ট্রফির সঙ্গে বিদ্বেষের এই পৃথিবীকেও জিতে নিয়েছেন গম্ভীর। এমন সাফল্যবানকে ধোনির মতো ব্যক্তিত্ব কুর্নিশ জানাবেন, সেটাই কাম্য। যুদ্ধের বিষবাষ্পে দুই হাস্যোজ্জ্বল মহারথীর ‘দোস্তি’ রক্তকরবী হয়ে ফুটলে ক্ষতি কি!
কেজরিওয়াল, সিসোদিয়া যদি নির্দোষই হন, তাহলে তাঁদের জেল-যন্ত্রণা সইতে হল কেন? কে ফিরিয়ে দেবে তাদের ভেসে যাওয়া দু’-দুটো বছর। যে দু’-বছরে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রিত্ব হারাতে হয়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে। হারাতে হয়েছে নাম-যশ, সসম্মান।
বাঙালির একটা ইতিহাস রয়েছে, উত্তম-সুচিত্রা রয়েছে, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় রয়েছে, আর রয়েছে কৃশানু দে। কৃশানু দে ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন। চিরকাল।
আজকের কোনও তরুণ-তরুণী, যাঁরা নিজের রাজনৈতিক কেরিয়ারে প্রবেশ করতে চলেছেন, বা এমন কেউ যাঁরা যুব রাজনীতি করেন এখনই, এমনকী, যাঁরা দীর্ঘকাল পার্টিজীবী, তাঁদের কাছে বিরোধিতার ‘সহজপাঠ’ তৈরি করলেন এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। যে সহজ পাঠের একটাই ভাষা– আপন করে নেওয়ার।
বছর যায়। বছর আসে। ব্যাপারস্যাপার হরে-দরে একই থাকে। কেমন হত, যদি মানুষের মতোই, দুটো বছর একে-অপরের সঙ্গে কথা বলত? কী বলত তারা? সারা বছরের ভালো-মন্দ থেকে কী বেছে নিত? আগামী বছর কি বিগত বছরকে দোষারোপ করে? নতুন বছরের থেকে কি বিগত বছর আশা করে কিছু? রইল দুই বছরের সংলাপ।
মেসির ভারত সফরে শুধুমাত্র যুবভারতীর বিশৃঙ্খলা ছিল না। অগোচরে আরও একটা জিনিস প্রবলভাবে ছিল। ক্ষমতা-অর্থের যৌথ উচ্ছৃঙ্খলতা।
বিষ-হাওয়ায়, দূষিত হাওয়ায় কলকাতার যত না শ্বাসকষ্ট হয়, তার চেয়ে বেশি শ্বাসরুদ্ধকর লাগে যখন এক গরিব প্যাটিস বিক্রেতা আক্রান্ত হন গীতাপাঠের আসরে। খাস কলকাতার বুকে, আর কোনও শীতে এমন দূষণ হয়েছে কি?
বদলাচ্ছে কুমোরটুলি। যাদের দেখে বড় হয়েছি, কুমোরপাড়ার গলির ধারে নিজেদের ঘরের দরজায় বসে মা দুর্গার মুখ সারছেন, তাঁরাই আজ হারিয়ে যাচ্ছেন। কাকে দেখে মানুষ আর কুমোরটুলির টানে ছুটবে! জানি না।
আজ ৩ সেপ্টেম্বর। উত্তমকুমারের জন্মদিন। বাংলা ও বাঙালির মহানায়ক পা দিলেন জন্মশতবর্ষে। সেই উপলক্ষে এই অলীক-আড্ডা, ওপেন সিক্রেটে।
কে বলে বাংলাভাষার পিঠ ঠেকে গিয়েছে দেওয়ালে? দিল্লি পুলিশ পর্যন্ত যেখানে ভাষাতত্ত্ব নিয়ে তীব্র পড়াশোনা করে ‘বাংলাদেশি ভাষা’ সম্পর্কে জানান দেয়, তখনও আমাদের চিন্তান্বিত বুদ্ধিজীবীদের শান্তি হয় না? পুলিশের কাজ আইনরক্ষা ও ফাইনরক্ষা, কিন্তু এদেশ এমন পড়ুয়া ও ভাষাবিজ্ঞানী পুলিশের পাল্লায় পড়েছে কখনও? এজন্যই প্যাশন ছাড়তে নেই। শুধু একটাই বিনীত প্রশ্ন সেই কেন্দ্রীয় পুলিশের প্রতি: রবীন্দ্রনাথ কি ‘সোনার বাংলা’ বাংলাদেশি ভাষায়, আর জনগণমন বাংলা ভাষায় লিখেছিলেন? তা-ই হবে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved