

যযাতি চেয়েছিলেন অনন্তযৌবন হতে। যে কোনও রুপোলি পর্দার নায়িকাও চাইবেন তাই-ই। আর সেখানেই গপ্পের চাবি।
যে সময় হারিয়ে গিয়েছে, তাকে দু’হাতে ধরা যাচ্ছে, এর চেয়ে চমৎকার অনুভূতি আর কী হতে পারে?
জানতে ইচ্ছে করে, জন্মদিনের কবিতায়, গানে যে সুরটি বেজে ওঠে সে কি ফুটতে চায় তাঁর ছবির ভাষাতেও?
রবীন্দ্রনাথের রচনার, বিশেষত তাঁর গান এবং কবিতার সংকলন-সম্পাদনার ক্ষেত্রে খুবই সতর্কতা প্রয়োজন।
রবীন্দ্রনাথই-বা কেমন করে দেখছিলেন এইসব বিরোধিতার পর্বকে? এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, এইসব ঝড়ঝাপটার মধ্যে দাঁড়িয়ে আধুনিক সাহিত্যকে খুব স্থৈর্য নিয়ে দেখতে পারছিলেন না তিনি।
অবিশ্রাম আলোবিকিরণের ভেতর যে ক্লান্তি, তা থেকেই এই রবি তৈরি করে নিলেন এমন ছুটির কোল, ছায়া।
রবীন্দ্রনাথের হাতের লেখার ছায়াতেই কি বড় হয়ে উঠল রবীন্দ্রনাথের চিত্রকলা?
১৩১৭ পঁচিশে বৈশাখ উপাসনাগৃহে নিজের জন্মদিনের উৎসবে রবীন্দ্রনাথের উচ্চারণ, ‘এই যেখানে তোমাদের সকলের সঙ্গে আমি আপন হয়ে বসেছি, এ আমার সংসারলোক নয়, এ মঙ্গললোক।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved