

কাথখোদাই ১০০! টানা ১০০ সপ্তাহ ধরে আমার বই নিয়ে লেখা গুমোট গদ্য কী করে পড়লেন? আপনারা কি বাঙালি নন? না কি আপনারা সেই সুবর্ণরেখা বাঙালি-তলানি, যাঁরা এখনও বাংলা পড়েন, লেখেন, বসেন ভাবনার আসনে? ভাগ্যিস আছেন আপনারা!
বাংলায় বলা হয়– ‘মৎস্য মারিব খাইব সুখে’। কিন্তু সেই সুখ কি আর একা একা পাওয়া সম্ভব? তাই হরেন দাসের রঙিন ছবিতে দেখি বৃত্তাকার মাছ ধরার জাল হাতে করে মৎস্য-শিকারে চলেছে গ্রামীণ যুগল।
লেখার টেবিলের কি কোনও মন নেই? শুধুই শরীর? অসম্ভব। লেখার টেবিলের মন ছাড়া এমন থ্রিলার লেখা যায় না!
একটি মানুষ যাকে দেখলে মনে হয়, সে মৃত্যুর জন্যে অপেক্ষা করছে। কী দুঃখের সেই দৃশ্য। কী করুণ সেই মানুষ! কিন্তু তার থেকেও বেদনাদায়ক সেই মানুষটি যে জীবন্ত থেকেও অপেক্ষা করছে বেঁচে থাকার জন্যে।
‘ফ্লেশ’ আগাগোড়া মাংসের বই। আপনি কি নিরামিষ? তাহলে এত আঁশটে গন্ধ সহ্য করতে পারবেন কি?
আগামী ১০ তারিখ বুকার পুরস্কারের ঘোষণা। কিরণ দেশাইয়ের সাম্প্রতিকতম বইটি কি বুকার পেতে পারে?
একটা কথা কোনও দিন মানিকদা জিজ্ঞেস করা হয়নি। লেখা, আঁকা, টাইপ করার সময় কখনও কখনও হাঁটু দুটোর দিকে ওই ভাবে তাকিয়ে থাকেন কেন? মানিকদা, আপনার এত বড় লেখার ঘর, ভাবনার ঘর, বসার ঘর, আঁকার ঘর, আড্ডার ঘর, সমস্ত ঘর জুড়ে লেখাপড়া আর সৃষ্টির চিহ্ন, সরঞ্জাম। কিন্তু লেখার টেবিল নেই কেন মানিকদা?
একটার পর একটা কালজয়ী কাহিনি– হ্যামলেট, ম্যাকবেথ, ওথেলো, কিং লিয়ার, অ্যান্টনি অ্যান্ড ক্লিওপেট্রা, জুলিয়াস সিজার, উইন্টার্স টেল, টেম্পেস্ট– একটা গল্পও শেক্সপিয়ার নিজে লেখেননি। সব কুড়িয়ে-বাড়িয়ে এখান-ওখান থেকে জোগাড় করেছেন। ভালো জোগাড়-করিয়ে ছিলেন এই লেখক, সেটা বলা যায়।
যিশুর জন্মের ৪৮৪ বছর আগে পৃথিবীতে এসে, পাপের কাহিনির নাট্যরূপ দিয়ে অমরত্ব অর্জন করেন ইউরিপিডিস। তাঁর নাটক ‘মিডিয়া’ তো পাপের উৎসব। আর ‘মিডিয়া’ সেই নারী, যার পাপকে হয়তো আমরা ‘স্ট্যান্ডিং অভেশন’ দিয়ে আসছি যুগ যুগ ধরে। কিন্তু কেন?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved