Robbar

পরিক্রমায় ফয়েজ: একটি খোলা চিঠি

Published by: Robbar Digital
  • Posted:August 6, 2026 11:20 am
  • Updated:August 6, 2026 1:02 pm  

ফয়েজ-এর এতগুলি কবিতার এত মরমি, প্রাঞ্জল বাংলায় ভাষান্তর আমি আগে দেখিনি, যা দেখেছি এই বইয়ে। নীলাঞ্জনের প্রয়াসকে অবশ‌্যই স্থান দেওয়া যেতে পারে অতীতে প্রকাশিত কমলেশ সেনের অনুবাদের পাশে। উপরন্তু, অলোকরঞ্জনই কমলেশবাবুর প্রচেষ্টা সম্পর্কে যে উচ্ছ্বাস ব‌্যক্ত করেছিলেন, তা নীলাঞ্জনের শিরোপা বলেও সহজেই বিবেচনা করা যেতে পারে। অলোকরঞ্জন অতীতের তর্জমাটিকে ‘ক্রান্তিসঞ্চারী’ বলে মনে করেছিলেন। অন‌্যদিকে, তাঁর কবিতার যে বিবিধ ইংরেজি অনুবাদ হয়েছে অনেকের হাতে– ভিক্টর কিয়েনার্ন থেকে শুরু করে আগা শহিদ আলি এবং সাম্প্রতিকতম প্রয়াস বারান ফারুকির– এসবই নীলাঞ্জনের পরিক্রমণের তুলনায় উন্নততর নয়।

শুভরঞ্জন দাশগুপ্ত

‘অনুবাদের কোনও প্রয়োজন ছিল না। ফয়েজ তাঁর কবিতা পড়ছিলেন মূল ভাষায়। মনে হচ্ছিল তিনি ঘরে ফেরার কথা বলছিলেন। এবং তাঁর অনুভবের সঙ্গে মিশেছিল প্রতিরোধের দীপ্তি আর ক্ষতির আর্তি।’

–এডওয়ার্ড সইদ (রিফ্লেকশন্‌স অন এক্সাইল, পৃ. ১৭৫)

প্রিয় নীলাঞ্জন,

তোমার লেখা এই অনবদ‌্য বইটি পড়ার আগে আমি যে বইটি পড়েছিলাম, তার শিরোনাম ‘জাস্ট বিইং / এ মেমোয়ার বাই রোমিলা থাপার’। আমি জানি, তুমি বিব্রত বোধ করছ, বলছ, ‘এ কী! আমার মতো অখ‌্যাতকে ইতিহাস-রচনার সেই অনন‌্য সম্রাজ্ঞীর সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে কেন?’ কারণ আছে, একটি নয়, তিন-তিনটি।

প্রথমত, আমি দু’টি বই-ই রাত জেগে এক নিশ্বাসে পড়া শেষ করেছি, দু’টি ক্ষেত্রেই টান ছিল অপ্রতিরোধ‌্য। দ্বিতীয়ত, তোমরা দু’জনেই নিজস্ব নিয়মে, বহু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করেছ তোমাদের গ্রন্থে– শৈশবের স্মৃতি থেকে এই বিক্ষত মুহূর্তে দাঁড়িয়ে তোমাদের মানবিক রাজনৈতিক অঙ্গীকার। তৃতীয়ত, তোমরা দু’জনেই এই শপথভূমিতে পৌঁছেছ অবিস্মরণীয় কবি ফয়েজ আহমেদ ফয়েজের হাত ধরে। রোমিলা তাঁর মূল রচনা শুরু করার আগেই পৃথক পৃষ্ঠায় সেই কবিকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তাঁর চরম নির্দেশ উদ্ধৃত করে: 

‘বলো, কারণ এই ক্ষণমুহূর্ত বিশাল…
বলো, যে সত‌্য চিরন্তন, তা বলো,
বলো, যা বলতেই হবে।’

কিন্তু নীলাঞ্জন, তুমি তো ফয়েজের কবিতার বৃত্তে নিজেকে সীমিত রাখনি, রোমিলার মতোই তুমি ডানা মেলেছ আকাশে-বাতাসে। তাই অনিবার্য প্রশ্ন, আমার পরম শ্রদ্ধেয় অগ্রজ অলোকরঞ্জনের ভাষায়, ফয়েজ কি তোমার ‘স্বর্গীয় অছিলা’ না ‘অদম‌্য অঙ্গীকার’-এর স্পর্ধিত প্রতিফলন? সম্ভবত দুটোই একসঙ্গে, ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে। বলা বাহুল‌্য, এই বহুস্তরী পরিক্রমণকে অনুপ্রাণিত করেছে ফয়েজের কবিতা ও জীবন, তাঁর মতাদর্শ ও আপসহীনতা।

প্রথমেই আমাকে যা চমকিত করেছে, তা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি সম্পর্কে তোমার ক্ষুরধার মন্তব‌্য। কবিতায় পঠিত প্রতিবাদ, অর্থাৎ Microcosm-ই তোমাকে নিয়ে গিয়েছে পরিব্যাপ্ত সামাজিক প্রতিবাদের প্রাঙ্গণে, বা Macrocosm-এ। অযথা বহুচর্চিত পেশাদারী বিশ্লেষণের মধ‌্যে না গিয়ে তোমার কয়েকটি নির্ভীক মূল‌্যায়ন তুলে দিচ্ছি, যেগুলি স্বচ্ছতম আয়নার মতো আমাদের বিপর্যস্ত দিনানুদৈনিকতাকে প্রতিফলিত করে: 

এক: ‘আমরা জানি পাকিস্তানে এবং দুনিয়ার অন‌্য বহু দেশেই, আর পাঁচটা ধর্মের মতো ইসলামের কসম খেয়ে যে-সব কাণ্ড ঘটানো হয়েছে, তার সঙ্গে ইসলামের ন‌্যূনতম সম্পর্ক নেই।’ (পৃ. ১১৭)

দুই: “আর পাঁচটা স্বৈরতন্ত্রের সঙ্গে ফ‌্যাশিস্ট স্বৈরতন্ত্রের অন‌্যতম তফাৎ এই যে, দ্বিতীয়টি ক্ষমতায় আসে হৃদয়ের ময়দান জয় করে, বিপুল জনসমর্থন নিয়ে … এখানেই তার আসল ভয়াবহতা– ফ‌্যাশিস্ট রাষ্ট্রনায়ক সর্বদাই এক গণ-উন্মাদনা তৈরি করতে সমর্থ হন, ‘মাস হিস্টিরিয়া’, সেটাই তাঁর ক্ষমতার আসল ভিত্তি।” (পৃ. ১২৫)

তিন: “ভারতে অন্তত, (কমিউনিস্টরা) যে ‘রাজনৈতিক বিনিয়োগ’ করেছেন, তার একচুলও ‘সামাজিক বিনিয়োগ’ করেননি। রাষ্ট্রক্ষমতা দখলই তাঁদের একমাত্র লক্ষ‌্য থেকে গিয়েছে। মানুষের হৃদয়ের ময়দান– যেখানে সে আসল মানুষ, সামাজিক স্তরে একদিন-প্রতিদিন থেকে গিয়েছে অরক্ষিত।” (পৃ. ১২৪-১২৫)

ফয়েজ আহমেদ ফয়েজ

এই তিনটি মন্তব‌্য বা মূল‌্যায়নই এত অকাট‌্য এবং দুর্নিবার যে এগুলিকে আমি পণ্ডিতিসুলভ টীকাটিপ্পনি দিয়ে ভারাক্রান্ত করব না। পাঠকদের প্রতি আমার আস্থা অপরিসীম। তাঁরা একপলকে বিলক্ষণ বুঝে নেবেন কী বলা হয়েছে এবং কেন! মূল প্রশ্ন, এই যদি আমাদের বাস্তব বা actuality বা জার্মান ভাষায় ‘Seiendes’ হয়, তাহলে প্রতিবাস্তব বা প্রতিবিম্ব বা ‘Nicht Seiendes’ কী এবং তা কোথায়? নীলাঞ্জনই এই গূঢ় প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন পাতার পর পাতা জুড়ে।

প্রতিবিম্ব নির্মিত হয়েছে, হচ্ছে এবং হবে অবধারিত নিয়মে, প্রতিরোধী সৃজনে ও নন্দনে। স্বনামধন‌্য জার্মান বামপন্থী নাট‌্যকার ও ঔপন‌্যাসিক পেটার ভাইজ যাকে বলেছেন– ‘Aesthetics of Resistance’, তাঁর সর্বশেষ মহাকাব‌্যসম উপন‌্যাসের শিরোনামই ভাষান্তরে ‘প্রতিরোধের নন্দন’। 

অবশ‌্য সৃজনকে ঘিরে এই বিপ্লবী তত্ত্বনির্মাণ গড়ে উঠেছে থিওডোর অ্যাডর্নো ও ওয়ালটার বেঞ্জামিনের নন্দনচিন্তায়। অ্যাডর্নোর দুর্জয় ভাষায়, ‘যতদিন প্রকৃত সৃজন আছে ততদিন প্রতিরোধ, করেন সৃজনেই বাঙ্‌ময় হয়ে ওঠে আমাদের প্রতিবিম্ব।’

থিওডোর অ্যাডর্নো

ঠিক এই চূড়ান্ত সত‌্যটিকে আপন করে নিয়ে নীলাঞ্জন পেশ করেছেন ফয়েজের একটির পর একটি কবিতা। তন্ময় পরিক্রমণ আদৌ এখানে শেষ হয়নি। ফয়েজের হাত ধরেই তিনি খনন করেছেন উর্দু কবিতার বর্ণাঢ‌্য অতীত– লিপিবদ্ধ হয়েছে সেই স্বর্ণিল ইতিহাস যার চিরউজ্জ্বল নক্ষত্রগুলি হল মির্জা গালিব, মির, ওয়ালি, ফয়েজ এবং তারপরে কাইফি আজমি আর আমাদের আজকের জাভেদ আখতার। অহেতুক দাবি করছি না– লেখক কী দারুণ সুবিন‌্যস্ততার সঙ্গে উর্দু কবিতার এই পরিক্রমা অঙ্কন করেছেন এবং করতে গিয়ে বুনে দিয়েছেন কালপরম্পরার সামাজিক স্পন্দন।

এক্ষেত্রেও আমি অধ‌্যাপকের ভঙ্গিতে এঁদের কবিতার মূল‌্য নির্ধারণ করব না মেপেমেপে। কয়েকটি উদ্ধৃতি সব স্পষ্ট করে দেবে। আজ না, সেই কবে ১৭৮২ সালে মির লিখে গিয়েছেন:

‘মিরের বিশ্বাস আর ধর্ম নিয়ে কী-ই বা জানতে চাও, সে তো তিলক কেটেছে মন্দিরে বসে, ইসলাম ত‌্যাগ করেছে কবেই।’

মির্জা গালিব

কবিতার অগ্রগতি অঙ্কন করা দুঃসাধ‌্য ব‌্যাপার, বড় জটিল বড় সূক্ষ্ম সেই যাত্রা। তবে বুঝতে অসুবিধা হয় না যে ওয়ালি বা মিরের কবিতাকে আত্মস্থ করেই আমাদের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে সইফুদ্দিন, কাইফি আজমি এবং সর্বোপরি ফয়েজ– যাঁকে এডওয়ার্ড সইদ ‘উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ উর্দুকবি’ বলে অভিহিত করেছিলেন। যে প্রতিবাদী-প্রতিরোধের কথা বলেছি, তা যেন মূর্ত হয়ে উঠেছে সইফুদ্দিনের অঙ্গীকারে:

মানুষ কোথায় লড়াই করেছে
কোথায় ব‌্যর্থ হয়েছে
কোথায় তাকে মেরে ফেলা হয়েছে
এ সবই শুধু, মানুষের স্তোত্র
যে একবার বেরিয়ে এসে দাঁড়ালে। [কাব‌্যগ্রন্থ: রাত]

একই বিদীর্ণ অভিজ্ঞতা কাইফি আজমিকে প্ররোচিত করেছিল বলতে–

‘করুণাঘন শ্রীরাম তো অযোধ‌্যা ত‌্যাগ করে চলে গেছেন তীব্র ক্ষোভে, তোমরা কোন বিগ্রহকে পূজা করছ?’

কাইফি আজমি

এই অসামান‌্য কাব‌্যপ্রবাহের বিশুদ্ধতম প্রতিনিধি ফয়েজ-এর এতগুলি কবিতার এত মরমি, প্রাঞ্জল বাংলায় ভাষান্তর আমি আগে দেখিনি, যা দেখেছি এই বইয়ে। নীলাঞ্জনের প্রয়াসকে অবশ‌্যই স্থান দেওয়া যেতে পারে অতীতে প্রকাশিত কমলেশ সেনের অনুবাদের পাশে। উপরন্তু, অলোকরঞ্জনই কমলেশবাবুর প্রচেষ্টা সম্পর্কে যে উচ্ছ্বাস ব‌্যক্ত করেছিলেন, তা নীলাঞ্জনের শিরোপা বলেও সহজেই বিবেচনা করা যেতে পারে। অলোকরঞ্জন অতীতের তর্জমাটিকে ‘ক্রান্তিসঞ্চারী’ বলে মনে করেছিলেন। অন‌্যদিকে, তাঁর কবিতার যে বিবিধ ইংরেজি অনুবাদ হয়েছে অনেকের হাতে– ভিক্টর কিয়েনার্ন থেকে শুরু করে আগা শহিদ আলি এবং সাম্প্রতিকতম প্রয়াস বারান ফারুকির– এসবই নীলাঞ্জনের পরিক্রমণের তুলনায় উন্নততর নয়।

পাবলো নেরুদা বা পল এল্যুয়ার-এর মতো ফয়েজেরও স্থিরবিন্দু ছিল দু’টি– প্রেম ও প্রতিরোধ। দু’টি বিন্দুই প্রজ্জ্বলিত তাঁর কবিতায়। প্রতিরোধকে সুযোগ‌্য ভাষা দিতে গিয়ে তিনি লিখেছেন, নীলাঞ্জনের অনুবাদে:

শোকদীর্ণ এ স্তব্ধতায় ধ্বনিত হবে না আর
দারুণ শোরগোল, দাবি করে ন‌্যায‌্য অধিকার?
হবে না কি লড়াই– এ স্লোগান সোচ্চার। [জানুয়ারি, ১৯৫৮]

ফয়েজ আহমেদ ফয়েজ

আবার কখনও বিমুগ্ধ ভালোবাসার প্রকোপে তিনি লিখেছেন: 

বর্ণ: তোমার পরিধানের নাম (Colour: The name of your dress)
সুগন্ধ: তোমার কেশরাশির নাম হাওয়ায় বহমান (Perfume: The name of your hair flowing in the wind)
ফুলের মরশুম তোমার উপস্থিতির নাম (The Season of the flowers is the name of)
তুমি যখন বারান্দায় দাঁড়িয়ে। (Your appearance on the balcony)
[গজল]

আসলে, নীলাঞ্জনের কল‌্যাণেই ফয়েজকে আঁকড়ে ধরে আমি চলে যাই সেই অনিন্দ‌্য কাব‌্যজগতে যার শুরু হয়তো হাইনরিশ হাইনেতে এবং শেষ কোথায় জানি না। অসামান‌্য সেই দেবায়নে ফয়েজের সঙ্গে হাত ধরে দাঁড়িয়ে আছেন অনেকে– হাইনে, ব্রেশট, নেরুদা, এল্যুয়ার, আরাগঁ, বীরেন্দ্র চট্টোপাধ‌্যায়, শঙ্খ ঘোষ, দ্রোণাচার্য ঘোষ এবং অনামী-অজানা আরও অনেকে। দেবায়নের এই দ্বার মুক্ত হয়েছে আলোচ‌্য গ্রন্থটিতে, তাই আগেই বলেছি এসবই যেন ‘স্বর্গীয় অছিলা’র পরিণতি! 

অন‌্য আর একটি বিশেষ কারণে এই বইটির মূল‌্য অপরিসীম। বেশ কয়েকজনের প্ররোচনায় একটা ধারণার সৃষ্টি হয়েছিল যে, আজীবন সাম‌্যবাদী এবং স্বৈরাচার-বিরোধী ফয়েজ না কি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রতি উদাসীন ছিলেন। 

ফয়েজের বই নুশকাহা-এ-ওয়াফা

কবির একমাত্র পরিচয়পত্র তাঁর কবিতা, এবং বিস্তর গবেষণা করে, লেখক ওই ১৯৭১-এর মারণপর্বে লেখা ফয়েজের পাঁচটি কবিতা উদ্ধৃত করে প্রমাণ করে দিয়েছেন– এই সন্দেহ বা অনুযোগ কতটা ভ্রান্ত, অসার। চার নম্বর কবিতার দু’টি মর্মস্পর্শী পঙ্‌ক্তি হল: 

সেই দেহটার পানে তাকাও, বধ‌্যভূমি যা হয়েছে হৃদয়ের
হাড়িকাঠ আর কী আছে দেখার কোনও দর্শকের।

আর তিন নম্বর কবিতার কয়েকটি যন্ত্রণাদগ্ধ কথা হল:

ক্লেদাক্ত এ দু-চোখ রক্তে ধুয়ে ফেলি
ক্লেদাক্ত এ দু-চোখ রক্তে ধুয়ে ফেলি আমি
এবার প্রতিটি মুখ
এ বিশ্বচরাচরে সবকিছু
আমার দু-চোখের রক্ত-রঙে রঙিন হয়ে গেল।

যতবার এই কবিতাগুলির আর্তস্পন্দন শুনি, তত বুঝি এবং সুনিশ্চিত হই যে ফয়েজ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিলেন আরও অন‌্য অনেক বিবেকঋদ্ধ পাকিস্তানিদের সঙ্গে।

ক্লেদাক্ত এ দু-চোখ রক্তে ধুয়ে ফেলি

আমি অবশ‌্য ফয়েজের একটি অসাধারণ বিয়োগান্ত কবিতার প্রগাঢ় অনুরাগী। দেশব‌্যাপী বিপর্যস্ত ১৯৪৭-এর স্বাধীনতাকে এই আদ‌্যন্ত মানবিক কবি মেনে নিতে পারেননি, যেমন পারেননি ঋত্বিক ঘটক, মাণিক বন্দ‌্যোপ‌াধ‌্যায়, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ও কায়েস আহমদ। হৃদয় নিঃসৃত বেদনার ভাষায় তিনি ১৫ আগস্ট ১৯৪৭-কে সম্বোধন করেছিলেন এইভাবে:

This stained pitted first night
This daybreak battered by night
This down that we ached for
This is not that one.

আগা শহিদ আলি-কৃত এই ভাষান্তর অপূর্ব-অম্লান। নীলাঞ্জন, একটা অনুরোধ, তুমি ফয়েজের এই কবিতাটির বাংলা ভাষান্তর কোরো। আমাদের ইতিহাসের সর্বাধিক বেদনাঘন মুহূর্ত তোমার ভাষান্তরে প্রাণময় হয়ে উঠবে। বড় ভালো লিখেছ।

ভালোবাসায়, কৃতজ্ঞতায়–

শুভরঞ্জন

ফয়েজ-পরিক্রমা
নীলাঞ্জন হাজরা
এবং অধ্যায়
৪০০/-