

হকার, হকার, হকার। একজীবন, ট্রেনজীবন। কু ঝিকঝিক। বিক্রিবাট্টা। হাঁকডাক। চিরুনি, সেফটিফিন, ঝালমুড়ি, ছুরি, কলম। কলম থেকে লেখা। লেখা সীমান্ত ছিঁড়ে চলে যায়।
‘টায়োস্কোপ’-এর মতো অপূর্ব অন্ত্যমিল বাংলা ছড়া ছাড়া আর কোথায় সম্ভব! শৈশবের ‘ইকড়ি মিকড়ি’ জনৈক ‘দামোদর’-এর ঘরদোর নিয়ে টুকরো অসংলগ্ন ছবিতে কত গল্পই বলে গেল; এইসব ছড়া বাংলা মৌখিক ধারায় ‘ননসেন্স রাইম’-এর আদিরূপ যেন।
একটু থেমে হাতের তামার ঘটিটা থেকে একটু জল খেয়ে ভৈরবী বললেন, ‘সেই যুবতী মেয়েটিকে আমি কিন্তু অনেক পরে চিনতে পেরেছিলাম!’
গলা অতি বিষম বস্তু। যারা গলা তোলে, আর তাদের বিরুদ্ধে যারা গলা তোলে, দু’-পক্ষেরই বাইরে থেকে আড়ি কিন্তু ভিতর থেকে গলাগলি ভাব।
‘বহুরূপী’র ‘রাজা অয়দিপাউস’। তিনটে ‘হায়!’ লক্ষ করবেন, নাটক প্রায় শেষদিকটায় পৌঁছে গিয়েছে, তখন ইয়োকাস্তের কণ্ঠে একটা ‘হায়’ শুনি আমরা। রবীন্দ্রগানের তিনটি ‘হায়’-এর সঙ্গে বহুরূপী অভিনীত তিনটি ‘হায়’ যেন একটা যোগসূত্র তৈরি করে। সবটাই দৈবনির্দিষ্ট দুর্ভাগ্যের ফল।
নন্দলাল চলে যাওয়ায় অসিতকুমার পুনরায় আর্ট কলেজের চাকরি ছেড়ে কলাভবনে যুক্ত হতে চাইলে রবীন্দ্রনাথ খুশি হয়েছেন। নন্দলাল ফিরে গিয়েছিলেন নভেম্বরের শেষে। জানুয়ারির গোড়াতেই রবীন্দ্রনাথের চিঠিতে অসিতকুমারের শান্তিনিকেতনে আসার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
রানাঘাট স্টেশনের বিকটাকৃতি মানুষটির ওই ‘নরহিংসা’ বলা জীবনে বারবার ধ্রুবপদের মতো ফিরে এসেছে।
১৯৬১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর। চারদিকে রবীন্দ্র জন্মশতবর্ষ উদ্যাপনের উন্মাদনা। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের সরকার ‘টেগোর ইউনিভার্সিটি বিল’ পেশ করেছে। ঠিক সেই সময় ৪ নম্বর এলগিন রোড থেকে শ্রীযুক্ত দ্বিজেন্দ্রলাল সেনগুপ্তকে একটি চিঠি লিখছেন সৌম্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর।
মারের বদলা কি মার হয় রবীন্দ্রনাথে? না। শুরু হয় প্রতিহিংসাহীন ত্যাগ আর আত্মদানের মধ্য দিয়ে এক গভীর চলা। কখনও কখনও একলা চলা। আপন বুকের পাঁজর জ্বালিয়ে নিয়ে একলা চলা।
সতী কে? শুনলাম, তিনি না কি এই গাঁয়েরই মেয়ে। পরে অন্যরকম জীবন হয় তাঁর। তিনি কিছু একটা দেখেছেন ওই মুকুরটিলায় গামারের বনে। কীভাবেই বা খোঁজ পাব তাঁর? অপরিচিতা একজন মহিলা সম্পর্কে গাঁয়ের লোকের কাছে কিছু জানতে যাওয়া ভালো দেখাবে কি?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved