

লোকসংস্কৃতির আলোচনায় ‘মেছোভূত’-কে সাধারণত এমন এক অতৃপ্ত আত্মা হিসেবে বর্ণনা করা হয়, যার প্রধান বৈশিষ্ট্য হল মাছের প্রতি অদম্য লোভ। মেছোভূত হল বাংলার মানুষের দীর্ঘদিনের খাদ্যাভ্যাস এবং তার সঙ্গে যুক্ত মানসিক নির্ভরতার এক রূপক প্রকাশ।
জলপাইগুড়ি বাইপাসের অস্থায়ী বাজারে ঢুকে শুনলাম, পাশেই বয়ে চলা তিস্তা ছাড়াও এ-বাজারে আসে ধরলা ও জলঢাকা নদীর টাটকা মাছ। বিঘৎখানেক বোরোলি তো আছেই, চোখে পড়ল প্রমাণ সাইজের খোকসা, মৃগেল আর বিশাল সাপের আকৃতির বামুশ বা বাঙোশ মাছ! তবে সবচেয়ে বেশি আপ্লুত হলাম কিলো চারেকের বাঘা মহাশেরের দর্শনলাভ করে।
বাংলায় বলা হয়– ‘মৎস্য মারিব খাইব সুখে’। কিন্তু সেই সুখ কি আর একা একা পাওয়া সম্ভব? তাই হরেন দাসের রঙিন ছবিতে দেখি বৃত্তাকার মাছ ধরার জাল হাতে করে মৎস্য-শিকারে চলেছে গ্রামীণ যুগল।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved