

ইদানীং মনে হয়, সাংবাদিকতায় আসতে গেলে পারিবারিক রেস্ত থাকা জরুরি, কিংবা পেশার সঙ্গে সমান্তরাল কিছু করা প্রয়োজন। না হলে যে পেট চলবে না!
অভিনেত্রী এস্থারকে দেখতে প্রায় প্রতিদিন থিয়েটারে যান জোড়াসাঁকোর প্রিন্স।
মিনা জেগে যাওয়া সিংহী ছিল। খাদ হোক বা হেকমতিয়ার, কারই বা সাধ্য ছিল তার চাপা গর্জনে নিষ্কম্প থাকার?
অধ্যাপকের পরামর্শ ছিল, যতদিন সম্ভব, সিস্টেমের ভেতরে থেকেই কাজ।
এই সময়ের আশপাশেই ‘আদিম লতাগুল্মময়’-এর এই কবিতা লিখেছিলেন শঙ্খ ঘোষ।
প্লেগের কলকাতা। কাঁচা বাড়ি ভাঙা পড়ার কলকাতা।
সেদিন রাতে আমাকে তুলে নিয়ে নিজেদের ডেরায় নিয়ে যাওয়ার জন্য এসেছিল ইস্টবেঙ্গল কর্তা বাবু চক্রবর্তী!
জনতার আদালতে ছবিঠাকুর অভিনন্দিত হলেন, না কি নিন্দিত হলেন? তাঁর কপালে সাধুবাদ জুটল না প্রবল তিরস্কার?
ক্লেয়ার উইংগার হ্যারিস কল্পবিজ্ঞান কাহিনি লিখলেন মার্কিন সস্তা পত্রিকাগুলিতে যাকে বলে ‘পাল্প ম্যাগাজিন’, প্রথম মহিলা লেখক তিনি এই জঁরের।
বিশ্বের যে রূপ আমাদের সামনে প্রকাশিত, সেই রূপের মধ্যে অরূপকে উপলব্ধি করার জন্য যে ভাষার প্রয়োজন, তা হল আনন্দ।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved