Robbar

Indian cinema

পহলে দর্শনধারী?

কারও চরিত্রের বাহ্যিক আড়ম্বরে মানিয়ে নেওয়ার কথা আদৌ কোনওদিন অভিনেতার ছিলই না। তার কাজ ছিল অভ্যন্তরীণ। অনেক বেশি করে তার কাজ ছিল মননে আর চিন্তায় চরিত্রের কাছাকাছি পৌঁছনো। সে হোক না বায়োপিক, শেষ অবধি তা আরও এক নিতান্ত চরিত্র বাদে কিছু না। কেনই বা অভিনয়ের নামে ‘গো-অ্যাজ-ইউ-লাইক’ খেলতে যাবে এক অভিনেতা!

→

এক সাহিত্যপ্রেমিকের সত্যজিৎ দর্শন

একটি বিশেষ মাত্রা বইটিকে সমৃদ্ধ করেছে। তা হল, চিন্ময়ের গভীর সাহিত্যবোধ। সত্যজিতের সৃষ্টির মর্ম অনুধাবন করতে গিয়ে, তিনি ইংরেজি ও ইউরোপীয় সাহিত্যের প্রতিচ্ছায়া মেলে ধরেছেন নৈপুণ্য সহকারে। পাশাপাশি উঠে এসেছে সত্যজিতের রাজনৈতিক নন্দন-ভাবনা এবং সামাজিক অঙ্গীকারের স্পর্শকাতর বিষয়টি।

→

ম্যাডান থেকে ইন্দ্রপুরী

ভারতীয় চলচ্চিত্রের আদিযুগে সিনেমার মক্কা-মদিনা ছিল কলকাতা। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির পূর্বসূরিদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন বম্বের এক পারসি ব্যবসায়ী, জামশেদজি ফ্রামজি ম্যাডান; যাঁর হাতে গোড়াপত্তন হয়েছিল অধুনা ‘টলিউড’-এর।

→

টালিগঞ্জে টেকনিশিয়ান-প্রযোজক দ্বন্দ্বে ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় শুরু থেকেই টেকনিশিয়ানদের পক্ষে ছিলেন

একটা লোক কাছে আইয়া কইল, আরে ভানুদা কী হইসে? কোনও ক্রমে কইলাম, ভাই মা মারা গ্যাছেন। শুইন্যা হাসতে হাসতে চইল্যা যাইতে যাইতে কইল, 'দ্যাখ, ভানুরে কাঁদলে কেমন লাগে!' একজন কমেডিয়ানকে সহ্য করতে হয় এমন সব খ্যাতির কাঁটা!

→

বুদ্ধদেবদাকে চিনতাম আদ্যন্ত কবিতার জন্য, সিনেমা বানানোর ইচ্ছের কথা জেনেছি অনেক পরে

আমরা যেমন সকালবেলা পুরনো শিবপুরের অলিগলি দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে চলে যেতাম বুদ্ধদেবদার বাড়ি, আবার বিকেলবেলা ওই রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বুদ্ধদেবদা চলে আসতেন আমাদের বাড়ি। আড্ডা বেজে উঠত আবার। এই আড্ডাতেই আমরা জানতে পারি, বুদ্ধদেবদার সিনেমা-স্বপ্নের কথা।

→