

যদি এইসমস্ত শব্দ কোনও পুরুষ লিখতেন এবং সেইসব লেখার একটা তথাকথিত পলিটিক্যাল অ্যাজেন্ডা থাকত— তাহলে হয়তো ওঁদের কাছে সেইসব শব্দ আপত্তিকর হত না।
শরীরে সন্দীপন নেই-এর পরে আমি আরও অনেক কবিতা লিখেছি, কিন্তু তা ওই, ‘ভালোবেসে সখী সুখও নাহি’র মতো অতৃপ্ত, দীপ্তিহীন– কখনও তা একাকিত্বের আলো হয়ে জ্বলছে, নিভেও যাচ্ছে আমার ভিতর।
ফুলস্কেপ কাগজের একটি পাতায়, সিগারেটের রাংতার পিছনে, ক্যালেন্ডারে পিছনে বা ছেড়া কাগজের টুকরোয়, যেখানেই লিখি, ভাঁজ করে কিছুদিন পকেটে নিয়ে ঘুরতাম আমি, বন্ধুদের পড়াতাম, বিশেষত কয়েক নির্দিষ্টজনকে।
দ্বিতীয় বই আমার দিকে তাকিয়ে এখন মুচকি হাসে। ফিসফিস করে সে বলে, তুমি ভাবছ ফোয়ারা জিতেছে কিন্তু আসল গোলটা কিন্তু আমিই দিয়েছি মোক্ষম মুহূর্তে।
অনেককেই বলতে শুনেছি, ‘অষ্ট চরণ ষোলো হাঁটু’ থেকে আমরা তার পাঠক। নামগল্পটা বেরিয়েছিল ‘অনুষ্টুপ’ পত্রিকায়। পূর্ণেন্দু পত্রীর এই গল্পটা ভালো লাগে। পূর্ণেন্দুদা আমাকে বলেন, ‘প্রচ্ছদটা আমি করব।’ করেওছিলেন।
এই বইয়ে এবং আমার আরও অনেক পরবর্তী লেখায় খোলাখুলি যৌনতা থাকলেও, আমি আমার ভাষা থেকে রুচি, শিক্ষা, সভ্যতা এবং ড্রইংরুম পালিশ কখনও বর্জন করেছি বলে মনে হয় না।
প্রথম বই-ই আনন্দ পুরস্কারে ভূষিত হয়। এতে আমার মাথা ঘুরে যাওয়ার সমূহ আশঙ্কা ছিল। কিন্তু তা হয়নি। এই পুরস্কার বরং আমার দায়িত্ব বাড়িয়ে দিয়েছিল। যাঁরা কাব্য জগতে আমাকে সাদরে গ্রহণ করেছিলেন, তাঁদের জন্য আরও ভালো লেখার দায়িত্ব।
আজ থেকে শুরু কলকাতা বইমেলা। আর রোববার.ইন-এ শুরু ‘দ্বিতীয় বই’ নিয়ে লেখকদের স্মৃতিচারণ। চলবে বইমেলার শেষদিন পর্যন্ত। এই সিরিজটি শুরু হল অনিতা অগ্নিহোত্রী-র লেখা দিয়ে।
যেসব কথা লেখা বারণ, যেসব কথা বলা বারণ সেই সমস্ত নীরবতা ভেঙে মুখর হল ক্লোই এবং অলিভিয়ার গল্প। পুরুষের অক্ষ ছাড়িয়ে দুই মেয়ের সম্পর্ক গড়ে ওঠা তাই বারবার গড়ে তুলেছে এক অন্য প্রতিরোধের ইতিহাস।
ঢাকায় শেষ রাজনৈতিক সম্মেলনে নেতাজি হিন্দু-মুসলিম-সহ দেশের আপামর জনসাধারণকে ‘ব্রিটিশ শক্তির বিরুদ্ধে চূড়ান্ত আঘাত প্রদানের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণের’ আহ্বান জানান।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved