

জ্ঞানদা কি সন্দেহ করছেন সত্যেন্দ্রকে?
হাঁটু কেটে রক্ত গড়াল, রুমাল বেঁধে ঘা লুকিয়ে রাখলেন অমিতাভ। ভয়ে কাউকে কিছু জানালেন না, পাছে কাজটা হাত থেকে চলে যায়।
‘জনগণের শত্রুদের বেঁচে থাকার অধিকার নেই।– কমরেড ব্রহ্মা।’ লিফলেটে পাওয়া গিয়েছে এমন লেখা।
দোষ কারও নয় গো মা! আমরাই খাল কেটে কুমির এনিচি।
দ্বিতীয় পর্বে এমন একটা কথা বললেন সুপ্রিয়া দেবী, কন্ট্রোল রুমে সকলে নড়েচড়ে বসল।
মা সারদার জীবনের সঙ্গে জগদ্ধাত্রী পূজার সম্পর্ক বহুকালের। রইল সেই ইতিহাস।
মুম্বইয়ের বড়ে মিয়াঁর ভেজা ফ্রাইয়ের রোল না খেয়ে কোনও মাংসপ্রেমী ইহলোক ত্যাগ করলে, তাকে ঈশ্বর কান ধরে ব্যাকলগ ক্লিয়ার করতে ফেরত পাঠাবে।
শিক্ষকদের গম্ভীর ধমক– অমুকের ভাই হয়ে এ’রকম বাঁদর হচ্ছ তুমি? লাস্ট বেঞ্চে পাঠিয়ে দেব কিন্তু।
রেণুকা অকাল প্রয়াত হলেন। রোগশয্যায় সেবাময় পিতা রবীন্দ্রনাথ। কবি রবীন্দ্রনাথ সেই শয্যায় লিখছেন ‘শিশু’ কাব্যগ্রন্থের কবিতা। এ সবই মহিমময় ছবি। তবু পিতা রবীন্দ্রনাথকে কি ক্ষমা করা যায়!
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved