Robbar

Indian writer

যেখানে, যখন লিখি সেটাই আমার লেখার টেবিল

কাথখোদাই ১০০! টানা ১০০ সপ্তাহ ধরে আমার বই নিয়ে লেখা গুমোট গদ্য কী করে পড়লেন? আপনারা কি বাঙালি নন? না কি আপনারা সেই সুবর্ণরেখা বাঙালি-তলানি, যাঁরা এখনও বাংলা পড়েন, লেখেন, বসেন ভাবনার আসনে? ভাগ্যিস আছেন আপনারা!

→

একা নব্বই, একাই একশো

আজ পরিণত বয়সে পৌঁছে, আমার বাড়ির দলিল ঠিক কোথায় রাখা আছে আমার খেয়ালও থাকে না, কিন্তু একটি-একটি করে পাওয়া কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহর ১৪১টি চিঠির একটি সম্ভার ধীরে ধীরে আমার সর্বস্ব সম্পত্তি হয়ে উঠেছে– গত প্রায় চার দশক ধরে তার প্ৰতিটি শব্দে, যতিচিহ্নে, আঁকিবুঁকিতে, অক্ষরে, সাক্ষরে!

→

আদিবাসীরা আমাদের নিখাদ সম্মান দাবি করে

মহাশ্বেতা দেবীর জন্মশতবর্ষ। অধ্যাপক ও প্রাবন্ধিক শুভরঞ্জন দাশগুপ্ত মহাশ্বেতার সঙ্গে কথা বলেছেন কয়েকবার। তাঁর সঙ্গে মহাশ্বেতার শেষ কথোপকথনটির বিষয় ছিল সাহিত্য ও লেখকের রাজনৈতিক-সামাজিক অঙ্গীকার। অপ্রকাশিত এই সাক্ষাৎকারটির মাধ্যমেই জন্মশতবর্ষে রোববার.ইন-এর শ্রদ্ধাজ্ঞাপন।

→

চলব আমি নিজের আলো ধরে

আমার মা, প্রতিমা ঘোষ, বিদুষী, অধ্যাপক, লেখক, সুন্দরী, সুভাষিণী, সুহাসিনী, শান্ত, ধৈর্যশীলা, আর কবি অধ্যাপক শঙ্খ ঘোষের ২০ বছর বয়স থেকে বান্ধবী এবং ২৪ বছর বয়স থেকে অর্ধাঙ্গিনী। এই প্রত্যেকটি বিষয় নিয়ে অনেক অনেক কথা লেখা সম্ভব। কিন্তু আজ মনে হল, আমার মা কি সেই সময়ের নিরিখে ঠিক ঠিক ‘আধুনিকা’? প্রগতিশীল?

→

এক মুখে কবিতা, অন্য মুখে মিছিলের স্লোগান

সুভাষদার আশ্চর্য গদ্যবই ‘আমার বাংলা’র লেখাগুলো প্রকাশিত হয়েছিল ছোটদের কাগজ– ‘রংমশাল’-এ। ১৯৫১ সালে ১১টি গদ্যের এই সংকলন প্রথম প্রকাশিত হয় ‘ঈগল পাবলিশার্স’ থেকে। ‘আমার বাংলা’ বইটি অলংকরণের ছবিগুলো ছিল চিত্তপ্রসাদের আঁকা, সেইসঙ্গে ব্যবহার করা হয়েছিল সুনীল জানার তোলা কয়েকটা ফটোগ্রাফও।

→

সুভাষিত অনুবাদ

সুভাষদা একজন সত্যিকারের ব্যতিক্রমী অনুবাদক। সালিম আলির আত্মকথা– ‘Fall of a Sparrow’, সুভাষদা তার বাংলা নাম দিয়েছিলেন ‘চড়াই উতরাই’। অনুবাদের ক্ষেত্রে লক্ষ্যভাষায় দখল আর তার ভাণ্ডার থেকে বেছে আনা লাগসই প্রবাদ-প্রবচনের প্রয়োগ তাঁর অনুবাদকে একেবারেই অন্য মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছে।

→

মুজিব হত্যার পর অন্নদাশঙ্করের শোকলিপি ছাপা হয়নি সরকারি নিষেধাজ্ঞায়

হাঁটতে হাঁটতে অন্নদাশঙ্কর প্রায় সারাক্ষণই গান্ধীজির অর্থনীতি ও নীতিতত্ত্ব নিয়ে একাই বলে গেলেন। যেন তিনি মুখে মুখে কথা বলে গান্ধীকে নিয়ে কোনও লেখার জন্য মনে মনে খসড়া তৈরি করছিলেন। এক ফাঁকে তাঁকে আমাদের সাহিত্য-সংস্কৃতির পত্রিকা প্রকাশের পরিকল্পনা জানাই ও সেই সঙ্গে তাঁর কাছে আধুনিক শিল্পের উপর লেখা চাই।

→

শংকর শুধুমাত্র বিয়েবাড়ির উপহার আর শয্যাপাশের উপন্যাস?

যে শ্যামলেন্দু ভালোবাসত শেক্সপিয়র পড়তে, সে যখন নিজের কর্পোরেট উচ্চাশার কাছে সমর্পণ করে ক্ষমতার নিষ্ঠুর নোনাজল মেখে ফেলে– তার গভীর আত্মগ্লানি যে ভাষায়, যে রূপকল্পে দেখান শংকর, তাতে বোঝা যায়, কীভাবে তিনি প্লটের গাঁথনিতে মিশিয়ে রাখছেন তাঁর শেক্সপিয়র ট্রাজেডির পাঠ।

→

দলকল্যাণের জন্য রাজনীতি সমাজকে নরকে পরিণত করবে, বিশ্বাস করতেন মহাশ্বেতা দেবী

‘তিন কন্যা’ ও ‘অধবা’ নামে দু’টি নভেলেট একত্রে গ্রথিত হয়েছিল দে’জ থেকে। বইটির পরিচিতিতে লেখা হয়েছিল– ‘রাজনীতি যখন জনকল্যাণের পথ ছেড়ে দলকল্যাণের হাতিয়ার হয়ে ওঠে, তখন তা সমাজকে অবক্ষয়ের কোন নরকে পৌঁছে দেয়– তারই এক নিরাবরণ চিত্র… ‘তিনকন্যা’ ও ‘অধবা’…।’

→

সাম্প্রদায়িক হাঙ্গামা থেকে বাঁচতে দিব্যেন্দুদার জীবনের দ্বিতীয় গল্পই বদলাতে হয়েছিল

পুলিসের এক কর্তা বেহুঁশ হয়ে পড়ে আছে নেশায়, নেশার ঝোঁকেই পচাগলা একটা মৃতদেহকে পুড়িয়ে দিতে হুকুম করছে কনস্টেবলদের। গল্পের এই পর্যন্ত যা আছে, ঠিকই আছে। তার পরেই বিপদ। কী সেই বিপদ?

→