

সাফল্যের তৃষ্ণা থাকা সত্ত্বেও বিষাদসিন্ধু পান করা ছাড়া উপায় নেই কোহলির।
শুনেছি, চুনী গোস্বামী একবার তাঁর পিছনে লাগতে গিয়ে বলেছিলেন, ‘শামু, তোর থেকে কালো বোধহয় কেউ হতে পারে না!’ মুচকি হেসে শ্যামসুন্দর নাকি উত্তর দিয়েছিলেন, ‘আমার মতো গোটা দিন ধরে ব্যাটিং কর। তুইও কালো হয়ে যাবি!’
আন্তর্জাতিক ফুটবল কেরিয়ারকে মাথা উঁচু করে বিদায় জানাচ্ছে সুনীল। ক’জন ভারতীয় তা করতে পেরেছে? এখানেই সুনীল বাকিদের চেয়ে আলাদা।
দুর্গাশঙ্কর মুখোপাধ্যায় সেই উপেক্ষিত বঙ্গ-ক্রিকেটার, তৃতীয় রিপু যাঁকে বশ করতে পারেনি।
এক মধ্যবিত্ত পরিসর থেকে লড়াই করে গ্র্যান্ডমাস্টার হয়ে ওঠার গল্প বলে ‘দাবাড়ু’।
জয়-পরাজয়ের পাটিগণিতে কবেই বা সমর্থকদের আবেগের গভীরতাকে মাপা গিয়েছে?
আমি হায়াতে এসেছি শুনে বাইচুং, ডগলাস, মুসা, আলভিটোরা চলে এল সুইমিং পুল সাইডে।
১৯২৭-এ বেব রুথের হোম রানের নজির, মিউনিখে মার্ক স্পিৎজের সাত সোনার কৃতিত্ব, বেজিংয়ে মাইকেল ফেল্পস, মন্ট্রিয়লে নাদিয়া কোমানেসির ‘পারফেক্ট টেন’। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শচীনের ১০০ শতরান, এসব কৃতিত্বের শীর্ষে থাকবে চিরকাল, অবিসংবাদিতভাবে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved