

একা হয়ে যাবেন জেনেও বিপজ্জনক সংকল্প নিয়েছিলেন কুমার সাহানি।
হত্যার বিনিময়ে নির্মিত ভাস্কর্য, যা সুশীল সমাজের ড্রয়িংরুমে শোভাবর্ধক আর্টপিস হিসেবে সাজানো থাকে। সেই সত্যভাষণে কার্পণ্য করেনি ‘পোচার’।
বিশ্বের যে রূপ আমাদের সামনে প্রকাশিত, সেই রূপের মধ্যে অরূপকে উপলব্ধি করার জন্য যে ভাষার প্রয়োজন, তা হল আনন্দ।
রণেন আয়ন দত্তর বাড়ি ছিল ভার্টিক্যাল। সিঁড়ি ও ঘরের একরকমের বন্ধুত্ব।
পরিবেশবান্ধব এই ‘ক্যাপসুলা মুন্ডি’ প্রকল্প নিয়ে আমরা কি এখনও ভাবব না?
বুদ্ধদেব বসু অভিযোগ করেছিলেন, রবীন্দ্রনাথ তেমন করে কলকাতাকে কোনওদিনই ভালোবাসতে পারেননি।
স্তালিন ভূগর্ভস্থ প্রতিটি স্টেশন এমন রাজকীয় ছাঁদে নির্মাণ করিয়েছিলেন, যাতে প্রতিটি শ্রমজীবী মানুষ এগুলিকে একেকটি ভূগর্ভ প্রসাদ ও অপূর্ব শিল্প সুষমামণ্ডিত মিউজিয়াম হিসেবে উপভোগ করতে পারে।
চলে গেলেন শিল্পী রণেন আয়ন দত্ত। রইল স্মৃতিলিখন।
রণেন আয়ন দত্তর ছবিতে একটা ইতিহাস মিশে থাকত। মাথার তেলের বিজ্ঞাপন ‘কেশরঞ্জন’-এ দেখবেন কীভাবে তেল তৈরি হচ্ছিল, সে ব্যাপারটা তিনি ধরে রেখেছেন একটা ছবিতেই।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved