

সতী-ভৈরবী ছিলেন মোটামুটি ফরসা, মুখমণ্ডল সবিশেষ গৌর। অথচ সেই মুহূর্তে তাঁর মুখখানা যেন গাঢ় মসীবর্ণ ধারণ করেছে। কপালে ও সিঁথিতে সিঁদুরের চিহ্ন যেন আরও বেশি জ্বলজ্বল করছে। এই সতী-ভৈরবীকে আমি এর আগে দেখিনি কখনও। কেমন যেন ভয়-ভয় করতে লাগল আমার।
একটু থেমে হাতের তামার ঘটিটা থেকে একটু জল খেয়ে ভৈরবী বললেন, ‘সেই যুবতী মেয়েটিকে আমি কিন্তু অনেক পরে চিনতে পেরেছিলাম!’
শরীরী মৃত্যুর ভয়, আশঙ্কা, হাতছানি বারবার এসেছে বিবেকানন্দের চৌকাঠে। তিনি জীবনভর খুঁজতেন ‘মানুষ’কে; আর সেই ‘মানুষের’ অপমৃত্যু তাঁকে দর্শনের ‘এলিটিজম’ থেকে জীবনযুদ্ধে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে বারবার। তাঁর কাছে মৃত্যু যেন জীবনকে বারবার খুঁজে পাওয়ার পথে নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জ!
ধর্মের বহিরঙ্গটুকুই সব নয়। লিখছেন স্বামী কৃষ্ণনাথানন্দ।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved