একটা সিনেমা এতটা বদলে দেয় জীবন? পর্দায় দেখলে এতটা সম্মান করে মানুষ?
ঋতুদার ছবিতে ডাবিং এক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। যা কাল্পনিক বলে কখনও চালাতে চেয়েছে হয়তো পরিচালক।
সম্পর্কে হালকা ঘৃতাহুতি দেবে এই আগুন ছোঁয়া, এগিয়ে আসার ভঙ্গিটা চুম্বনের কিন্তু আসলে ছুতোটা সিগারেট ধরানোর– এইসব নানান উদ্দেশ্য-বিধেয়-সমাস-কারক।
টেনশন ছিল রাখী ও শর্মিলার দ্বৈরথ নিয়ে। ‘দাগ’ ছবির সেটে কোনও একটা গন্ডগোল হয়েছিল এই দুই লেজেন্ডের। মুখ দেখাদেখি ছিল না। ঋতুদার পক্ষেই সম্ভব এমন অসম্ভবকে সত্যি করা।
‘জীবন মরণের সীমানা ছাড়ায়ে’ গানটি পরে আমার গলায় ডাব করেছিল মনোময়।
ঋতুদা ফিসফিস করে বলল, ‘রাখিদির সঙ্গে বুঝেসুজে কথা বলবি।’ যাব্বাবা, শুটিংয়ের বাইরে কথা বলব কেন? আমার অত বলিউড প্রীতি নেই। আর রাখির আমি মেরেকেটে দুটো সিনেমা দেখেছি– ভালো লাগেনি।
ঋতুর হাত ধরে ‘রোববার’ প্রথম থেকেই খুব সাকসেসফুল। পাঠকের ভালোবাসা পেল, যা পাওয়া উচিতও ছিল।
নন্দিতা নেমে এল একটা হলুদ টপ আর জিন্স পরে। ঋতুদা মুগ্ধ হয়ে একদৃষ্টে তাকিয়ে বলল, ‘বাহ্, এই তো আমার মল্লিকা।’ আমার দিকে ফিরে বলল, ‘দারুণ লাগছে না?’ মুখের ভাব, মনের উচ্ছ্বাস যতটা সম্ভব সংযত রেখে বললাম, তা তো বটেই।
‘আহা, ওরা তো এখনও ছোট, ভুল হতেই পারে।’ এই ছিল আমাদের লজ্জাফোনের উত্তর।
ঋতুদাকে দেখে মনে হচ্ছে, বাচ্চা ছেলেরা যেমন অবসেসড হয়ে যায় বিশেষ খেলনা নিয়ে, ঋতুদার অবস্থা তাই।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved