Robbar

bengali movie

আমাদের নধরেপনা

আমাদের সমাজের যাবতীয় অপদার্থতা, পরিবেশ ও সমাজের ক্রমাগত অবক্ষয়, এই ছবির পরতে পরতে ছড়িয়ে আছে। তবে তা কখনই গল্প থেকে বেরিয়ে এসে দেখনদারি হয়ে দাঁড়ায় না।

→

শংকর শুধুমাত্র বিয়েবাড়ির উপহার আর শয্যাপাশের উপন্যাস?

যে শ্যামলেন্দু ভালোবাসত শেক্সপিয়র পড়তে, সে যখন নিজের কর্পোরেট উচ্চাশার কাছে সমর্পণ করে ক্ষমতার নিষ্ঠুর নোনাজল মেখে ফেলে– তার গভীর আত্মগ্লানি যে ভাষায়, যে রূপকল্পে দেখান শংকর, তাতে বোঝা যায়, কীভাবে তিনি প্লটের গাঁথনিতে মিশিয়ে রাখছেন তাঁর শেক্সপিয়র ট্রাজেডির পাঠ।

→

‘হারমোনিয়াম’-এর ডালা খুললে এখন হাসিঠাট্টার পাশে অনেকটা মনখারাপ

২০০৯ সালের ১৫ জানুয়ারি, প্রয়াত হয়েছিলেন তপন সিন্হা‌। ২০২৬ সালের এই জানুয়ারি মাসেই, হারমোনিয়াম ছবিটি ৫০ বছর পূর্ণ করল। হারমোনিয়ামের বাসন্তী চরিত্রে ছিলেন অভিনেত্রী সোনালী গুপ্ত। তাঁর হারমোনিয়ামের সাদা-কালো দিনগুলির কথা তিনি লিখলেন রোববার.ইন-এ।

→

নিঃসঙ্গ নাগরিকের নগরদর্পণ

তিন ছবির চিত্রনাট্য পরপর পড়তে পাওয়া এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা। ছবি দেখার অভিজ্ঞতার চেয়ে টেক্সট হিসেবে তাকে পড়তে পাওয়াটা আলাদা। এই বই সেই সুযোগ করে দেয়।

→

ভেসে যায় নধরের নৌকো

এই ছবির যে কেন্দ্রীয় চরিত্র, সেই নধর সমসময়ে থাকে না, সে থাকে অনন্ত সময়ে, অসীম চরাচরে এবং চিরায়ত আকাশের নিচে। তার অভিজ্ঞতাকে কিছুটাও স্পর্শ করতে হলে আপনাকে সময় ও পরিসরের সেই বৃহত্তরের অবলম্বন পেতে হবে।

→

‘কেচ্ছা’ থেকে বাঁচতে নিজেকে দেবীত্বের খোলস পরিয়েছিলেন সুপ্রিয়া?

তাঁর গ্ল্যামারাস ব্যক্তিত্ব, ভারী গলার স্বর, অত্যাশ্চর্য মেকআপ, বুফোঁ চুল, স্লিভলেস ব্লাউজ ছিল অতুলনীয়। এমনকী, ‘সূচিত্রা’র সঙ্গেও তুলনা চলে না– বলা যায়, সুচিত্রা সেন ছিলেন বাঙালি ভদ্রলোকের ফ্যান্টাসি, আদর্শিক নারী; কিন্তু সুপ্রিয়া দেবী ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে, আগুনের শিখার মতো।

→