Robbar

রোজনামচা

রাষ্ট্র শকুনের মতো, শিকার করে না, মৃত্যুর অপেক্ষা করে

শকুন ভাগাড় থেকে খাবার খুঁজে নেয়। লাশকে নিজের খাদ্যে পরিণত করে সে পরিবেশে ভারসাম্য আনে। আমাদের রাষ্ট্রীয় এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থাও অনেকটা সেইরকমভাবেই কাজ করে। তারা যাদের মনে করে সমাজের জীবাণু, প্রাথমিক ভাবে নিম্নশ্রেণির এবং প্রান্তিক মানুষদের, তাঁদের ঠেলে দেয় মৃত্যুর দোরগোড়ায়।

→

ছাত্র রেবতীভূষণকে ‘কুইক আর্টিস্ট’ তকমা দিয়েছিলেন অবনীন্দ্রনাথ

খাটের পাশে, টেবিলের ওপর রাখা একটা পোস্টকার্ড– সেখানে কিছুই লেখা নেই। আর একটাতে বড় একটা জিজ্ঞাসা চিহ্ন। সেটা দেখাতে হো হো করে হেসে বললেন– ‘শিব্রাম বাবুর চিঠি, বহুদিন খোঁজ না পেলে এইরকম চিঠি দিতেন।’

→

যতক্ষণ শাঁস, ততক্ষণ আশ

২ সেপ্টেম্বর। আজ বিশ্ব নারকোল দিবস। ডাব দিবসও বলতে পারেন। সেই ডাব নারকোল নিয়েই রোববার.ইন-এ শাঁসালো নিবন্ধ।

→

আগস্টকে সজোরে ‘অনভিপ্রেত’ ঘোষণা করেছিলেন সিলভিয়া প্লাথ

আগস্ট কবির কাছে একটি ‘মানসিক ঋতু’– বাস্তবের চেয়েও যার ঠাঁই বেশি কবিরই মনে, জীবনে, যাত্রায়। গ্রীষ্মের প্রাণবন্ত আলো হঠাৎই আগুন হয়ে, সংকেত বহন করে নারীজীবনের বিবিধ ক্ষয়ের, ছিন্নমূলতার, শূন্যতার। সে ‘উন্মাদনার’ ব্যাকরণ আত্মহত্যার রোমহর্ষক রি-টেলিং-কে অতিক্রম করে যাওয়া আগস্টেরও ব্যাকরণ।

→

জয় শিব্রাম: একালের বিভেদের রাজনীতির গালে জরুরি থাপ্পড়!

‘যখন যেমন তখন তেমন’ গল্পটা শিবরামের হিন্দুসমাজের পণ্ডিতির গালে কষে থাপ্পড়। আজকের দিনে লিখলে শিবরাম জেলের ভাত খেতেন গল্প লেখার জন্য। কথাটা যে একেবারে ফালতু নয়, তার জন্য গল্পটা একবার পাঠক পড়ে এলেই বুঝবেন।

→

কাদরীর কবিতা সর্বজনীন হয়েও ব্যক্তিগত, রাজনৈতিক হয়েও প্রেমের

তাঁর কবিতা স্বরগ্রাম সুকান্ত কিংবা নজরুলের হয়ে ওঠেনি এমনকী সমকাল-ঘনিষ্ঠ অগ্রজ সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের দিকেও গড়ায়নি। কাদরীর কবিতা, অবস্থান, কাদরীর মতোই সর্বজনীন হয়েও ব্যক্তিগত, রাজনৈতিক হয়েও প্রেমের, নাগরিক হয়েও চরচরব্যাপী, একান্ত বাঙালির আবার আন্তর্জাতিক।

→

স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতি পদে ব্যর্থতার অভিমানে কখনও আসক্তি জন্মায়নি বীণা দাসের

১৯৮৬-র ডিসেম্বরে স্রোতস্বিনী গঙ্গার তীরে হৃষীকেশ, পথচলতি মহিলার পায়ে ঠেকে একটি পচনশীল মৃতদেহ। ঠাহর করা যায় না, যায়নি, যতক্ষণ কলকাতা থেকে দীর্ঘদিন তাঁর কোনও খোঁজ না-পাওয়া পরিজন তাঁর টুকটাক ‘সামান’ চিহ্নিত করেন। ইনিই বীণা দাস, বিপ্লবী, গোটা জীবন দেশের নামে পাত করে যাঁর কপালে জুটেছিল ওই করুণ পরিণতি।

→

কেষ্ট একাই এক-শো

তিনি অভিনেতা হিসেবে সবসময় পার্শ্ব কিন্তু তীক্ষ্ণ। প্রতিনিধিত্ব করেছেন সাধারণের, কিন্তু প্রতিনিধিত্ব করেছেন অসাধারণ। তিনি টলেছেন কম, টলিয়েছেন বেশি। ভারতীয় সিনেমায় তিনি একটা যুগ, যেখানে ক্ষুদ্র ভূমিকা তুচ্ছতার সঙ্গে পরিকল্পিত হত না।

→

শরীরে সিঁদুর-শাঁখা-পলা নেই, সধবা হয়েও সাদা শাড়ি পরতেন উনিশ শতকের অঘোরকামিনী রায়

অঘোরকামিনী সময়ের রীতি মেনে দেবী হননি, হয়েছিলেন, ‘রায়’, ‘মিসেস রায়’। এই কারণে যদি বলি, অঘোরকামিনী রায়, ডক্টর বিধানচন্দ্র রায়ের মা, তাহলে বোধহয় নিজেকে আবদ্ধ করলাম প্রথাগত চিন্তার আবদ্ধতায়। অপমান করে বসলাম, প্রবল আত্মমর্যাদাসম্পন্ন, ব্যতিক্রমী সেই নারীকে। বরং মনের মুক্তি সঙ্গে কলমের শান্তি লেগে থাকে, যদি বলি, অঘোরকামিনী রায়ের কনিষ্ঠ সন্তান পশ্চিমবঙ্গের রূপকার তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর বিধানচন্দ্র রায়।

→

অযত্নের লেখা কখনও ছাপতে দিইনি, বলেছিলেন জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে জ্যোতিরিন্দ্র নন্দীর যে বিশেষ সাক্ষাৎকার আমরা গ্রহণ করি, সেখানে সুনীলের একটি প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে তিনি ‘হো হো’ করে হেসে প্রসঙ্গান্তরে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন। সুনীল বলেছিলেন, ‘এরকম শোনা যায়, আপনি নাকি একসময় রাস্তায় বাসে-ট্রামে কোনও সুন্দরী রমণীর দেখা পেলে কাউকে বুঝতে না দিয়ে তাঁকে নীরবে অনুসরণ করতেন?’

→