Robbar

সৌম্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের রবীন্দ্রভারতী বিরোধিতা

১৯৬১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর। চারদিকে রবীন্দ্র জন্মশতবর্ষ উদ্‌যাপনের উন্মাদনা। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের সরকার ‘টেগোর ইউনিভার্সিটি বিল’ পেশ করেছে। ঠিক সেই সময় ৪ নম্বর এলগিন রোড থেকে শ্রীযুক্ত দ্বিজেন্দ্রলাল সেনগুপ্তকে একটি চিঠি লিখছেন সৌম্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর।

→

শূন্য মঞ্চের ভিতরে এত ঢেউ

খালেদ চৌধুরী জানতেন, একটা শহরের রূপ বোঝানোর জন্য গোটা শহরটাকে মঞ্চে তুলে আনার দরকার নেই, শুধু একটা ভাঙা ল্যাম্পপোস্ট আর একটা শূন্যে হারানো বাঁকানো সিঁড়িই যথেষ্ট। তাঁর তৈরি করা সেটগুলো যেন নিজেরাই এক একটা নীরব অভিনেতা, যারা সংলাপ না বলেও দর্শকদের সঙ্গে অনবরত কথা বলে যায়।

→

সফদরের শিশুসাহিত্য: খোলা ছাদে নিশ্চিন্ত ঘুড়ি

সফদর জানতেন, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ হল মানুষের হাসি। তিনি বিশ্বাস করতেন, যে দেশে শিশুরা খোলা ছাদে নিশ্চিন্তে ঘুড়ি ওড়াতে পারে না, সে দেশে ‘বিপ্লব’ নিছকই একটা ফাঁকা, কেতাবি শব্দ। বিশ্বাস করতেন, একটা বৈষম্যহীন, সুন্দর পৃথিবী গড়তে গেলে সবার আগে একরত্তি বাচ্চাদের মগজের জানলা দরজা খুলে দিতে হবে।

→

আমাদের থিয়েটার হাজার বছরের পুরনো যৌথতা

গত ১৫ বছরে তো বটেই, বিশ্ব নাট্য দিবসের এই ৬৪ বছরের ইতিহাসে, আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকে গোটা বিশ্বকে বার্তা দেওয়ার জন্য একজনও বাঙালি নাট্যব্যক্তিত্বেরও ডাক পড়ল না! কেন মশাই? আমাদের কি বলার মতো কোনও কথা ছিল না? আমাদের শম্ভু মিত্র, উৎপল দত্ত, বাদল সরকার বা তৃপ্তি মিত্ররা কি আন্তর্জাতিক মানের ভাবুক ছিলেন না?

→

নগরসংকীর্তন থেকে অঙ্গনমঞ্চ: চৈতন্যপ্রবাহের বাদলধারা

বাংলার মাটিতে ‘বিপ্লব’ কোনও আকাশ থেকে পড়া বিচ্ছিন্ন ঘটনা বা পাশ্চাত্যের অন্ধ অনুকরণ নয়। শ্রীচৈতন্যদেব যে সাম্য ও মুক্তির বীজ এই পলিমাটিতে রোপণ করেছিলেন, বাদল সরকার তাকেই আধুনিক রাজনৈতিক মনন ও মার্কসীয় দ্বান্দ্বিকতার জলসিঞ্চনে এক মহীরুহে পরিণত করেছেন।

→

উগ্র হিন্দুত্ববাদ এবং গিরিশ ঘোষের জোরালো থাপ্পড়

যেখানে বর্তমানের কিছু মশলাদার সিনেমা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ইতিহাসকে বিকৃত করে একটি নির্দিষ্ট ধর্মকে ক্রমাগত খলনায়কের কাঠগড়ায় দাঁড় করায়, সেখানে গিরিশচন্দ্র আক্ষরিক অর্থেই ছিলেন এক মহামানব।

→

মধুসূদন দত্ত আর অর্দ্ধেন্দুশেখর মুস্তফীকে মিলিয়ে দিয়েছিল ‘নীলদর্পণ’

২৫ জানুয়ারি বাঙালির থিয়েটারে নিয়ে এসেছে অদ্ভুত এক সমাপতন। এই দিনে ‘রেবেল পোয়েট’ মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্ম। ঠিক তার পঁচিশটি বসন্ত পেরিয়ে, উত্তর কলকাতায় জন্ম নিলেন বাংলা রঙ্গমঞ্চের ‘নটচূড়ামণি’ অর্দ্ধেন্দুশেখর মুস্তফী। এই সমাপতন কি শুধুই গাণিতিক?

→

নহি যন্ত্র নহি যন্ত্র আমি প্রাণী

আমাদের ‘মৃত মেধা’ বা অলসতা আসলে AI-এর কাছে কাঁচামাল। আমরা যত কম ভাবব, যন্ত্র আমাদের হয়ে তত বেশি ভাববে, আর ততই আমরা সেই যন্ত্রের মালিকের হাতের পুতুলে পরিণত হব। এটাই আধুনিক দাসত্ব– যেখানে শিকল দেখা যায় না, কারণ শিকলটা আমাদের হাতে নয়, আমাদের মগজে পরানো হয়েছে।

→

মিথ্যে আশা নয়, নোবেল বক্তৃতায় ‘সত্যি হতাশার’ কথা শুনিয়ে গেলেন লাজলো

বক্তৃতার শেষে তিনি আমাদের একটা অবিস্মরণীয় দৃশ্যের সামনে দাঁড় করালেন। তিনি আজও যেন সেই বার্লিনের সাবওয়ে ট্রেনে বসে আছেন। ট্রেন চলছে, স্টেশনগুলো পার হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু তিনি কোথাও নামছেন না। ‘আমি কোথাও নামি না... আমি শুধু দেখি স্টেশনগুলো সরে সরে যাচ্ছে।’

→