ছবিগুলো প্রিন্ট করিয়েছিলাম। দিয়েছিলাম ঋতুকে। ছোট্ট একটা প্রিন্ট। হাতে নিয়ে হেসেছিল।
কীর’ম করবে এতবড় অভিনেত্রী অপর্ণা সেনের মেয়ে, কৌতূহল ছিল সবার। শটের সময় পেরিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু কাঁকনের আসার নাম নেই।
ঋতুদা যাকে ‘রীণাদি’ বলে ডাকে, কে জানত কোনও একদিন আমিও সেই নামেই ডাকার সুযোগ পাব মানুষটাকে।
আমাদের সেই রাত্রির জার্নিটা একেবারে নিরুদ্দেশ যাত্রার মতো!
হাজারো অশান্তির মধ্যে একমাত্র আরামের জায়গা চন্দ্রবিন্দুর রিহার্সাল।
আমি একটা গান বেঁধেছিলাম অ্যাফ্রো স্টাইলে, চন্দ্রিলকে বললাম, যদি সত্যি একজন আফ্রিকানকে দিয়ে গাওয়াই। আইডিয়াতে সবাই খুব উত্তেজিত, কিন্তু তেমন গায়ক মিলবে কোথায়?
প্রসিদ্ধ সাংবাদিক রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে শোনা, সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে উত্তম গলা চড়িয়ে সুপ্রিয়াকে বলছেন, কী শাড়ি ও ব্লাউজ তিনি পরে আসবেন রাতের পার্টিতে।
দ্বিতীয় পর্বে এমন একটা কথা বললেন সুপ্রিয়া দেবী, কন্ট্রোল রুমে সকলে নড়েচড়ে বসল।
ঋতুদাকে মুখ ব্যাজার করে বললাম, এত উত্তম ফ্যান পাব কোথায়? ঋতুদার মাথায় হাত। কী বলছিস, ধর্মতলায় ঢিল ছুড়লে যে মানুষটার গায়ে লাগবে, সে-ই উত্তম ফ্যান।
এর’ম নরমসরম স্বভাবের ডিরেক্টর হলে চলবে? সকাল থেকে একটা গাল পর্যন্ত দেয়নি।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved