে পারে। কিন্তু যেখানে প্রধানমন্ত্রী এ-কথা বলছেন এবং ‘দেশবিরোধী’– এই শব্দচয়ন করছেন, তখন বুঝতে হবে, এর নেপথ্যে সুচতুর একটি রাজনৈতিক কৌশল রয়েছে।
অবনীন্দ্রনাথের প্রিয় শিষ্য নন্দলাল তখন চিত্রীমহলে বিশেষ পরিচিত। ‘সতীর দেহত্যাগ’, ‘দয়মন্তীর স্বয়ম্বর’, ‘সুজাতা’, ‘অহল্যা উদ্ধার’, ‘জতুগৃহ দাহ’, ‘উমার তপস্যা’ ইত্যাদি অজস্র ছবি তাঁকে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছে। বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠার বেশ কিছু আগে, ১৯১৪ সালে, রবীন্দ্রনাথ নন্দলালকে শান্তিনিকেতনে আমন্ত্রণ করেছিলেন।
বাংলায় বলা হয়– ‘মৎস্য মারিব খাইব সুখে’। কিন্তু সেই সুখ কি আর একা একা পাওয়া সম্ভব? তাই হরেন দাসের রঙিন ছবিতে দেখি বৃত্তাকার মাছ ধরার জাল হাতে করে মৎস্য-শিকারে চলেছে গ্রামীণ যুগল।
শুধু আপনারই বা কেন হবে, আমার আপনার সকলের মাথার নাম ‘স্মৃতিমণ্ডল’। স্মৃতি নামের মন্ডল পদবিধারী মেয়ের কথা বলছি না, বলছি এক সমাসবদ্ধ পদের কথা। স্মৃতিমণ্ডল।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved