

একটি বিশেষ মাত্রা বইটিকে সমৃদ্ধ করেছে। তা হল, চিন্ময়ের গভীর সাহিত্যবোধ। সত্যজিতের সৃষ্টির মর্ম অনুধাবন করতে গিয়ে, তিনি ইংরেজি ও ইউরোপীয় সাহিত্যের প্রতিচ্ছায়া মেলে ধরেছেন নৈপুণ্য সহকারে। পাশাপাশি উঠে এসেছে সত্যজিতের রাজনৈতিক নন্দন-ভাবনা এবং সামাজিক অঙ্গীকারের স্পর্শকাতর বিষয়টি।
১৯৬৮ সালে ডেমোক্র্যাটদের জাতীয় কনভেনশনে এবং দু’ বছর পরে ব্ল্যাক প্যান্থারদের বিদ্রোহী সমাবেশে উপস্থিত থেকে তিনি অবিরাম কৃষ্ণনাম উচ্চারণ করেছিলেন। এই সময় প্রাচ্যপ্রীতির অর্থ কি পাশ্চাত্যকে পুরোপুরি বর্জন? আমার তো মনে হয়, তিনি প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের ভক্তিরস এবং মানবতার ভিতর সেতুস্থাপন করতে উন্মুখ ছিলেন।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved