

যথাযথ পারিশ্রমিক পান না। ভাঁড়ারে টান পড়ে চিরকালই। তবু তাঁরাই নাকি ‘লক্ষ্মী’!
অন্নদাশঙ্কর রায়ের দেখার দৃষ্টিতে ধরা দিয়েছিল এই উপলব্ধি– ‘আজ আমরা ছাত্রবিদ্রোহ দেখছি, কাল আমরা গণবিদ্রোহ দেখব।’
এখন জীবন আধুনিক হয়েছে অনেকটাই। তবু লক্ষ্মী-অলক্ষ্মীর মধ্যেকার জানি দুশমন টাইপ পার্থক্য মুছে যায়নি।
শীতলার মৃত্যুর প্রতিবাদে অনেক রঙের পতাকার দলেরা এসেছে। তবে ভূমিপুত্র মাধাই সবচেয়ে বেশি সক্রিয়।
ফেরিওয়ালাদের মৌলিক ডাক তাঁদের ব্র্যান্ড তৈরি করে।
আজকাল অনেকেই ঐতিহ্যের নামে এমনকী, সতীদাহকেও ফিরিয়ে আনতে চাইছে।
সেলাম কলকাতা পুলিশ! আপনি থাকছেন স্যর, তাই আমরাও থাকছি।
এর’ম নরমসরম স্বভাবের ডিরেক্টর হলে চলবে? সকাল থেকে একটা গাল পর্যন্ত দেয়নি।
‘যা ইচ্ছে করে নিন আপনারা– চাইলে মেরে ফেলুন আমাকে! আমি তবু আমাদের ন্যায্য অধিকারের দাবিতে সরব থাকব!’ বলেছিলেন দারিয়ুশ মেহরজুই।
মাত্র ২২ বছর বয়সে মলয় রায়চৌধুরী জড়িয়ে পড়েছিলেন হাংরি আন্দোলনের সঙ্গে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved