

দক্ষিণ এশিয়ার স্পেকুলেটিভ ফিকশন নিয়ে কাজ করেছেন মিমি। এ-ক্ষেত্রে তাঁর কাজটি লিপবদ্ধকরণের, ঐতিহাসিকের।
সুকুমারকথিত হযবরল-র সেই একটা লোক যে বাড়ির নাম ‘কিংকর্তব্যবিমূঢ়’ রাখতেই সেটা ভেঙে পড়ে গিয়েছিল– সেই ফরমুলাকেই যেন অনেকদূর অবধি এগিয়ে নিয়ে গেছেন এই মেধাবিনী, যিনি কর্মসূত্রে আইটিবাজ।
প্যাকেজ দিয়ে কেনা কৃত্রিমভাবে তৈরি শিশু, যার সব জিনগত সিলেকশনও প্যাকেজের রেট অনুযায়ী করা যায়।
বৈজ্ঞানিক হিসেবে বন্দনার উপলব্ধি, মানুষ যতখানি জেনে উঠতে পারছে, ততখানি বুঝতে পারছে, আরও অনেকখানি অজানা, অজ্ঞেয়।
আমাদের দৈনন্দিনে জীবনে ঢুকে পড়া ‘হাই আলেক্সা’ বা ‘ওকে সিরি’-র এক্সটেনশন বা অগ্রগতি আমরা দেখি বেয়ারের গল্পে।
তৃতীয় বিশ্বকে এইভাবে ধরেন সাংবাদিক, টিভি সিরিজ লেখক এবং ঔপন্যাসিক লরেন ব্যুক্স। একটি মেয়ে, যার দুর্ঘটনায় পা কাটা গিয়েছে, সে প্রযুক্তি সহায়তায় নতুন শরীর পায়। এবং তাকে বিশ্ববাজারে প্রমোট করা হয় সেরা দৌড়বীর হিসেবে।
যযাতি চেয়েছিলেন অনন্তযৌবন হতে। যে কোনও রুপোলি পর্দার নায়িকাও চাইবেন তাই-ই। আর সেখানেই গপ্পের চাবি।
একটা একান্ত মানবিক গল্পই হতে পারে সার্থক কল্পবিজ্ঞান।
সম্প্রতি এণাক্ষীর ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা নানা গল্প নিয়ে যে কাজ হচ্ছে এ এক আশার কথা।
লীলা মজুমদারের লেখা কল্পবিজ্ঞানের ছাঁচ কীরকম ছিল?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved