

একদা ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’ এই অন্যায় নিদান দিয়েছিল যে, ‘সায়েন্স ফিকশন উইল নেভার বি লিটারেচার উইথ এ ক্যাপিটাল এল’।
১৯৬৮ সালে ‘প্লেবয়’ পত্রিকা তাঁর একটি গল্প ছাপে। পত্রিকার তরফে তাঁকে জানানো হয়েছিল, উরসুলা নামটি না রেখে ‘U. K. Le Guin’ রাখা হচ্ছে। লেগুইন পরে বলেছিলেন, এত হাস্যকর এবং কুৎসিত ভাবনা দেখে তিনি তাজ্জব বনে গিয়েছিলেন।
উরসুলা লেগুইন ছয় ও সাতের দশকে দাপিয়ে বেড়িয়েছেন মার্কিন সাই-ফাই পত্রিকাগুলিতে।
মহিলা দার্শনিক দেখা যায় কম, কারণ মেয়েরা নাকি বিমূর্ত ভাবনা ভাবতেই পারে না।
ক্লেয়ার উইংগার হ্যারিস কল্পবিজ্ঞান কাহিনি লিখলেন মার্কিন সস্তা পত্রিকাগুলিতে যাকে বলে ‘পাল্প ম্যাগাজিন’, প্রথম মহিলা লেখক তিনি এই জঁরের।
স্বামী সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন বাড়ি ফিরে রোকেয়াকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, আমার অবর্তমানে আপনি কী করছিলেন? উত্তরে রোকেয়া ‘‘সুলতানা’স ড্রিম’’-এর পাণ্ডুলিপিটি তাঁর হাতে দিয়েছিলেন।
‘‘সুলতানা’স ড্রিম’’ লেখা হয়েছিল পশ্চিমের প্রথম ফেমিনিস্ট ইউটোপিয়া ‘হারল্যান্ড’ (Herland) রচিত হওয়ারও ১০ বছর আগে।
মেরি শেলি তাঁর অনবধানেই রচে ফেলেন পৃথিবীর প্রথম সাই-ফাই নভেলটি। যেখানে বিজ্ঞানকে মানুষের উপকারার্থে ব্যবহার করতে গিয়েও শেষাবধি ভয়াল এক ডিসটোপিয়ায় গিয়ে শেষ হয় সবটা।
প্রয়াত দেবারতি মিত্র। তাঁর কবিতা রইল পাঠকের হাতের তালুতে, চিরস্পর্শময়।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved