

‘বর্ণপরিচয়’ ও ‘সহজ পাঠ’– এই দুই বাংলা প্রাইমারকে যেভাবে রাজনৈতিক বিরোধিতারই শরিক করে তোলা হচ্ছে, তাতে বাঙালির রাজনৈতিক বই না থাকার বিস্তৃত শূন্যতা খানিক পূরণ হয়েছে বলেও ভাবা যায় হয়তো।
প্রায় আট বছর কাশীতে থেকে নৃসিংহদেব প্রায় একলক্ষ টাকা সংগ্রহ করেন।
নীরব, নিঃসঙ্গ বিদায় নয়, আলবিদা-কালে মাথা উঁচু করে রাজকীয় নিষ্ক্রমণ নিয়তি নির্ধারিত ছিল রাহুল শরদ দ্রাবিড়, রোহিত গুরুনাথ শর্মার।
প্যারিস অলিম্পিক প্রথম বা শেষ নয়। এশিয়ান গেমস, কমনওয়েলথ গেমস-সহ সমস্ত আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় এমনটাই হয়ে আসছে বছরের পর বছর।
‘আ হিস্ট্রি অফ ক্যালকাটা স্ট্রিটস’ (১৯৮৭) আসলে রাস্তা ধরে ধরে কলকাতাকে চেনার কৌশল। রাস্তার নাম কীভাবে এল, কবে তৈরি হল এবং নামগুলো বদলাল কী করে। এই যে কলকাতার রাস্তার নামবদল, এইটা খুঁজতে শুরু করলেই একরকমভাবে কলকাতার ইতিহাসকে পাওয়া যায়, বুঝেছিলেন পি টি নায়ার।
অমিয় চট্টোপাধ্যায়কে মেরে ফেলা সবচেয়ে জরুরি ছিল বোধহয়। জেল হাসপাতালের সামনে তাঁর সংজ্ঞাহীন শরীরটাকে ফেলে গলায় বাঁশ রেখে, তাতে দু’দিকে চারজন উঠে নেচে নেচে চাপ দিয়ে তাঁর মৃত্যু– না কি তাঁর অমরত্ব– নিশ্চিত করা হয়।
শাইলক অ্যান্টোনিও-র সঙ্গে চুক্তি করেছিল, সময়ে টাকা ফেরত না দিতে পারলে এক পাউন্ড শরীরের মাংস দিতে হবে। কিন্তু চুক্তির মধ্যে লিক ছিল।
বিজ্ঞান যতটা বাতিল করার কথা বলবে, শিল্প বলবে না, শিল্প মনে রাখবে। বলে দেবে, মনে করিয়ে দেবে ইতিহাসগুলো।
রঙিন সেই কলকাতায় কথায় কথায় উচ্ছেদ হত না। ‘চৌরঙ্গীর আলো এবং লোডশেডিং’ সেখানে সহবাস করত।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved