

অঞ্জনদা আমাকে বলেছিলেন, লোকে আমাকে পাহাড়-পাহাড় বলে বটে, আমি কিন্তু আসলে কলকাতা।
১৯৮২ সালে কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রথমবার দেখা হয়েছিল মৃণাল সেন ও মার্কেসের। দু’জনেই সেই বছর ছিলেন জুরি।
আত্মসুখের স্নেহ জীর্ণ করে মা ও সন্তানের সম্পর্ককে, বিশ্বাস করতেন রবীন্দ্রনাথ।
মস্কোয় ছোট বড় যে কোনও বাঙালির কাছে, এমনকী বাংলা ভাষাবিদ রুশিদের কাছেও তিনি ছিলেন ‘ননীদা’।
রবীন্দ্রনাথ আমাদের নির্বুদ্ধিতায় এবং তাঁকে লঘুমূল্যায়নের প্রবণতা দেখে হাসেন হয়তো। শঙ্খ ঘোষের হাত ধরে এইভাবে পরিচয় হল বশী সেন মহাশয়ের সঙ্গে। চোখের সামনে তিনি পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হলেন।
প্রতুল নির্দ্বিধায় বলেন, সলিল চৌধুরীর ‘বেশ কিছু গান রয়েছে যেগুলি অত্যন্ত পপুলার, এবং যেগুলো আমার কাছে অবশ্যই বর্জনীয়।’ উদাহরণ হিসেবে ‘সাত ভাই চম্পা’ গানটির বিস্ফোরক মূল্যায়ন করেন কিংবদন্তি গণসঙ্গীত শিল্পী।
শিকাগো ধর্মসভায় ভারতের ধর্ম ও দর্শনের জয়পতাকা উচ্চে তুলে ধরার প্রেরণা ও পথনির্দেশ স্বামীজি পেয়েছিলেন এই তীর্থ থেকে।
তবু কী আছে আমাদের মাটিতে, আমাদের হাওয়ায় কোন আশ্চর্য উন্মাদনা আমাদের অন্ধকারকে এমন সবুজ করে রেখেছে যে আমাদের পাড়ায় পাড়ায় এখনও ফুটে উঠছে একটা আঁকা শেখার স্কুল, একটা বিয়োগ শেখার স্কুল!
দুর্গাশঙ্কর মুখোপাধ্যায় সেই উপেক্ষিত বঙ্গ-ক্রিকেটার, তৃতীয় রিপু যাঁকে বশ করতে পারেনি।
কাজ ছাড়তে চাইলে তাঁদের কোনও নোটিস পিরিয়ড দিতে হবে না। পরিচয় গোপন রাখার অধিকার সুরক্ষিত থাকবে। যাতে ভবিষ্যতে পেশা বদল করলেও কোনও সমস্যায় পড়তে না হয়।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved