

রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে দেবেন্দ্রনাথ কিশোরবেলায় যে ব্যবহার করতেন তা দ্বারকানাথ সুলভ নয়, রামমোহন সুলভ।
অনুবাদের সূত্রেই ননী ভৌমিকের সঙ্গে তৈরি হয়েছিল আত্মিক যোগ।
উত্তরাখণ্ডের দাবানল নিয়ন্ত্রণ সঠিক পথে হোক, পুরো দেশ জুড়ে সেই আওয়াজ ওঠা দরকার নিজেদের বাঁচার স্বার্থে।
জুটি কখনও নিজেরা বানানো যায় না। জুটি তখনই তৈরি হবে যখন দর্শক তাদের বারবার স্ক্রিনে ফিরে আসা দেখতে চাইবে।
কৃত্তিবাস ওঝা বিরচিত ‘শ্রীরামের পাঁচালী’-তে উল্লেখ আছে দেবী যোগাদ্যার।
জানিয়েছিলেন তাঁর প্রিয় এক সংলাপের কথা। ‘স্যর ইউ হ্যাভ এভরিথিং, এক্সেপ্ট ম্যাডনেস।’
শুনেছি, চুনী গোস্বামী একবার তাঁর পিছনে লাগতে গিয়ে বলেছিলেন, ‘শামু, তোর থেকে কালো বোধহয় কেউ হতে পারে না!’ মুচকি হেসে শ্যামসুন্দর নাকি উত্তর দিয়েছিলেন, ‘আমার মতো গোটা দিন ধরে ব্যাটিং কর। তুইও কালো হয়ে যাবি!’
সোনার বিস্কুট, চন্দন কাঠ, হাতির দাঁত এসব কিছু নয়, আম! পাচার হচ্ছিল। দূরপাল্লার রেলগাড়িতে করে।
ভারতীয় সংস্কৃতি যে আসলে মিশ্র ও স্বতন্ত্র, তার সাক্ষ্যবহন করে এই গ্রন্থ।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved