Robbar

Subhas Mukhopaadhya

কথা শেষ হতে পারে, ‘শেষ কথা’ বলে কিছু হয় না

সুভাষ মুখোপাধ্যায় চেয়েছিলেন কথাগুলো নিজের পায়ে দাঁড়াক, মানে হাঁটতে শিখুক। আর এ-তো সবারই জানা, সারা দিন সারা দুনিয়া জুড়ে প্রতি মুহূর্তে যা জন্মাচ্ছে তার নাম ‘কথা’। এমনকী নৈঃশব্দ্যও একরকম কথা। ‘সেইরকম ভাবেও কি আমরা কথা বলতে পারি না, সুমন্ত?’ পারি না-পারি শিখতে দোষটা কোথায়!

→

যে বইয়ে বাদ যায়নি পাঠক প্রতিক্রিয়াও!

১৪ ডিসেম্বর ২০২১ থেকে ১৬ জানুয়ারি ২০২৩– ফেসবুক ওয়ালে এই সময় পর্বে বাছাই ৩০টি লেখা নিয়ে এই সংকলন। তবে বিষয় আলোচনা দিয়ে দাঁড়ি টানলে এই গ্রন্থ পর্যালোচনা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। এ ব‌ইয়ের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ, ফেসবুকের ‘দেয়াল লিখন’-এ যে পাঠক প্রতিক্রিয়া, তার সংযোজন। সাহিত্যকর্মের আঙিনা হিসেবে যত‌ই ফেসবুকের ভূমিকাকে গুরুত্বহীন হিসেবে দেখা হোক, পাঠক-লেখকের সরাসরি সংযোগের উপায় হিসেবে এই মাধ্যমের উপযোগিতাকে অস্বীকারের উপায় নেই।

→

মুখের সেই পরিচিত হাসিটা না থাকলে কীসের সুভাষ মুখোপাধ্যায়!

ভাষা ছাড়াই বা অল্প ভাষায় ভাব বিনিময়ের অসাধারণ ক্ষমতা ছিল সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের।

→

সুভাষের রিপোর্টাজকে মানুষের আর্ট গ্যালারি বললে অত্যুক্তি হবে না

সুভাষ একটানে বাংলার মানচিত্রটা বড় করে দিলেন। ‘আহা কলকাতা! বাহা কলকাতা!’ করে হেদিয়ে মরা মধ্যবিত্ত বাঙালির চেতনায় মস্ত এক টান দিলেন। হেঁটে দেখতে শেখালেন। বাংলার মুখ যে শুধু টালা থেকে টালিগঞ্জ নয়, এমনকী, রেল লাইনের গায়ের মফস্‌সল থেকেও অনেক ভেতরে যে স্পর্শ করা যায় বাংলার আত্মা, তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন।

→

বিজ্ঞাপনের সুভাষিত ছড়া

সিগারেটের বিজ্ঞাপনের কপি লিখেছিলেন কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়।

→