Robbar

Sangbad Pratidin

মছলিবাবা, ভেরি ফিসি!

সত্যজিৎ আসল মছলিবাবাকে পর্দায় নিয়ে এসেছেন দর্শকদের মনে একটা কৌতূহল তৈরি করে দিয়ে, মছলিবাবার সম্বন্ধে মোটামুটি তথ্য জানার পর। সেই দৃশ্যে, মছলিবাবাকে দেখানোর আগে আমরা দেখেছিলাম মছলিবাবার অনুষঙ্গ, কানা-উঁচু থালায় রাখা মাছের আঁশ।

→

প্রতিমাদির প্রথম বই

বইটা প্রথম ২-৩ দিনে তেমন কিছু বিক্রি হল না। সম্ভবত মলাটের কারণে নেড়চেড়ে অনেকেই দেখলেন। একটু মনখারাপ হয়নি বললে মিথ্যে বলা হবে। তবে গুরুদেব প্রদ্যুম্ন ভট্টাচার্য বলে দিয়েছেন, শুধু সেই বই করবে যাতে তুমি বিশ্বাস করো। বিক্রি হলে ভালো, না-হলে তুমি তো বিশ্বাস করো।

→

বাঙালির সব বঁটিই আঁশবঁটি

বাঙালি মুসলিমের পাকঘরে, আর দুলে-বাগদিদের মতো উচ্চবর্ণের হিন্দুয়ানি দ্বারা চিরকালের অপমানিত মানুষের হেঁশেলে আমিষ-নিরামিষের অত ভেদ নেই, সেই অসংখ্য কিন্তু অদম্য বাঙালির সব বঁটিই আঁশবঁটি।

→

শূন্য মঞ্চের ভিতরে এত ঢেউ

খালেদ চৌধুরী জানতেন, একটা শহরের রূপ বোঝানোর জন্য গোটা শহরটাকে মঞ্চে তুলে আনার দরকার নেই, শুধু একটা ভাঙা ল্যাম্পপোস্ট আর একটা শূন্যে হারানো বাঁকানো সিঁড়িই যথেষ্ট। তাঁর তৈরি করা সেটগুলো যেন নিজেরাই এক একটা নীরব অভিনেতা, যারা সংলাপ না বলেও দর্শকদের সঙ্গে অনবরত কথা বলে যায়।

→

বাঙালির বাড়ির মৎস্যেন্দ্রিয়

মাছ ছাড়া ভাত রোচে না, কিন্তু মাছের বাজারে ঢুকলে নাকে চাপা দেন– এমন মানুষ নিশ্চয়ই দেখেছেন। আবার মাছ নিয়ে যাঁদের কাজকারবার, মানে জেলে বা মাছ বিক্রেতা, তাঁদের কাছে নাকি ওই কটু গন্ধই সুগন্ধি-সমান।

→

মৎস্য দেবতা মৎস্য ভোগ

লৌকিক প্রবাদে ‘মাছের মায়ের পুতের শোক’ বলে যতই বিদ্রুপ করা হোক না কেন, মাছ প্রজননের প্রতীক। সেই কারণে বিয়েতে মাছ দেওয়ার রীতি আজও বঙ্গ জীবনের অঙ্গ। এছাড়া মৎস্যমিথুনের আলাদা তাৎপর্যও দেখা যায় বিবিধ ধর্মীয় সংস্কৃতিতে।

→

আমার প্রতিমা দর্শন

গদ্যভাষা স্বতন্ত্র, প্রকাশ এবং পরিবেশনায় প্রতিমাদি একেবারেই ভিন্নধর্মী। শঙ্খ ঘোষ চরিত্র হিসেবে বারবার উপস্থিত আছেন বটে, তবে রচনাকল্পে নেই! বিশেষত কবিদের নিয়ে আলোচনায়। নির্ভার কিন্তু গভীর, অনুভবে ভাবুক অথচ বিশ্লেষণে প্রখর।

→

চলব আমি নিজের আলো ধরে

আমার মা, প্রতিমা ঘোষ, বিদুষী, অধ্যাপক, লেখক, সুন্দরী, সুভাষিণী, সুহাসিনী, শান্ত, ধৈর্যশীলা, আর কবি অধ্যাপক শঙ্খ ঘোষের ২০ বছর বয়স থেকে বান্ধবী এবং ২৪ বছর বয়স থেকে অর্ধাঙ্গিনী। এই প্রত্যেকটি বিষয় নিয়ে অনেক অনেক কথা লেখা সম্ভব। কিন্তু আজ মনে হল, আমার মা কি সেই সময়ের নিরিখে ঠিক ঠিক ‘আধুনিকা’? প্রগতিশীল?

→

বিজ্ঞাপনে ভোট, ভোটের বিজ্ঞাপন

২০১৪ লোকসভা ভোটে ‘বার্জার’ রঙের বিজ্ঞাপন– দেওয়াল জুড়ে ‘ক্রাইম’, ‘কোরাপশন’, ‘রেপ’-এর মতো নানা শব্দ লেখা; তারপরই ‘বার্জার’ রঙের পক্ষ থেকে বক্তব্য: ‘দেশ থেকে এই দাগ উঠুক না-উঠুক, বার্জার ইজি ক্লিন দিয়ে এই দাগ সহজেই উঠে যাবে।’ কিংবা ‘পাওয়ার’ কোম্পানির পাখার বিজ্ঞাপনী বার্তা– “জনগণের অবিসংবাদী প্রার্থী ‘পাওয়ার ফ্যান’কে নিশ্চিন্তে আপনার ভোটটি দিন।”

→

আড়ালের প্রতিমা

যে-আড়ালের কথা শঙ্খ ঘোষ ‘নিঃশব্দের তর্জনী’তে লিখেছে, সেই আড়ালেরই আরেকটা অসম্ভব উদাহরণ হয়ে, একই বাড়িতে, প্রতিমা ঘোষ বেঁচেছিলেন।

→