Robbar

Rabindranath Tagore

কলাভবন শুরুর নেপথ্যে এক দরদি শিক্ষক

কলাভবন তো আর হঠাৎ করে গড়ে ওঠেনি, ধীর গতিতে এক-পা এক-পা করে এগিয়েছে। আমরা জানি, রবীন্দ্রনাথ প্রতিষ্ঠিত ‘বিশ্বভারতী’র অন্যতম প্রধান অঙ্গের নাম ‘কলাভবন’। তার পুরো চেহারা গড়ে উঠেছে ধীরে ধীরে। ভেবে দেখলে, তার সূচনা কি ব্রহ্মচর্যাশ্রমের অন্তরে নিহিত ছিল না?

→

যুদ্ধের ধংসস্তূপে আলো জ্বেলে রাখে শিল্প

একটি ঘোড়া। যেন ধারালো বর্ষার আঘাতে আহত। ঘোড়ার মাথার নিচে মাটিতে এক সৈনিক। এক হাতে ভাঙা অস্ত্র। গের্নিকায় বোমা পড়ার পরে পৃথিবী জুড়ে হাজার মানুষের প্রতিবাদী মিছিল, কাগজে কাগজে রিপোর্টিংয়ের চেয়ে একটি ছবিই যেন সারা পৃথিবীর যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষ, জীবজন্তু ও ভাঙাচোরা বাড়ি ঘরের অস্তিত্বকে জীবন্ত করে তুলেছিল।

→

নির্বাকের রূপদক্ষ শিল্পী

চ্যাপলিন শব্দের বিড়ম্বনাকে মূকাভিনয়েরই একটা এক্সটেনশন বানিয়ে ফেলেন, হিঙ্কলের ভাষার মর্মার্থ অভিধানের মুখাপেক্ষী থাকে না। টুথব্রাশ গোঁফে তা দিয়ে চ্যাপলিন বলতে চান, ‘একঘেয়ে লাগল নাকি?’

→

মনের মানুষের সন্ধানেই রানী চন্দের শিল্পনীড় রচনা

পিতৃহারা রানী ও তার দিদি অন্নপূর্ণাকে শান্তিনিকেতনে নিয়ে আসবার ভাবনা রবীন্দ্রনাথের। অন্নপূর্ণা গেলেন গান শিখতে আর রানী ছবির মধ্যে খুঁজে পেলেন প্রাণ। তারপর কত বসন্তে, শরতে শান্তিনিকেতনের সঙ্গে মিতালি। রবীন্দ্রনাথ তাঁর মন বেঁধে দিলেন অন্তহীন আনন্দের সুরে, নন্দলাল বসু শেখালেন সেই আনন্দের রং নানা মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে।

→

বহু জনতার মাঝে অপূর্ব একা

বাংলা নববর্ষের অব্যবহিত পরে ইংরেজি ১৬ এপ্রিল বিকেলের দিকে দেহাবসান ঘটে আচার্য নন্দলাল বসুর। আচার্যের মৃত্যুশয্যার পাশে সুধীরা দেবীকে দেখা যায়নি। ঘরের দুয়ার তিনি রুদ্ধ করে রেখেছিলেন। এমনকী, মৃত্যুর পরেও সে দ্বার খোলেনি। ছাত্রছাত্রী আর আশ্রমিকেরা ঘিরে ছিল আচার্যের পুষ্পশোভিত দেহ।

→

ইতিহাসের স্বর ও লিপি

পুরনো কলকাতা। রবীন্দ্রনাথের মৃত্যু। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। কলকাতায় বোমাতঙ্ক। মন্বন্তর: ‘ফ্যান দাও, ফ্যান দাও’। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। অখণ্ড বাংলা থেকে খণ্ড বাংলা। স্বাধীনতা। নকশাল আন্দোলন। এসবের সমান্তরালেই গান গাওয়া, গান শোনা। তাঁর বয়স আজ ১০০। এই সাক্ষাৎকার শুধুই এক গায়কের সাক্ষাৎকার নয়, ইতিহাসের সঙ্গে সংলাপ।

→

রাজা নয়, টুনটুনির গল্প

নিমগাছের মতো ছোট ফুল, টুনটুনির মতো ছোট পাখি আর এমনই কিছু মানুষের কথা লিখতে চাই, যারা প্রচলিত অর্থে তেমন ‘বড়’ নয়। তবু তাদেরও নিজস্ব ভাব আছে। ভাষা আছে। কথা আছে। সাত মণ তেল না-পুড়লেও আছে উৎসবও। তাদের নিয়েই ‘মুখুজ‍্যের লিটফেস্ট’। আজ প্রথম পর্ব।

→

ঈশ্বর আর কিশোরীর সংলাপ

মানুষের কথা মনে রেখে গান করেন না তিনি, ঈশ্বর-স্পর্শের জন্যই যত আয়োজন। সুরপথে ধরা দেন পরমব্রহ্ম– তাকে মেনে চলাই ধর্ম। অন্ধকারের গর্ভে বসে সুর দিয়ে তিনি ধরতে চান ‘সহেলা’ রাজাটিকে। কেমন সেই রাজার চরিত্র? কিশোরী আমনকরের জন্মদিনে বিশেষ নিবন্ধ।

→

আমার দিদি কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়

সকলের ছোট হওয়ায় দিদির ভালোবাসা আমি বরাবরই একটু বেশি পেয়েছি। ছোটবেলা থেকেই সকলে আমাকে ডাকত ‘ছোট্ট মোহর’। আমিও নিজেকে তাই ভাবতাম। দিদির মুখে শুনেছি, কেউ আমাকে নাম জিজ্ঞেস করলেই, আমি নাকি বলতাম– ‘আমার নাম কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়’।

→

‘ঠাকুরমার ঝুলি’-তে মেয়েরা কি কেবলই দুয়োরানি?

একদিকে ঘুমন্ত পুরীর রাজকন্যারা। আক্ষরিক অর্থেই স্বরহীন আর ঘরবন্দি। রাজপুত্তুরেরা উদ্ধার না করলে এ জীবনের সব রূপ-রস-গন্ধ-স্পর্শ যাদের অধরাই থেকে যেত। আর-একদিকে ঘুঁটেকুড়ুনি ছোটোরানি, কুঁড়েঘরে থাকা দুয়োরানিরা। ড্যামসেল ইন ডিস্ট্রেস। তবে সুন্দরী, দুঃখিনী, প্রতারিত হওয়ার পাশাপাশি এরা আদর্শ সন্তানের মা।

→