

মঙ্গলময়ী, অভয়দাত্রী মায়ের যে রূপটি বারবার উঠে আসে শ্রীরামকৃষ্ণের কথায় বা গানে, স্বামী বিবেকানন্দ সেই একই মাতৃশক্তিকে অনুভব করেছিলেন ভিন্নভাবে– প্রলয়ের সাজে।
শরীরী মৃত্যুর ভয়, আশঙ্কা, হাতছানি বারবার এসেছে বিবেকানন্দের চৌকাঠে। তিনি জীবনভর খুঁজতেন ‘মানুষ’কে; আর সেই ‘মানুষের’ অপমৃত্যু তাঁকে দর্শনের ‘এলিটিজম’ থেকে জীবনযুদ্ধে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে বারবার। তাঁর কাছে মৃত্যু যেন জীবনকে বারবার খুঁজে পাওয়ার পথে নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জ!
মন্দিরটি এখন যেখানে দাঁড়িয়ে, গঙ্গাতীরের সেই বেলগাছ-দেবদারুগাছ সংলগ্ন জায়গাটির উল্লেখ করে সতীর্থ স্বামী ব্রহ্মানন্দকে বলেছিলেন বিবেকানন্দ, ‘রাজা, আমায় এখানে একটু জায়গা দিতে পারিস?’
রামকৃষ্ণর প্রভাবে সাহিত্যিক ও নাট্যকার রূপেই লোকশিক্ষক গিরিশচন্দ্র সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি ছাপ রেখেছেন।
কলকাতাকে যত আপন করেছেন, কলকাতার মানুষ তত বেশি আঘাত ফিরিয়ে দিয়েছে বিবেকানন্দকে।
কথিত আছে, ভালো বা মন্দ– যে যেমন চায়, কল্পতরু তাকে তাই-ই দেয়। শ্রীরামকৃষ্ণ কি তেমনটাই করেছিলেন ওইদিন?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved