Robbar

যে ‘ফ্যান’ হাওয়া দিয়েছিল কল্পবিজ্ঞানে

১৯৭৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর। জন্ম নিল ‘ফ্যানট্যাস্টিক’। নামকরণ করলেন সত্যজিৎই। আসলে এ নিছকই কোনও পত্রিকার জন্ম নয়। এক অকালমৃত স্বপ্নকে ফের জাগিয়ে তোলা।

→

চিন্তার চকমকি পাথর

পাঠ ও পুনঃপাঠের ইচ্ছের জন্ম দিতে থাকা বইটি বইয়ের সেলফে বরাবরের মতো থাকার জন্যই হাতে এসেছে, একথা বুঝতে পাঠকের বেশি সময় লাগে না।

→

পাঁজির বিজ্ঞাপন ও বাঙালির ঝরঝরে ইহকাল-পরকাল

এত বছর ধরে চলতে থাকা এই সব বিজ্ঞাপনকে ঘিরে গড়ে ওঠা বিবিধ, বিচিত্র, অসম্ভব দাবিসর্বস্ব বয়ানও যে এক জাতির সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞান হিসেবে গণ্য হতে পারে, তা হয়তো ভেবে দেখা হয়নি। এই বই তা ভাবতে শেখায়।

→

হিচকক থেকে শান্তিগোপাল, বৈচিত্রে ভরপুর চৌরঙ্গীর উৎসব সংখ্যা

বাংলা বাজারে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য অজস্র উৎসব সংখ্যার ভিড়ে চমৎকার ছাপা, সুন্দর প্রচ্ছদে সাজানো ‘চৌরঙ্গী’র এই সংখ্যাটি আলাদা করে যে নজর কাড়বেই, তা বলাই যায়।

→

পাঠককে দর্শক করে তোলার সহজপাঠ

বইয়ে আলোচিত বিখ্যাত সব ছায়াছবির স্টিল ব্যবহার করলে তা পাঠককে হয়তো আরও দ্রুত বইটি হাতে তুলে নিতে ‘বাধ্য’ করতে পারত।

→

‘কল্পবিজ্ঞান’ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেছিলেন অদ্রীশ বর্ধন

দেশের প্রথম কল্পবিজ্ঞান পত্রিকার সঙ্গে ক্রমেই জড়িয়ে পড়েন লীলা মজুমদার, প্রেমেন্দ্র মিত্র, ক্ষিতীন্দ্রনারায়ণ ভট্টাচার্যের মতো মানুষেরা। তারপর একদিন তিনি ফোন করে বসলেন সত্যজিৎ রায়কে! দেখা করতে চাইলেন। সটান জানিয়ে দিলেন, ‘আপনাকে পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত করতে চাই।’

→

সাদা-কালো নির্মল বাঙালিয়ানা

যে সময় হারিয়ে গিয়েছে, তাকে দু’হাতে ধরা যাচ্ছে, এর চেয়ে চমৎকার অনুভূতি আর কী হতে পারে?

→

ভাঙা কাচের মতো ছড়িয়ে থাকা স্বপ্নের আখ্যান

কাহিনি এই বইয়ের কোথাও নেই। আবার আছেও, তার নিজস্ব শর্তে।

→

উপুড় হৃদয়ের শব্দে লেখা মিশনের ছাত্রাবাস-জীবন

বিষয় অনুযায়ী, আলাদা অধ্যায়ে আলাদা মেজাজ থাকলেও এক সমগ্রতা এই বইকে বেঁধে রাখে।

→

কৃত্রিম মেধার সময়ের বহু দূরে দাঁড়িয়ে রয়েছে মানিক চক্রবর্তীর গল্প-উপন্যাস

যেভাবে তিনি মানুষের একাকিত্ব, তাঁর হেরে যাওয়া কিংবা মেনে নেওয়ার ব্যর্থতাকে এঁকেছেন, তা আধুনিক।

→