Robbar

Ramayana

যুদ্ধবাজ নয়, বাঙালির রাম করুণরসের

বাংলায় রামচন্দ্রের যোদ্ধা রূপের চেয়ে তাঁকে করুণ রসের নায়ক রূপে বন্দনা করেছেন দ্বাদশ শতাব্দীর বাঙালি কবি জয়দেব। ‘ধৃত রামশরীর জয় জগদীশ হরে’। এখান থেকেই শুরু হয়েছে রামের প্রকৃত বাঙালিয়ানা। কৃত্তিবাসের কাব্যে এই করুণ রসের সঙ্গে ভক্তিরস গাঢ় হয়ে উঠেছে।

→

বাংলা ভাষার থেকে আমি কী পেলাম

রবিঠাকুর নোবেলটা পেয়েছিলেন বলে সর্বভারতীয় স্তরে বাংলার এখনও এত মান। নইলে কে দেখতে যাচ্ছে নজরুল, মধুসূদন, জীবনানন্দ, বিভূতিভূষণ কী লিখেছিলেন, তাঁদের কী প্রতিভা ছিল! এঁরা প্রত্যেকেই নোবেলের যোগ্য। আমরা কোন্দল করতে গিয়ে তাঁদের ঠিকমতো তুলে ধরতে পারিনি। বাংলাদেশ ভাষার জন্য প্রাণ দিতে পারল, আমাদের শিলচর শহিদ হতে পারল, আর আমরা একটা মরণান্তক আন্দোলন করতে পারি না?

→

মরণের পরেও, এই পৃথিবীর জন্য আপনি রইলেন

এত সব কাব্যগাথা, এত সব মনের কথা, এত সুন্দর জীবন বেঁচে থাকার পরে উচিত হবে, চমৎকার বন্ধুর মতো মৃত্যুকে আলিঙ্গন করা।

→

রামায়ণের আঁচলে আলোর সঙ্গে চলে অন্ধকারের নিরন্তর সংলাপ

পর্দায় যেখানে আলোর জীবনে হাজার চরিত্রের ভিড়, সেখানে অন্ধকারকে একটা ছায়াও সঙ্গ দেয় না। সেজন্যেই বোধহয় রামায়ণে রাবণছায়া বেশি মরমী।

→

রামের চিত্রকথা যেভাবে ‘অমর’ হয়ে উঠল

অনন্ত পাইয়ের লেখা ‘রাম’ বইটি যে মূলত কম্বন আর তুলসীদাসের রামায়ণ মিলিয়ে মিশিয়ে লেখা হয়েছে, সে-কথা লেখক নিজেই স্বীকার করেছেন। কুম্ভকর্ণ আর মহিরাবণের কাহিনি অনন্ত পাই নিয়েছেন আমাদের বাংলার ঘরের কবি কৃত্তিবাসের থেকে।

→