Robbar

Sangbad Pratidin

বিবাহের বিচিত্র উপহার

‘বিয়ের উপহার’ মানে কী? দিচ্ছেটা কে? যৌতুক, তত্ত্ব, এ-সবের মধ্যে ‘উপহারের’ ছদ্মবেশে কি গোপনে উল্লাস করে চলে পণপ্রথা? নাকি শুধুই বিবাহ-অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রিত-অভ্যাগতরা যে উপহার দিয়ে নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানান, তা-ই শেষকথা? এ গদ্য বিয়ের বিবিধ উপহার নিয়ে এক সবিস্তার সরস কাহিনি।

→

সুর নয়, আদিতে সুরার সঙ্গেই অধিক যোগাযোগ ছিল সরস্বতীর

সরস্বতীর অপর নাম ‘কাদম্বরী’। ‘কাদম্বরী’ বলতে যে মদ বোঝায় তার মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যে একাধিক প্রমাণ আছে। কালিদাসের ‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’ নাটকে আছে– ‘কাদম্বরী-শব্দিকে কখু পঢমং আস্মাণং শোহিদে ইসচী অদি। তা শুণ্ডিকাগালং যেব গশ্চস্ম।’ অর্থাৎ আমাদের প্রথম ভাব করতে হয় কাদম্বরীকে পূজা দিয়ে। তাই শুঁড়িবাড়ি যাই চল।

→

কিশোর ঋত্বিকের ছিল অনন্তকাল বেঁচে থাকার সাধ

ছেলেবেলার ঋত্বিক ঘটক। বড়বেলার ঋত্বিককে কতটা প্রভাবিত করেছে? হাতে-লেখা পত্রিকা থেকে স্যুইমিং– চকোলেট-সিগারেট থেকে ডিপথেরিয়া বাঁধানো– বিচিত্র তাঁর ছেলেবেলা। তবে, সবথেকে বিস্ময়কর, আরব্য রজনী পড়ে শখ জেগেছিল তাঁর, অনন্ত যৌবনের অধিকারী হবেন। ঋত্বিক, অনন্ত যৌবনের অধিকারী হতে পারেননি। কিন্তু বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে, তাঁর স্থানাঙ্কটি অনড়, অনন্তকালের জন্য ‘বুকড’।

→

বিয়েবাড়ির ভোজবদল

কেটারিংয়ের ভোজ কলকাতার খুব হাতেগোনা বর্হিষ্ণু পরিবারে আগে থেকে চালু থাকলেও যতদূর মনে হয়, '৭৫-এর  জরুরি অবস্থার সময়ে গৃহস্থ যখন অনুষ্ঠানবাড়ির নিমন্ত্রিতের সংখ্যা কমাতে বাধ্য হলেন, তখন থেকেই সম্ভবত মধ্যবিত্ত পরিসরেও এই ঘরোয়া পরিষেবাটির আউটসোর্সিং শুরু হয়।

→

নোবেল কি ফাউ ফুচকা, চাইলেই মেলে?

নোবেল শান্তি পুরস্কার কি হোয়্যাটঅ্যাপের চুটকি? চাইলেই ফরোয়ার্ড করে দেওয়া যায়? একবাটি মুড়িঘণ্ট? এ-বাড়ি ও-বাড়ি চালান করা সম্ভব? রথের মেলায় নাছোড়বান্দা বায়না করে পাওয়া টিয়াপাখি? কলুটোলা যুবকবৃন্দের বার্ষিক প্রতিযোগিতার ট্রফি? অথবা কোনও ট্রেন্ডিং বাংলা সিরিয়াল?

→

আমি যখন সৃষ্টি করছি না তখনও কিন্তু সৃষ্টির কাজ চলছে, বলেছিলেন শর্বরী রায়চৌধুরী

শর্বরী রায়চোধুরীর বলেছিলেন, ‘কেউ কেউ আমার কিছু কাজ দেখে বলেছেন যে, ওই কাজ চোখের সামনে রেখে ব্যাকগ্রাউন্ডে মিউজিক বাজতে থাকলে একটা সিংক্রোনাইজেশন হয়।’

→

প্রাণে গান না থাকলে গানেও প্রাণ থাকবে না, বলতেন অর্ঘ্য সেন

খাতা দেখে গান গাওয়ার ব্যাপারে প্রচণ্ড বিরোধিতা ছিল অর্ঘ্য সেনের। রবীন্দ্রসংগীত দেবব্রত বিশ্বাসের কাছে শিখলেও রেকর্ড জগতে ট্রেনিং নেন শুভ গুহঠাকুরতা, সন্তোষ সেনগুপ্ত, শৈলেন মুখোপাধ্যায় ও সুচিত্রা মিত্রের তত্ত্বাবধানে। তাঁর মঞ্চাভিনয়ের পরিচালকরা ছিলেন শম্ভু মিত্র ও ঋত্বিক ঘটক।

→

অ্যানির ‘দ্য ইয়ার্স’ শেখায় অন্তহীন ইরোটিসিজম-ই জীবনের পরমপ্রাপ্তি

এই উপন্যাসের শেষে কিন্তু নেই কোনও মৃত্যু ও বিদায়। কেননা কোনও জীবন কখনও শেষ হয় না। অ্যানি এরনো বিশ্বাস করেন, প্রতিটি জীবনের অন্তহীনতায়। আর বিশ্বাস করেন, জীবনের পরম প্রাপ্তি ‘eroticism’: যৌন উদ্দীপনা এবং রাগমোচনের সেই বহু ঈপ্সিত শীর্ষ সেকেন্ড!

→

মরণের পরেও, এই পৃথিবীর জন্য আপনি রইলেন

এত সব কাব্যগাথা, এত সব মনের কথা, এত সুন্দর জীবন বেঁচে থাকার পরে উচিত হবে, চমৎকার বন্ধুর মতো মৃত্যুকে আলিঙ্গন করা।

→

বিয়ের চিঠি: রসিকতা থেকে কাব্যচর্চা

সম্পন্ন বনেদি পরিবারের তরফে নেমন্তন্ন করার সময় প্রায়শই আমন্ত্রণপত্রটি দেওয়া হত একটা পিতল বা কাঁসার থালায় ওপর রেখে। সঙ্গী হত পাশে শায়িত পান-সুপুরি। এই থালার পোশাকি নাম ছিল ‘আমন্ত্রণী থালা’।

→