

আমরা যেমন সকালবেলা পুরনো শিবপুরের অলিগলি দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে চলে যেতাম বুদ্ধদেবদার বাড়ি, আবার বিকেলবেলা ওই রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বুদ্ধদেবদা চলে আসতেন আমাদের বাড়ি। আড্ডা বেজে উঠত আবার। এই আড্ডাতেই আমরা জানতে পারি, বুদ্ধদেবদার সিনেমা-স্বপ্নের কথা।
বাবা-মা হাসাহাসি করত, তাদের ছোটবেলায় বিয়েবাড়িতে নাকি প্লাস্টিক চাটনি হত। তা সে যা হোক, বাবা-মায়ের এই হাসাহাসি, ব্যঙ্গ দেখে ভেবেছিলাম, এসব ক'দিনের হাইপ। কিন্তু, সব কেমন বদলে গেল।
গাছটা খুঁজুন মিস্টার মিত্তির। আমরা সব্বাই হারিয়ে যাওয়ার আগে, গাছটাকে আমাদের খুঁজে পেতেই হবে।
আকাশে সূর্য আপাতচলনের মাধ্যমে যদি ঠিক মাথার উপর আসে, তখন তার কিরণ লম্বভাবে পড়ে। তাই কোনও মানুষ তার নিচে দাঁড়ালে তার ছায়া দেহের বাইরে বেরয় না। সেই দিনকে বলা হয় ‘ছায়াহীন দিবস’।
তাঁকে ‘মানবতার শিল্পী’ বলা হয়। সে কারণে বিশ শতকে আধুনিক চিত্রকলা চর্চার যে জগৎ, সে সবের মধ্যে পুরোপুরি না গিয়ে তিনি আমাদের দেশ, এই অঞ্চল, এখানকার মানুষ, প্রকৃতি– এসব নিয়ে কাজ করেছেন। কাজ করেছেন দুঃখ-কষ্ট, অভাব অনটন নিয়ে। শুরুটা সেই তেতাল্লিশের মন্বন্তরে।
তিন দশকেরও অধিক সময় রামকিঙ্করের জীবন ও সৃষ্টির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে ছিলেন রাধারানি। উপেক্ষা ছাড়া রাধারানীর কপালে কিছুই জোটেনি।
কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকীতে বিশেষ লেখা।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved