Robbar

Ramakrishna

গোপালের মা: বাংলার অবহেলিত আধ্যাত্মিক স্মৃতি

উনিশ শতকের আটের দশকে সাধক হিসেবে শ্রীরামকৃষ্ণের খ্যাতি দূর-দূরান্তে ছড়িয়ে পড়েছিল। অঘোরমণি তাঁর সঙ্গে দেখা করার তাগিদ অনুভব করলেন। ১৮৮৪ সালের এক শরৎকালের বিকেলে, গোবিন্দ দত্তের আত্মীয়ার সঙ্গে তিনি দক্ষিণেশ্বরে গেলেন। তখন তাঁর বয়স প্রায় ৬২। গুরুর চেয়ে ১৪ বছরের বড়।

→

তরুর ঠাকুরঘর

বৃক্ষ-উপাসনা অতি প্রাচীন এক ধর্মীয় ধারা। প্রাচীনকালে এই ধরনের বৃক্ষমন্দিরকে বলা হত চৈত্যবৃক্ষ বা যক্ষচৈত্য। চৈত্যবৃক্ষ আসলে বৃহৎ গাছ। মহাভারতে বলা হয়েছে, এ গাছ গ্রামের সম্পদ এবং সেই গাছ কাটা সর্বৈব নিষিদ্ধ। দেবতা অপদেবতা রাক্ষস সকল অতিপ্রাকৃত দৈবী শক্তির আধার। তিনি বৃক্ষদেবতা।

→

অন্তরের অমৃত

কথামৃত মুখের থেকে নিঃসৃত অমৃত, তা পান করলে তা ভেতরে বইতে থাকে। যার ভেতরে গেল তার আধার অনুযায়ী নানা বদল হয়। ঠাকুরের গল্প আর উপদেশ তার মনের মধ্যে সেঁধিয়ে গিয়ে তার হয়ে যায়।

→

শেষ নাহি যে শেষ কথা কে বলবে

মৃত্যু সম্পর্কে শ্রীরামকৃষ্ণ কী ভাবতেন, সে কথা নানা সময় বলে গিয়েছে নানা জনের সঙ্গে আলাপে-সংলাপে। আজ শ্রীরামকৃষ্ণর মৃত্যুবার্ষিকীতে বিশেষ নিবন্ধ শ্রীরামকৃষ্ণর মৃত্যুভাবনা নিয়েই।

→