

২৩ জুলাই ভাস্কর চক্রবর্তীর মৃত্যুদিন। প্রকাশিত হল বন্ধুত্বময় ভূমিকা-সহ ভাস্করের দুটো চিঠি।
রাগ আর উত্তেজনা বিবেচনাকে বধির করে দেয়। তখন ভাঙাকেই কেবল দেশের কাজ বলে মনে হয়। তারই বিপরীতে রবীন্দ্রনাথ দেশের মানুষদের জন্য গড়ার কাজের কথা বলেছিলেন।
গ্রাম দিয়ে শহর ঘেরার স্বপ্ন হয়তো বিফলে গিয়েছে। ইন্সটাগ্রাম দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে গোটা পৃথিবীই।
আমার হাতে একখানা মাত্র সুটকেস দেখে ‘প্রগতি’র কর্মীরা হাসতে হাসতে জানতে চাইলেন আমিও আবার কোনও জিনিস ভুলে ফেলে রেখে এসেছি কি না।
‘প্রতিরোধ কবিতা’র সংকলন ‘অলিভের রক্ত’ যতটা ইতিহাসের দলিল, ততটাই শিল্পেও দায়বদ্ধ। বাজারি কবির অর্ডারি কবিতা নয় বলেই হয়তো। রক্ত দিয়ে লেখায় ভণ্ডামি সম্ভব না। সবচেয়ে বড় কথা, এখানে কবিতাই বড়, কবি অহেতুক।
‘ডেডিকেশন’ কাকে বলে, তার সংজ্ঞা বারবার দিয়ে গিয়েছেন বিশ্বের কিংবদন্তি খেলোয়াড়রা।
বীরভূমের লেখক-গবেষকেরা মনে করেন, বীরভূমের লাভপুরের কাছে দেবী ফুল্লরাতেই সেই পীঠের অধিষ্ঠান আবার বর্ধমানের গবেষকেরা দাবি করেন, ঈশানী নদীর বাঁকে বর্ধমানের দক্ষিণডিহিতেই দেবীর ওষ্ঠপাত ঘটেছিল। তবে ভক্তদের কাছে দুটিই সমান গুরুত্বপূর্ণ তীর্থক্ষেত্র এবং অলৌকিক শক্তি দুই জায়গাতেই বর্তমান।
সমর চক্রবর্তীকে মোহনবাগানে সই করাতে তাঁর গ্রামের বাড়ি গিয়েছিলেন স্বয়ং চুনী গোস্বামী!
আমরা, যে সকল বাংলাদেশি বিদেশে থাকি, গভীর উদ্বেগে দিন পার করছি, কারণ স্বজনের খোঁজ-খবর নিতে পারছি না ঠিকমতো। এর আগে কখনওই এত অসহায় বোধ করিনি।
তাক করা রাইফেলের সামনে দাঁড়িয়ে দুর্নিবার কণ্ঠে স্লোগান তোলেন সুব্বারাও, অকম্পিত গলা মেলান আর চারজন। রঙ্গামাটিয়া পাহাড়ের কাছাকাছি গ্রামের মানুষেরা শুনতে পেয়েছিলেন সে বজ্রনির্ঘোষ– বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক!
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved