


নাচের পরিসরে নানা তালবাদ্য যখন সোৎসাহে ব্যবহার করতে চাইছেন রবীন্দ্রনাথ, গান গাওয়ার সময় তাল রেখেও গাইছেন না খুব একটা, তালবাদ্য সংগতেও তাঁর আপত্তি। অথচ ছন্দ রাখছেন। যে রবীন্দ্রনাথ তাঁর গানে লিখছেন– ‘কাঁপে ছন্দ ভালো মন্দ তালে তালে’, সেই তিনি ছন্দ, তাল আর লয় নিয়ে তাঁর ভাবনা বলছেন স্পষ্ট উচ্চারণে। ‘সংগীতের মুক্তি’ প্রবন্ধে লিখছেন: ‘তাল জিনিসটা সংগীতের হিসাব-বিভাগ। এর দরকার খুবই বেশি সে কথা বলাই বাহুল্য। কিন্তু দরকারের চেয়েও কড়াকড়িটা যখন বড় হয় তখন দরকারটাই মাটি হইতে থাকে।’
৪.
‘আমাদের দিনে এমন বাইরে গান গাওয়া চলত না। তবলা চলত না– তার association খারাপ। রবীন্দ্রনাথ নিজেও তো পছন্দ করতেন না তবলার সঙ্গে গাওয়া। আমরা যখন রবীন্দ্রনাথের কাছে গান শিখেছি তখন আমরা তাল দিয়ে গান গাইতাম। তবলা জিনিসটা মোটেও পছন্দ করতেন না। এখনো আমার খারাপ লাগে– এমনি এমনি করে তাল দেয়া আবার কী! তালটা ভিতরে থাকবে। রবীন্দ্রনাথের তালজ্ঞান ছিল প্রচুর কিন্তু তার কোনো প্রকাশ ছিল না।’
এ-কথা বলছেন সাহানা দেবী, রবীন্দ্রনাথের প্রিয়তম ‘রবীন্দ্রসংগীত’ শিল্পী, সুভাষ চৌধুরীকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে। আমাদের কিশোরবেলায় আটের দশকে যখন ‘দেশ’ পত্রিকায় এই সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়, তখন আমাদের চোখে রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতি বা যেকোনও বাংলাগানের আসরে অবশ্য দৃশ্যমান হারমোনিয়াম আর তবলা, কখনও তবলিয়া দাঁড়িয়ে বাজাচ্ছেন টেবিলে তবলা রেখে। পাড়ায় পাড়ায় গানের কম্পিটিশনে তবলিয়া ভাড়া করতে হচ্ছে, আর সে-সব প্রতিযোগিতায় গানের তালিকায় থাকছে ‘একাদশী’, ‘নবপঞ্চ’– এইসব রবিরচিত তালের গান, কখনও-ই থাকছে না কোনও মুক্তছন্দের গান, কারণ বিচারকবৃন্দ একটি মার্কা দেওয়ার জায়গাই রেখেছেন তালে।

এই যে সাহানা দেবী তবলার খারাপ অ্যাসোসিয়েশনের কথাটি বলছেন, সেটি কেবলমাত্র বাইজিবাড়ি সঙ্গ নিয়ে নয় বা বাঙালি গেরস্তবাড়িতে তখনও তালবাদ্য বলতে শ্রীখোল, অভিজাত পরিসরে পাখোয়াজ। আর তবলা? তবলিয়ার সামাজিক অবস্থান তো জানিয়েই দিয়েছেন ব্রাহ্মবাড়ির কবি সুকুমার রায়, ‘কনিষ্ঠটি তবলা বাজায়, যাত্রাদলে পাঁচ টাকা পায়’। আবারও মনে করি, সুকুমারপুত্র সত্যজিতের ছবির কোনও রবীন্দ্রগানেই তবলা বাজেনি। রবীন্দ্রনাথ, দিনেন্দ্রনাথ কখনও-ই তবলার সঙ্গে গাননি, গাননি তখনকার ঠাকুরবাড়ির কোনও গাইয়েই। রবীন্দ্রঘনিষ্ঠ এবং রবীন্দ্রসংগীতের প্রথম অ্যামেচার-শিল্পী অমলা দাশের রেকর্ডে কোনও আনদ্ধ তালবাদ্য বাজেনি। অথচ ২০২০ সালে পৌষ উৎসবের সময় আশ্রমের বিবরণীতে দেখছি, ‘ছাত্ররা যেসব সমস্ত গান শিখিয়াছে তাহাদের প্রায় সকলকেই স্বরলিপি শেখানো হইয়াছে। মৃদঙ্গ, তবলা ও বীণার ছাত্ররাও উন্নতি করিয়াছে।’

বিশ্বভারতীর উন্মেষকালে রবীন্দ্রনাথের আশ্রমে তবলা ব্রাত্য ছিল না, একথা জানছি আমরা। এর ঠিক ১৬ বছর পরেই ১৯৩৭ সালে, শান্তিনিকেতনে ‘শ্যামা’ নৃত্যনাট্যে উত্তীয় চরিত্রের সব গানে তবলা বাজছে। কথক আঙ্গিকে উত্তীয় চরিত্রের নাচ করছেন ছাত্রী আশা ওঝা আর তাঁর নিজস্ব তবলিয়াকে এই উপলক্ষেই লখনউ থেকে নিয়ে আসছেন নির্দেশক রবীন্দ্রনাথ। নাচের পরিসরে নানা তালবাদ্য যখন সোৎসাহে ব্যবহার করতে চাইছেন রবীন্দ্রনাথ, গান গাওয়ার সময় তাল রেখেও গাইছেন না খুব একটা, তালবাদ্য সংগতেও তাঁর আপত্তি। অথচ ছন্দ রাখছেন। যে রবীন্দ্রনাথ তাঁর গানে লিখছেন– ‘কাঁপে ছন্দ ভালো মন্দ তালে তালে’, সেই তিনি ছন্দ, তাল আর লয় নিয়ে তাঁর ভাবনা বলছেন স্পষ্ট উচ্চারণে। ‘সংগীতের মুক্তি’ প্রবন্ধে লিখছেন:
‘তাল জিনিসটা সংগীতের হিসাব-বিভাগ। এর দরকার খুবই বেশি সে কথা বলাই বাহুল্য। কিন্তু দরকারের চেয়েও কড়াকড়িটা যখন বড় হয় তখন দরকারটাই মাটি হইতে থাকে।’ কী বলতে চাইছেন রবীন্দ্র সংগীতের স্রষ্টা? একটি উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করি।
‘সুধাসাগরতীরে’ গানটি ধামার তালে নিবদ্ধ। প্রসারের দিক থেকে যে যুগ রবীন্দ্রসংগীতের স্বর্ণযুগ, সেই যুগের তিন অগ্রগণ্য শিল্পীর মধ্যে সুচিত্রা মিত্র, সুবিনয় রায় গানটি তাল সহযোগে গেয়েছেন। স্বরলিপিনিষ্ট ও ধ্রুপদধামার অঙ্গের গানে সিদ্ধ সুবিনয় রায়ের কণ্ঠে এ-গানের রেকর্ডটি পাঠক শুনে নিতে পারেন একবার। ঠিক তার পাশেই রাখতে চাই অমিয়া ঠাকুরের কণ্ঠে ‘সুধাসাগরতীরে’ গানের অশ্রুতপ্রায় রেকর্ডটি। রবীন্দ্রনাথের নাতবউ অমিয়া ঠাকুর এই গানটি গেয়েছেন তালকে দূরে সরিয়ে রেখে, মুক্ত সুরের ছন্দে। ধামার তালের দৃঢ় বাঁধন ভেঙে সংগীতের এক অনুপম মুক্তি ঘটছে, গানের আকুলতা ছড়িয়ে পড়ছে ভুবনে। তাতে কি গানের অধরামাধুরী ছন্দের বন্ধনে ধরা পড়েনি? পড়েছে। পড়েছে কথা বলার ছন্দে। রবীন্দ্রনাথ লিখছেন, ‘য়ুরোপীয় গানে রচয়িতার ইচ্ছামতো মাঝে মাঝে তালে ঢিল পড়ে এবং প্রতিবারেই সমের কাছে গানকে আপন তালের হিসেব নিকাশ করিয়া হাঁফ ছাড়িতে হয় না।’ সংগীতের মুক্তির এই জানালা খুলেই গান গাইতেন রবীন্দ্রনাথ স্বয়ং।

শান্তিদেব ঘোষের কণ্ঠে ‘রাঙিয়ে দিয়ে যাও’ গানটি এক গভীর দর্শনের সঙ্গে মর্মে লাগে, গভীর রাতের জাগায় লাগে। নাচের রাজা শান্তিদেবও এই গান গাইছেন তালের হিসেবের বাইরে গিয়ে, ভিতরের ছন্দটি রেখে।পেশাদার গাইয়ে, যাঁরা কবির জীবদ্দশায় নিজের সুর-টুর লাগিয়ে রবিবাবুর গান গেয়েছিলেন, তাঁরা অনেকেই গেয়েছিলেন তবলার সঙ্গে। রাধিকা গোস্বামী ‘স্বপন যদি ভাঙিলে’ গাইলেন যেন উস্তাদি কায়দায়, সম দেখিয়ে। বৈঠকি কায়দায় কারদানি করে তবলার সম দেখিয়ে মানদাসুন্দরী দাসী রেকর্ড করেছিলেন ‘মাঝে মাঝে তব দেখা পাই’। তবলার সংগতে এই কারদানি দেখিয়ে রবীন্দ্রসংগীত গেয়েছেন অজয় চক্রবর্তী এ যুগে। ওদিকে ঠাকুরপরিবার আর ব্রাহ্মসমাজের তালবাদ্যরহিত রেকর্ডগুলির পাশাপাশি রবীন্দ্রসংগীতের রেকর্ডে প্রথম শ্রীখোল বাজল ১৯৩৭ সালে, পঙ্কজকুমার মল্লিকের সংগীত নির্দেশে, ‘মুক্তি’ ছবিতে, ‘আমি কান পেতে রই’ এবং ‘আজ সবার রঙে রং মিশাতে হবে’– এই দু’টি গানে। ঠিক তার পরের বছর ১৯৩৮ সালে ‘জীবনমরণ’ ছবিতে কুন্দনলাল সায়গলের কণ্ঠে ‘আমি তোমায় যত’ গানটিতে বাজল তবলা। পাঠক ইউটিউবে শুনে দেখতে পারেন ১৯৪৯ সালে প্রকাশিত ‘শ্রীমতী পিকচার্স’-এর ‘অনন্যা’ ছবিতে কানন দেবী ও সুচিত্রা মিত্রের দ্বৈতকণ্ঠে ‘আমাদের যাত্রা হল শুরু’ গানটি। মধ্য লয়ে এই গানে খোল বাজছে, দু’টি ভিন্ন বুনটের কণ্ঠ ও গায়কী মিশে এক অপূর্ব ব্যঞ্জনা সৃষ্টি করছে।

১৯৬১ সালে রবীন্দ্র জন্মশতবর্ষে রেকর্ড প্রকাশের জোয়ার এল, আর তবলা আর খোল হয়ে উঠল প্রায় সকল শিল্পীর গানের অদ্বিতীয় সঙ্গী। ব্যতিক্রম দেবব্রত বিশ্বাসের গান। ওঁর রেকর্ডে তাল রাখা হয়েছে গিটার বা পিয়ানোতে। মঞ্জুশ্রী চাকির নাচের জন্য গীত দেবব্রত বিশ্বাসের ‘প্রথম আদি তব শক্তি’ গানের রেকর্ডে বাজছে পাখোয়াজের বোলবাণী। এর আগে অমিতা সেন, সুধা মুখোপাধ্যায়, কনক দাশ প্রমুখ রবীন্দ্র-সঙ্গলগ্ন গাইয়েদের গানে তাল রাখার শ্রবণীয় কাজটি করছে গিটারের ভ্যাম্পিং। কিন্তু তবলা খোল ও ভারী চালের গানের ক্ষেত্রে পাখোয়াজের অমোঘ আধিপত্য দেখি রাজেশ্বরী, সুচিত্রা, কণিকা, সুবিনয়, অশোকতরু, চিন্ময়, সাগর সেন, সুমিত্রা সেন, ঋতু গুহ, পূর্বা দাম প্রমুখ নামী গুণী শিল্পীদের গানে।

‘বিশ্বভারতী মিউজিক বোর্ড’ দেবব্রত বিশ্বাসের রেকর্ডে আপত্তি জানানোর সময় লিখিতভাবে রবীন্দ্রসংগীতের সঙ্গে সহযোগী যন্ত্রের একটি মাননীয় তালিকা পেশ করেছিল। ১৯৭২ সালের নভেম্বর মাসে ‘হিন্দুস্থান রেকর্ডস’কে লেখা চিঠিতে তাতে কেবলমাত্র খোল, ঢোল, বায়াতবলা, পাখোয়াজ আর মন্দিরার উল্লেখ রয়েছে। যে গানের বাণীতে রবীন্দ্রনাথ লেখেন– ‘কার বাণী কোন সুরে তালে/ মর্মরে পল্লবজালে/ বাজে মম মঞ্জীররাজি সাথে সাথে’, ‘রাজা’ নাটকে সেই গানের মঞ্চনির্দেশে রবীন্দ্রনাথ বলেন, ‘মাদল লইয়া বালকগণের গান’। মৃদঙ্গ, মাদল, মুরজ, মঞ্জীর, ডমরু, নূপুর, একতারা– এই এত রকম তালযন্ত্রের উল্লেখ পাই তাঁর গানে। তিনি তো অপার ইশারা রেখে গিয়েছেন তাঁর গানের সঙ্গতকল্পনার পরিসরে।

শ্রীখোল মূলত কীর্তনের যন্ত্র। তার নিজস্ব ঘরানা আর বোলবাণী আছে। কিন্তু রবীন্দ্রনাথের বাউলসুরের গানে খোল কেন অনিবার্য হল, সেই প্রশ্ন মাথায় আসে।মনে পড়ে, নয়ের দশকে একটি আসরে ‘আমার প্রাণের মাঝে সুধা আছে’ গানটি খমকের অনুপম সাহচর্যে গেয়েছিলেন পল্লব কীর্তনিয়া। এরপর রবীন্দ্রগানে তালসঙ্গতের কাজে একতারা, দোতারা, খমক, বুবকি, ডুগি ইত্যাদি যন্ত্রকে অত্যন্ত তরতাজাভাবে ব্যবহার করেন কালিকাপ্রসাদ ভট্টাচার্য ও তাঁর ‘দোহার’ দল। আপাতভাবে যে লয়ে, যে ভঙ্গিতে আমরা ‘গ্রাম ছাড়া ওই রাঙা মাটির পথ’ গানটি শুনতে পাই, তাতে গানটিকে একটি আসর জমানো তালের গান বলেই মনে হয়। কিন্তু দোহার-এর উদ্যোগে পার্বতী বাউলের কণ্ঠে কেবলমাত্র একতারার তাল-সুর-লয়ের সাহচর্যে এ-গানের যে গভীর বৈরাগ্যের রূপটি উন্মোচিত হয়, তা অভাবনীয়। এসরাজের তন্ত্রকারী শৈলীর ছড়ের বাজ-এ আবীর সিং খাঙ্গুরা তালের অভিনব গড়ন তৈরি করেন বিক্রম সিংয়ের: ‘ভালোবেসে সখী নিভৃত যতনে’ গানটির সূচনায়।

এই যুগ মিউজিক আরেঞ্জারের তৈরি ট্র্যাকে গান গাওয়ার। কম্পিউটারে মাপা খাপে খাপ লয়ে (মেট্রোনেম) তালবাদ্য গান রেকর্ডের আগেই রেকর্ড করা থাকে। গাইয়ের কাজ ওই মাপে গানটি গাওয়া। জীবনের শেষ রেকর্ডে এইভাবে গেয়ে নিজেকে উজাড় করে দিতে না পারা ঋতু গুহ আক্ষেপের স্বরে বলেছিলেন, ‘এই শেষ, আর গাইব না এভাবে’! সঙ্গে না থেকে সঙ্গত হয় কীভাবে, এই ব্যথা মনে লাগে। পাঠক শুনে দেখতে পারেন তালছাড়া গাওয়া পঙ্কজ মল্লিক অথবা সুচিত্রা মিত্রের গাওয়া ‘হে নূতন’ গানটি। আবার এমএস সুব্বুলক্ষ্মী যখন দক্ষিণী মৃদঙ্গমের সঙ্গতে এই গানটি গান, তখন তালসঙ্গত এই গানকে নিয়ে যায় এক প্রার্থনার উচ্চতায়।পাশাপাশি রাখি শান্তিনিকেতনের উপাসনাগৃহে সাম্প্রতিককালে এই গানের সমবেত নিবেদনে তবলাবাদনের একটি নিদর্শন। এই গানে ‘তোমার প্রকাশ হোক’, এই ‘হোক’ শব্দে বা প্রায় প্রতি পংক্তির শেষ শব্দে যে স্থায়ী স্বর (standing note) চারটি মাত্রা জুড়ে থাকে, তবলিয়া সেখানে বোলবাণী দিয়ে ‘ফিলার’ বাজাচ্ছেন, গানের কম্পোজিশনের ওই স্থায়ী স্বরের ঋজু প্রত্যয় আহত হচ্ছে তাতে। খুব সম্প্রতি শান্তিনিকেতনের এক তরুণ, গুণী নারীকণ্ঠের ‘কে যাবি পারে’ গানটির ভিডিও দেখছিলাম। দেখছি শিল্পী যখন অনুভবী স্বরে গাইছেন– ‘এ পারেতে ধূ ধূ মরু’, শ্রীখোলবাদক একটি তিনমাত্রার চটুল বিভাজনে ঠেকা বদলাচ্ছেন, মুখে আসর-জমানো হাসি।

একালে তবলা, খোলের অনিবার্যতা থেকে রবীন্দ্রগানকে মুক্তি দিয়েছেন জয় সরকার, তাঁর বেশ কিছু উল্লেখ্য সংগীত আয়োজনে। লোপামুদ্রা মিত্রের কণ্ঠে ‘মম চিত্তে নিতি নৃত্যে’ গানে, যে গানের অন্যতম বিষয়কেন্দ্র বিশ্বনাচের গভীর ছন্দ, জয় ব্যবহার করতে থাকেন একটি ড্রামবিট। আর ঠিক গানের শেষভাগে ‘কী আনন্দ কী আনন্দ কী আনন্দ’ যখন গেয়ে ওঠেন লোপামুদ্রা, সেই ড্রামবিট থেমে যায়। ম্যানডোলিনের একটি সুরেলা তান বয়ে যায়। তালের কোনও শব্দ ছাড়াই খোলা গলায় শুনতে পাই– ‘দিবারাত্রি নাচে মুক্তি…’। আমরা খুঁজে পাই মুক্ত সুরের ছন্দকে।
………………………
রোববার.ইন-এ পড়ুন ঠাকুরঘরানা-র অন্যান্য পর্ব
………………………
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved