Robbar

Sangbad Pratidin

দূরদর্শন ভবনের উদ্বোধনের দিন প্রধানমন্ত্রী স্মিত হাসি নিয়ে তাকিয়ে ছিলেন দুই উপস্থাপকের দিকে

অডিটোরিয়াম থেকে ব্যাক স্টেজে আসার যে দরজা সেটা দিয়ে উঠে আসছিল খুব রোগা মতো একটি ছেলে, গায়ের রংটা শ্যামলা, তাকে দেখে বলি, ‘একটু দেখবেন ভাই, অডিটোরিয়াম এ সামনের রো-তে রশিদ খান বলে কেউ আছেন কিনা’, সে শুধু বলল, ‘জি’, আবারও বলি, ‘প্লিজ একটু দেখবেন’, আমি তখনও তাঁকে ভাবছি ‘usher’ জাতীয় কেউ। এবার সে একটু ইতস্তত করে নম্রভঙ্গীতে অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে বলে, ‘জি, ম্যায় হুঁ’।

→

অভিনেতাকে সব কিছু মনে রাখতে হয়, আমাকে বলেছিলেন মনোজ মিত্র

অভিনেতা হিসেবে অভিনয়ের যে জায়গাগুলো তিনি আবিষ্কার করেছিলেন, যা আমি আগেও বলেছি, সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষা, ভালো থাকার আকাঙ্ক্ষা, জয়ী হওয়ার আকাঙ্ক্ষা, সাধারণ মানুষ যা প্রকাশ করতে পারে না চট করে। মনোজ মিত্র তাঁর সৃষ্টির মধ্যে দিয়ে তাকে বড় করে দেখিয়েছেন।

→

কল্পনা আর বাস্তবের অবিশ্বাস্য বন্ধুত্বই আসলে মনোজ মিত্র

কত নাটক, কত একসঙ্গে থাকা, কত বন্ধুত্ব, কত কৌতুকময় বিষাদ। আজ বিষাদটুকু পড়ে আছে। মনোজ– বাংলা নাটক ও আমার– একান্ত কাছের। এই ক্ষতি অপূরণীয়।

→

মাতলা: ভাঙা-গড়ার সুন্দরবনে স্মৃতিচিহ্নের প্রবাহ

মাতলার বাঘবনে সালওয়াড়ি বাঘের সংখ্যার হ্রাসবৃদ্ধির বিবরণ, অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণী, সরীসৃপ, পাখ-পাখালি, মাছ প্রভৃতি জীববৈচিত্র্য এবং সুন্দরবনের জঙ্গল ও ভূমিরূপের বৈচিত্র্য ও ঘনত্ব নিয়ে এমন তথ্যবহুল পুঙ্খানুপুঙ্খ আলোচনা পত্রিকাটির মান বাড়িয়েছে।

→

হ্যামনেট ‘হ্যামলেট’ হয়ে বেঁচে থাকবে অনন্তকাল, জানে সেই লেখার টেবিল

আশ্চর্য ভাষা এবং ইঙ্গিতে ম্যাগি ও’ফ্যারেল তাঁর উপন্যাসে ফুটিয়ে তুললেন শেক্সপিয়রের বালক-পুত্রের এই অসহায়তা এবং একাকিত্ব।

→

হাওয়া বদলের আঁচ অনেকেই আগে টের পেয়েছিল, বদলে ফেলেছিল জীবনযাত্রা

তখনও সোভিয়েত ইউনিয়নে কম্পিউটারের তেমন চল হয়নি, বিদেশি ছাত্ররা সেই সময় সিঙ্গাপুরে গিয়ে কম্পিউটার কিনে এনে স্থানীয় বাজারে কয়েকজন‌ চড়া দরে বিক্রি করত।

→

ঋত্বিকের ‘বাড়ী থেকে পালিয়ে’ রুক্ষ বাস্তবের, শিব্রামের ‘বাড়ী থেকে পালিয়ে’ অনাবিল শিশুসাহিত্য

বইয়ের পাতার কাঞ্চন যখন সেলুলয়েডের কাঞ্চন হয়ে ওঠে, তখন তা আর শিব্রামের কাঞ্চন থাকে না, তা হয়ে যায় ঋত্বিকের কাঞ্চন। সেই কাঞ্চন দেখে এক কাঞ্চন দেশের স্বপ্ন, যার নাম এল ডোরাডো।

→

এখন যদি আমি ‘আয় খুকু আয়’ গাই, অডিয়েন্স আর আমার সঙ্গে গাইবে না

১৯৬৮ সালে লুই আর্মস্ট্রং ‘হোয়াট আ ওয়ান্ডারফুল ওয়ার্ল্ড’ রেকর্ড করেছিলেন। এখন সারা পৃথিবীতে যে অস্থিরতা চলছে, এই গানটা গাওয়ার আমার খুব ইচ্ছে ছিল।

→

‘কোমল গান্ধার’ এক প্রেমের ছবিই, যা ভবিষ্যৎ অর্থনীতির দলিল হয়ে উঠেছিল

৬০ বছর পরের ভবিষ্যৎ অর্থনীতির দলিল হয়েও কোমল গান্ধার অপূর্ব প্রেমের ছবি। একটি ব্যক্তিগত ছবি। ব্যক্তিগত দলিল। ঋত্বিক ঘটকই ভৃগু।

→

মাতৃত্ব চাননি রাধিকা আপ্তে, মাতৃত্বে অবিশ্বাসী মেয়েরাও কি এবার সাহস পাবে সোচ্চারে ঘোষণা করার?

একথা নিশ্চিত করে বলা যেতে পারে যে, সন্তান-শূন্যতার এই সামাজিক নির্মাণ আসলে কিন্তু অন্তঃসারশূন্য। সন্তানের জন্ম দিয়েই হোক বা না-দিয়ে ভালো থাকা আসলে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত একটি চয়েস।

→