Robbar

Sukumar Ray

সত্যজিতের টাইপোগ্রাফির নেপথ্যে

জীবনে প্রথম প্রবন্ধ লিখেছিলাম। সাহিত্যে সুকুমার রায়ের ইলাস্ট্রেশন নিয়ে। বিশেষ করে জোর দিয়েছিলাম হাইব্রিড জন্তু-জানোয়ার বানানোর দিকটায়। সেই লেখায় রায়সাহেব আমার হাতে লেখা পাণ্ডুলিপির মার্জিনে কিছু কিছু সংশোধনী নির্দেশ দিয়েছিলেন, শিক্ষকের মতো হাতের লেখায়। বারবার ছুঁয়ে দেখেছি মার্জিনে সে হাতের লেখা।

→

উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর বাড়িতেই যুগে যুগে তৈরি হয়েছেন সিধু জ্যাঠারা

বস্তুত সত্যজিৎ রায়ের কল্যাণে ‘সিধু জ্যাঠা’– এই নামটাই একটা কনসেপ্ট হয়ে উঠেছে রীতিমতো।

→

‘সন্দেশ’ পত্রিকার বিজ্ঞাপনের ছড়া ভবানীপ্রসাদ মজুমদারকে দিয়ে লিখিয়ে নিতেন সত্যজিৎ রায়

সন্দেশ পত্রিকায় ভবানীপ্রসাদ মজুমদারের প্রথম ছড়া, সত্যজিৎ রায় এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে শুনেয়েছিলেন স্বয়ং লেখককেই!

→

শেষটায় বুড়ো হয়ে মরি আর কি!

পাগলা দাশু আর ভবদুলাল বুড়ো হওয়ার বিরুদ্ধে সুকুমারের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন। লিখছেন পার্থ দাশগুপ্ত

→

সুকুমার রায়ের কি হিউম্যান ফিগার আঁকার ক্ষেত্রে দুর্বলতা ছিল?

ভাষা যেখানে পৌঁছতে অক্ষম, সেখানে সুকুমার রায় পৌঁছে গেছেন ছবি দিয়ে। সুকুমার রায়ের মৃত্যু শতবর্ষ স্পর্শ করল আজ। কলম ধরলেন ঋত্বিক মল্লিক।

→

অবশিষ্ট যেটুকু কালি আবোল তাবোলের শেষ পাতায় ঝেড়ে ফেললেন সুকুমার রায়

‘আবোল তাবোল’– গান সাঙ্গ করে তাতা নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পড়বেন; তার আগে কলমের অবশিষ্ট যেটুকু কালি ছিল সেটুকুর আর কোনও প্রয়োজন নেই ভেবে, বইয়ের শেষপাতায় ঝেড়ে ফেললেন।

→

মৃত্যুপথযাত্রী সুকুমার রায়কে প্রশান্তি দিয়েছিল রবীন্দ্রনাথের মিউজিক-থেরাপি

আজ, ১০ সেপ্টেম্বর, সুকুমার রায়ের মৃত্যু শতবর্ষ স্পর্শ করল। সে উপলক্ষে কলম ধরলেন পূর্ণেন্দুবিকাশ সরকার

→