Robbar

Gulzar

শক্তির জন্য লেখা গুলজারের কবিতা পড়ে কেঁদে ফেলেছিল ঋতু

ঋতুর চোখ জুড়ে তখন অঝোর শ্রাবণ। আর মুখে সেই চেনা আবেগ– যখন সে সত্যিই কিছু পায়। চোখ মুছে বলল– ‘এই কবিতাটা… গানের মধ্যে থাকবে। পুরোটা না, ফাঁকে ফাঁকে। যেন গান আর কবিতা একে অন্যের সঙ্গে কথা বলছে।’ গুলজারকে বলল– ‘এটা এক্ষুনি মোবাইলে রেকর্ড করে দাও, তোমার গলাতেই থাকবে।’

→

পুরো উপমহাদেশই আমাদের ঘর, বলেছিলেন গুলজার

গুলজারের ‘সন্দেহজনক কবিতা’, বাংলায় অনূদিত হয়েছিল সন্দীপন চক্রবর্তীর হাত ধরে। সেই বইয়ের ভূমিকা লিখেছিলেন শঙ্খ ঘোষ। এই বই তখনও জানত না, একদিন এই বই দুই জ্ঞানপীঠ প্রাপককে ধরে রেখেছে।

→

কোনও খেতাবই রশিদ খানের গানের শিকড়কে দাম্ভিক করতে পারেনি

অনন্তকাল ধরে গাইতে পারতিস রাশিদ। আমার কথা, পরিচালকের কথা, ঘড়ির কথায় তোর কী এসে যায়! তুই না উস্তাদ? তুই না ট্রাম-ডিপোর হট্টগোলের মাঝে নন্দনকানন তৈরি করতে পারতিস? তোর তো কোনও দিন সাজানো মেহফিল লাগত না।

→

‘যে পড়ে না, সে লিখতেও পারে না’, এমনটাই কি বলতে চাইছিলেন গুলজার?

যে- বইমেলাতে গুলজার আসেন, সেখানে তিল ধারণের জায়গা থাকে না।

→