Robbar

Sangbad Pratidin

বাংলাদেশের উচ্ছৃঙ্খল অবস্থা দুই বাংলার সংখ্যালঘুকে বিপন্ন করে তুলছে

যারা আজকের বাংলাদেশকে এই হিংসা আর মূঢ়তার অন্ধকারে নিয়ে যেতে চাইছে, তারা ‘মৌলবাদী’ বা সাম্প্রদায়িক শুধু নয়, তারা জেহাদি এবং কোনও ধর্মের জেহাদিদের দ্বারাই কোনও সদর্থক কাজ হতে পারে না।

→

কাফকার ভয়-ধরানো প্রেমপত্র!

পেয়েছেন কি আপনারা কেউ এমন ভালোবাসার চিঠি কখনও, কারও কাছে?

→

বাংলার ১৩০০ নদীর জল নির্গত হয় ঋত্বিকের ক্যামেরায়

ঋত্বিক ঘটক জন্মগ্রহণ করেন ঢাকার জিন্দাবাহার লেনের মামাবাড়িতে। এ বছর ঋত্বিকের জন্মশতবর্ষ পালিত হচ্ছে, আগামী বছর মহাশ্বেতা দেবীর জন্মশতবর্ষ পালিত হবে। ঢাকার যে বাড়িতে মহাশ্বেতা দেবী জন্মেছেন সেই বাড়িটি এখনও অক্ষত রয়েছে।

→

এক শিল্পী, এক বিজ্ঞান-অন্বেষকের স্বগতভাষণ

এলোমেলো অবিন্যস্ত খসড়ার ধরনই লেওনার্দোর নোট্‌সের নান্দনিক ভিত্তি। আর ঐতিহাসিক ভিত্তিটি অবশ্যই রেনেসাঁসের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তা খানিকটা সমসাময়িককে অতিক্রম করে যাওয়ায়– শিল্প, বিজ্ঞান, দর্শন– প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই; খানিকটা মানুষ ও প্রকৃতির আন্তঃসম্পর্ককে দেখার প্রেক্ষিত বদলে; আর খানিকটা ‘শিল্পী’-কে ‘কারিগর’ থেকে ‘দার্শনিক’-এ উন্নীত করায়।

→

কলকাতার তলপেটে আলো ফেলেছে ‘রেডলাইট টু লাইমলাইট’

এই ডকুমেন্টারিতে নাটকীয়তা আছে, কিন্তু সেটা মোটেও অতিপ্রাকৃতিক নয়। বরং সেটা যেন দৈনন্দিন ঘেশকুটে জীবন থেকে উঠে আসা খুব ব্যক্তিগত, মানসিক বিষয়; যা আমরা চাপা দিয়ে রাখি, দেখতে বা দেখাতে চাই না।

→

‘টবি জগ’– চিরস্থায়ী হাসির জীবন্ত ইতিহাস

টবি জগ আসলে মানুষের অবয়বে তৈরি এক বিশেষ ধরনের সিরামিক পাত্র, যা মূলত পানীয় পরিবেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। কেবল ‘মগ’ বললে এ শিল্পবস্তুটির শৈল্পিক অমর্যাদা হয়; বরং বলা ভালো ‘টবি জগ’ একটি জলজ্যান্ত ভাস্কর্য।

→

ফুরিয়ে যাওয়া স্মৃতির চিরন্তন গল্প

নিজের জীবন ছেঁচে লেখক চোখের সামনে মেলে ধরেন রোদে ঝিকোনো মুক্তোবিন্দু। বিন্দু বিন্দু উচ্চারণেই যাদের সিদ্ধিলাভ।

→

ক্ষতবিক্ষত ‘ছায়ানট’-এর সঞ্জীবনী হতে পারে রবীন্দ্রনাথের গানই

শান্তিনিকেতনে বাংলাদেশি ছাত্র-ছাত্রীদের নিরন্তর আসা-যাওয়া পাঠগ্রহণ দুই বাংলার মধ্যে সেতু রচনা করে আসছে নিরন্তর। ছায়ানটের সঙ্গে প্রতিনিয়তই সেই বিনিময় ও বন্ধন অটুট রয়েছে। কারণ, আমরা রবীন্দ্রনাথকে আমাদের ভাষা সাহিত্য সংস্কৃতি ও মানবতার বটবৃক্ষ রূপে জানি।

→

নকশাল পর্বের হত্যা-প্রতিহত্যার পরিবেশে কলকাতায় এসেছিল মারি ফারার

১৯৭০ বা ’৭১ সালে। নকশাল আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়া ছেলেমেয়েদের মুখ, হত্যা-প্রতিহত্যা, বামপন্থার নানাখানা চেহারা আর নকশাল দমনের ভয়াবহতার প্রতিবেশে মারি ফারার কলকাতায় হাজির হয়েছিল। কেয়া আর অজিতেশ-এর অনুবাদ খরখরে গদ্যে সেদিন মারি-কে হাজির করেছিল।

→

পুস্তকপ্রেমী বইক্রেতার সংখ্যা ঊর্ধ্বমুখী, তবে লাইব্রেরিগুলির কেন বেহাল দশা?

তখন পাড়ার বেকার যুবকরাই সপ্তাহে একদিন করে লাইব্রেরি খোলার দায়িত্ব নিতেন। মফস্‌সলে একটি-দু’টি সরকারি লাইব্রেরির পাশাপাশি এমন ব্যক্তিগত উদ্যোগে তৈরি স্থানীয় অনেক বেসরকারি লাইব্রেরি ছিল। খুব বৈচিত্র না থাকলেও, বইমেলার নতুন বই না-থাকলেও, সেইসব লাইব্রেরি পাঠক তৈরিতে কোনও কার্পণ্য করেনি।

→