

এত লড়াই করার পরেও যদি ন্যায্য বিচার না পাই, সেই ব্রিজভূষণ এবং ওর অনুগামীদের সামনে কুস্তি করতে হয়, তা মেনে নেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়।
সব মিলিয়ে আমি হয়তো অফিসে যাই না, কিন্তু আমি নিজেকে ‘রোববার’-এর একজন মনে করি। রোববার-এর ১৮ বছরে রোববার-এ লেখা ও রোববার পড়ার স্মৃতি।
কোনও সংখ্যাতেই প্রায় সরাসরি নাম উচ্চারণ করা থাকে না বলেই ‘রোববার’ পাঠককে টানে। রোববার-এর ১৮ বছরে, বড়-দিনে লিখছেন মিলন সিংহ।
সময়ের নিয়ম মেনে ‘রোববার’ এখন ডিজিটালেও এসে গেছে। তাতে আমাদের মতো মানুষদের সুবিধাই হয়েছে। রোববার-এর ১৮ বছরে, রোববার পাঠের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিচ্ছেন পাভেল ঘোষ।
ডিসেম্বরের ২৪ তারিখ ‘রোববার’ পত্রিকা ১৮ বছরে পা দিচ্ছে। সেই উপলক্ষে পাঠকের রোববার-পাঠের অভিজ্ঞতা। আজ ‘আঠেরো-পাঠেরও’, প্রথম লেখা। লিখেছেন মঞ্জুশ্রী ভাদুড়ী
মাত্র আট টাকার বিনিময়ে পাড়ায় তিন মাসের কখনওবা এক বছরের বাঁধানো সংকলন করেছি। রোববার-এর ১৮ বছরে, বড়-দিনে লিখেছেন ধীমান ব্রহ্মচারী
ভারতীয় ক্রিকেটারদের সঙ্গে ছবি দেখালে মুদিখানা বিনাপয়সায় চাল দেবে তো?
সদ্য পাস হওয়া সবক’টি বিলই আইনে রূপান্তরিত হয়ে আমাদের এতকালের গণতান্ত্রিক অধিকারগুলিকে খর্ব করার ক্ষমতা রাখে।
এক নির্ভীক বাঙালি রমণির বুক দিয়ে গোটা জাতিকে আগলানোর ব্রতে ঝাঁপিয়ে পড়ার অমন নিদর্শন আর আছে? নেই।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved