

ছোটবেলায় মহাভারত পড়ার সময় যতবার প্রশ্ন করেছি বড়দের, ওঁরা ‘নপুংসক’ শব্দটি উচ্চারণ করেই খুব দ্রুত ঢুকে পড়েছেন কৃষ্ণের বুদ্ধিমত্তার প্রশংসায়।
পরদিন ভোরে তাঁর শয়নকক্ষের দরজা খুলতে দেরি হচ্ছে দেখে উদ্বিগ্ন রক্ষীরা দরজা ভেঙে দেখে মহারাজের প্রাণহীন, রক্তশূণ্য দেহ পালঙ্কে শোয়ানো।
সত্যেন্দ্রকে দুই বাহুর মধ্যে জড়িয়ে ধরে সামান্য যেন কষ্ট করে হাসে জ্ঞানদা। সেই হাসির মধ্যে কোথাও কি আছে এতদিন পরে পাওয়ার উথলে-ওঠা আনন্দ?
বলেছিলেন দাদা কোন্ডকে। ডাবল মিনিংয়ের আড়ালে তিনি ঠুকতেন রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক ও ধর্মীয় নির্লজ্জতাকে।
বাঁশরীর মৃত্যু, নিজে গুলি খেয়ে এলাকা থেকে পালিয়ে থাকাটা বিদ্যুতের কাছে পরাজয়।
ঠিকঠাক পরিবার থেকে বাছাই করা সুন্দরী বউ, এবং যথাসময়ে প্ল্যানড বাচ্চা নিয়ে নাকি ওদের কোনও চিন্তা কখনওই ছিল না।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved