Robbar

Kolkata

যেখানে কল নেই শহরের সেখানেও কলতলা

মেস কেড়ে নিয়ে শহর আমাদের জন্য এখন যে আস্তানা বরাদ্দ করেছে সেখানে নিশ্চিন্তি কই! অহোরাত্র গ্রিলে তালা, এদিকে নজর, সেদিকে নজরদারি। সতর্কতার শেষ নেই। তা সত্ত্বেও যদি বিপদ আসে, আজ কি আর কেউ প্লাইউড হাতে এসেও দাঁড়াবে?

→

আর্ট কলেজেই শিল্প সংরক্ষণ হয় না, এদেশে শিল্প বাঁচবে?

এই স্বঘোষিত প্রতিভাবানদের দেশে, সবজান্তা শিল্পবিশেষজ্ঞর দেশে, স্বঘোষিত শ্রেষ্ঠ শিল্পীর দেশে, আমিই ‘শেষকথা’ প্রমাণ করার ঔদ্ধত্যময় দেশে– শিল্পের ইতিহাস ভেঙেচুরে যাবেই।

→

বোবার শত্রু নেই, বন্ধু তো আছে

অল্পস্বল্প না-দেখার ভিতরই বুঝি এই শহরটার কুহক। চাইলে সে চোখের সামনেই কাউকে ফুঁসলে নিয়ে যেতে পারে। একটা সন্ধেই তখন আত্মগোপনের চিরকুট, যেমন মেস আমাদের।

→

যে ভাতের হোটেলে মাছকে ‘তেরা ক্যায়া হোগা কালিয়া’ বলতে হবে না, সেখানেই রোজের বেঞ্চি বুক করতাম

আমরা তো এদিকে হোম-ডেলিভারিকে বিদায় দিয়ে ততদিনে ভাতের হোটেলে বেঞ্চি বুক করে ফেলেছি। যে কোনও মেসতীর্থেই ধীরে জেগে ওঠে এই সব হোটেল। তাদের হোটেল বললে বড় পাঁচ-সাত তারা-রা কুপিত হতে পারে। না বললে, আমাদের সম্মানে লাগে।

→

বিদেশি ট্যুরিস্টদের কাছে কলকাতা কি এখনও ‘অভাবের শহর’?

যাবতীয় আলাপ-আলোচনা সত্ত্বেও আমরা এখনও কলকাতার ‘অভাব’ নিয়ে গবেষণা থামাতে পারিনি। সবসময়েই কলকাতা ধাওয়া করে চলেছে ‘উন্নয়ন’-এর। তাই বিশ্বের তো বটেই, ভারতের অন্যান্য বড় শহরের সঙ্গে প্রতিযোগিতাতেও কলকাতার হার নিশ্চিত।

→

ইতিহাস কখনও সখনও প্রেমপত্রর চেয়েও প্রখর, বুঝিয়েছিলেন পি টি নায়ার

‘আ হিস্ট্রি অফ ক্যালকাটা স্ট্রিটস’ (১৯৮৭) আসলে রাস্তা ধরে ধরে কলকাতাকে চেনার কৌশল। রাস্তার নাম কীভাবে এল, কবে তৈরি হল এবং নামগুলো বদলাল কী করে। এই যে কলকাতার রাস্তার নামবদল, এইটা খুঁজতে শুরু করলেই একরকমভাবে কলকাতার ইতিহাসকে পাওয়া যায়, বুঝেছিলেন পি টি নায়ার।

→

কলকাতার রাত্রি রহস্য কি চিরস্থায়ী?

কলকাতার রাত্রি-চরিত্র বদলে গিয়েছে প্রবল। রাত কি আজও তেমনতর রাত? তাতে কি মিশে নেই আলোর ভেজাল? হেমেন্দ্রকুমার রায়ের সেই কলকাতার রাত নিয়ে কিছু প্রাসঙ্গিক আলাপ-বিলাপ।

→