


পিকাসোর ছবি, ভাস্কর্য এবং ড্রয়িং সেইভাবে আমাদের পাকড়ে ধরে না। বরং আমাদের সৌন্দর্যবোধকে ধাক্কা দেয়। তারপর ধীরে ধীরে আমরা বুঝতে পারি, পিকাসোর যে-কোনও ছবির সামনে দাঁড়ানো মানে একটা চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড়ানো। পিকাসো তাঁর প্রতিটি সৃজনে আমাদের ক্লান্তিবোধের গোড়াতে ঝাঁকুনি দিয়ে সেখান থেকে আমাদের উপড়ে ফেলে একেবারে নতুন সৌন্দর্যবোধে আমাদের নিয়ে যাচ্ছেন। আমাদের মধ্যে পিকাসো জন্ম দিচ্ছেন নতুন সৌন্দর্য-চেতনার।
১০২.
মধ্যরাত। ক্লান্ত পাবলো পিকাসো। তাঁর জীবন সৃজনের ঝড়। তাঁর মন ভাবনার অথৈ সমুদ্র। কখনও ছবি আঁকছেন। কখনও ডুবে থাকছেন ভাস্কর্যে। কিন্তু এতটুকু শান্তি নেই মনে। যে-ছবি আঁকতে চাইছেন, যে-ভাস্কর্যে রূপ দিতে চাইছেন, তা থেকে যাচ্ছে তাঁর নাগালের বাইরে। তিনি জন্মেছেন স্পেনে। কিন্তু তিনি বেছে নিয়েছেন প্যারিসকে তাঁর সৃষ্টির মায়াশহর রূপে। এই শহরের লেলিহান আগুন ছাড়া পাবলো পিকাসোর পক্ষে সম্ভব নয় তাঁর বিপুল সৃজন প্রতিভাকে বাঁচিয়ে রাখা!

তবু কোনও কোনও রাত্রে ক্লান্তি গ্রাস করে তাঁকে। মনে হয়, তিনি হেরে যাচ্ছেন তাঁর প্যাশনের সঙ্গে দৌড়ে। এমনই এক রাত্রে খবর পেলেন তিনি, তাঁর ছেলেবেলার বন্ধু, খুব কাছের মানুষ, কার্লোস কাসাগেমাস আত্মহত্যা করেছে! এই মৃত্যুর খবর পাওয়া পর্যন্ত কিন্তু পিকাসো স্পেন ত্যাগ করে প্যারিসের হননি। বন্ধুর আত্মহত্যাই তাঁকে পুরোপুরি টেনে নিয়ে এল প্যারিসে। এবং পিকাসো রাতারাতি অন্য মানুষ হয়ে গেলেন। বেপরোয়া। ঝোড়ো। মধ্যবিত্ত সমস্ত মূল্যবোধকে মুহূর্তে ছুঁড়ে ফেলে দিলেন। এবং সবার আগে তাঁর মনে পড়ল একেবারে ছেলেবেলায় আঁকার স্কুলে আঁকা-শেখার ক্লাস, যেখানে তাঁর প্রিয় বন্ধু কার্লোস তাঁর পাশে।
পিকাসো, ছ’বছরের পিকাসো, ছবি আঁকছে। কালো রঙের নদী। বাগানের গাছে এক এক পাতা এক এক রঙের। একটিও পাতা সবুজ নয়। গাছের ফুল-ফল সব অন্যরকম। যেন তারা এই পৃথিবীর ফুল-ফল নয়। আর আকাশ জুড়ে সবুজ সূর্য!
আঁকা শেখান যে শিক্ষিকা, তাঁর হাতে গেল এই ছবি। তিনি প্রথমে বিস্মিত। তারপর চিৎকার করে বললেন, তুমি কি পৃথিবীর কোনও কিছুই কোনওদিন দেখনি? সূর্যের রং সবুজ? আর তোমার গাছের একটি পাতাও সবুজ নয়?

পাবলোর উত্তর: নেচার ইজ ভেরি বোরিং। তাই আমি প্রকৃতিকে অনুকরণ করিনি। আমি শিল্পী। নিজের মতো করে দেখার এবং ভাববার অধিকার তো আমার আছেই।
শিক্ষিকা এই উদ্ধত উত্তর সহ্য করতে পারলেন না। ছবি আঁকার স্কুল থেকে বিতাড়িত হল ছ’বছরের পাবলো পিকাসো। পিকাসোর বাবাও শিল্পী। তিনি দেখলেন, আট-ন’বছরের পাবলো যে-ছবি যতদূর পারফেকশনে আঁকছে, যতদূর বাস্তব করে তুলছে ছবিকে, তিনি তা পারছেন। যেদিন মাইকেল এঞ্জেলোর আঁকা একটি ছবির হুবহু নকল এঁকে ফেলল বালক পিকাসো, তার বাবা বুঝলেন, পাবলো পিকাসো এক বিরল প্রতিভা। কিন্তু সে ছবি আঁকা শিখবে কোথায়, কে হবে তার শিক্ষক?
বন্ধু কার্লোসের আকস্মিক আত্মহত্যার শোক হয়ে উঠল পাবলো পিকাসোর ছবি আঁকার প্রথম ও প্রধান শিক্ষক। এই শোকের বিপুল অভিঘাত তাঁকে টেনে আনল প্যারিসে। তারপর এক নতুন চেতনার জন্ম দিল পিকাসোর মনে। সেই চেতনার আলোয় পিকাসো বুঝতে পারলেন, পৃথিবীতে আর কোনও রং নেই। শুধু আছে বেদনার ‘ব্লু’। শুরু হল পাবলো পিকাসোর ‘ব্লু’-পিরিয়ড (১৯০১-১৯০৪)।

এই তিন বছর ধরে পিকাসো ক্রমাগত আঁকলেন দু’টি ‘মোনোক্রোম্যাটিক শেডস্’, নীল এবং সবুজ। এবং আঁকলেন কাদের ছবি? প্যারিসের গরিবদের ছবি। ভিখিরিদের ছবি। তারপর সেই ধূসরতার মধ্যে দুঃখের সেই ক্রমাগত নীল সবুজের মধ্যে আকস্মিক দেখা দিলেন অন্য এক পিকাসো! কেননা পিকাসোর জীবনে এল এক নতুন নারী। ফারমান্ধে অলিভিয়ের। এল সেক্সুয়াল প্যাশন। ফুটল নতুন গোলাপ। এবং লালের প্রলাপ। টানা দু’বছর, পিকাসোর ‘রোজপিরিয়ড’, ‘গোলাপ পর্ব’ (১৯০৪-১৯০৬)। আর ভিখিরি এবং গরিব মানুষের ছবি নয়। তার বদলে বিষয় হয়ে উঠল প্যারিসের সার্কাসের দল আর শরীর-খেলুড়েদের প্রমোদ! সেই সঙ্গে আঁকলেন নগ্ন নারী ও ঘোড়ার ছবি। তবে মকবুল ফিদা হুসেনের ছবিতে যেমন সরাসরি দেখানো হয়েছে নগ্ন নারীর সঙ্গে ঘোড়ার যৌন মিলন, পিকাসোর ছবিতে ঘোড়া ও নারীর মধ্যে যৌন সংরাগ থাকলেও, সংযোগ নেই।

কিন্তু পিকাসোর ছবির বিষয়ে সব থেকে উল্লেখযোগ্য যা, তা হল আপাতভাবে কোনও ছবিই সুন্দর নয়। মাইকেল এঞ্জেলোর ছবি বা ভাস্কর্য যেমন আমাদের সৌন্দর্যবোধকে পাকড়ে ধরে অবাধ মুগ্ধতায়, আমরা চোখ ফেরাতে পারি না, পিকাসোর ছবি, ভাস্কর্য এবং ড্রয়িং সেইভাবে আমাদের পাকড়ে ধরে না। বরং আমাদের সৌন্দর্যবোধকে ধাক্কা দেয়। তারপর ধীরে ধীরে আমরা বুঝতে পারি, পিকাসোর যে-কোনও ছবির সামনে দাঁড়ানো মানে একটা চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড়ানো। পিকাসো তাঁর প্রতিটি সৃজনে আমাদের ক্লান্তিবোধের গোড়াতে ঝাঁকুনি দিয়ে সেখান থেকে আমাদের উপড়ে ফেলে একেবারে নতুন সৌন্দর্যবোধে আমাদের নিয়ে যাচ্ছেন। আমাদের মধ্যে পিকাসো জন্ম দিচ্ছেন নতুন সৌন্দর্য-চেতনার। আমাদের ক্লান্তিবোধে একটা নতুন ডাইমেনশন নিয়ে আসছেন তিনি। মাইকেল এঞ্জেলোর ‘রিয়েলিজম’ থেকে আমরা পৌঁছচ্ছি পিকাসোর ‘সুররিয়েলিজম্’-এ। যাকে বলা যেতে পারে ‘পরাবাস্তববোধ’। পিকাসো যে-ছবি এঁকেছেন, তা আমাদের অবচেতন মনের সঙ্গে খুঁজে পাবে গভীর আত্মীয়তা। পিকাসোর ছবি যেন আমাদের অবচেতন মনের গভীর থেকে উঠে আসা। বাস্তব পৃথিবীর সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে গিয়েছে।

ভাবলে আশ্চর্য হতে হয়, টানা ৭১ বছর ধরে পিকাসো প্রতিদিন অন্তত একটি সৃজনকর্ম, হতে পারে পেন্টিং, হতে পারে ভাস্কর্য, হতে পারে ড্রয়িং– শেষ করেছেন। বলা যেতে পারে ৫০ হাজারের বেশি সৃজনকর্ম সারা পৃথিবী জুড়ে রেখে গেছেন পিকাসো। পিকাসোর গল্প-পর্বের ছবির মধ্যে যে-ছবি পৃথিবীকে হঠাৎ কলার ধরে দাঁড় করিয়ে দেয়, সে-ছবি হল ‘বয় উইথ আ পাইপ’! প্রাগৈতিহাসিক গুহামানব গুহার মধ্যে যে স্টাইলে ছবি আঁকত, এই ছবিতে ‘প্রিমিটিভিজম্’ ফিরিয়ে এনেছেন পিকাসো। ছবিটা সত্যিই চমকে দেয়।
এরপর প্রাচীন আফ্রিকান আর্টের প্রভাব পড়ে পিকাসোর উপর। ঘটনাটা ঘটে ভারি অদ্ভুতভাবে। বন্ধু শিল্পী হেনরি মাতিসের বাড়িতে পিকাসো একটি আফ্রিকান মুখোশ দেখতে পান। এবং সেই মুখোশ ছায়া ফেলে পিকাসোর অবচেতন মনে। বারবার দেখা দিতে থাকে তাঁর স্বপ্নের মধ্যে। তারপর তাঁর ছবিতে ফিরে আসতে থাকে নানাভাবে। সেইসব ছবি অর্জন করে আন্তর্জাতিক প্রিয়তা। হেনরি মাতিস জ্বলে ওঠেন ঈর্ষায়। তাঁরই বাড়িতে দেখা একটা আফ্রিকান মুখোশ দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে এমন কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলল বন্ধু পিকাসো। মাতিস সর্বশক্তি দিয়ে পিকাসোর আফ্রিকান ছবির নিন্দা করতে লাগলেন। তাতে লাভ হল একটাই। পাবলো পিকাসোর আন্তর্জাতিক খ্যাতি আরও বাড়ল!

পিকাসোর জীবনে পরের পাঁচটি বছর, ১৯০৭-১৯১২, দুর্ধর্ষ। তিনি সেই সময়ে আরও এক উঠতি পেন্টার জর্জ ব্রাক-এর সঙ্গে ঘটালেন প্রতিভার মিলন। এবং রসায়ন থেকে তৈরি হল ইউরোপিয়ান অঙ্কনের এক নতুন যুগ: ‘কিউবিস্ট’ মুভমেন্ট আন্দোলন। দ্য আর্ট অফ ‘ডিকন্স্ট্রাকশন’! মেটে রঙের ব্যবহার। এবং জটিল জ্যামিতির ফর্ম ভেঙে তা ছবিতে প্রতীকী রূপে প্রকাশ করা!
ফারনান্দে অলিভিয়ের সঙ্গে সেই সময়ে পাবলো পিকাসোর অতি গভীর শরীর-মনের সম্পর্ক। সুতরাং পিকাসো যখন আঁকলেন তাঁর ‘কিউবিস্ট’ ভাবনার বিখ্যাত ছবি, ‘হেড অফ আ উত্তম্যান’, সেই ছবির ইজেল হল ফারনান্দের শরীর। ১৯০৯ থেকে ১৯১২ সালের মধ্যে আঁকা বহু নারীর ছবিতে শরীর দান করেছে পিকাসোর বান্ধবী ফারনান্দে, সেই বিষয়ে সন্দেহ নেই।

কিন্তু ফারনান্দের জায়গায় হঠাৎ উড়ে এসে জুড়ে বসল আর এক সুন্দরী, এভা গোয়েল। এবং গ্রাস করে ফেলল পিকাসোকে। ফারনান্দেকে জীবন থেকে সরিয়ে দিলেন পিকাসো। নতুন শরীরের স্বাদ পেয়েছেন তিনি। তাঁর ‘কিউবিস্ট’ স্টাইলেও নিয়ে এলেন নতুন বাঁক। এভাবে মডেল করে আঁকলেন এক জগৎ বিখ্যাত ‘কিউবিস্ট’ ছবি, ‘গার্ল উইথ আ ম্যান্ডোলিন’। সেই সময় এভা ছাড়া আর কাউকে ভাবতে পারছেন না পিকাসো। এভার শরীর থেকেই জন্মাল পিকাসোর ভুবন বিখ্যাত ‘মা জোলি’। তারপর আবার এভা: ‘উওম্যান উইথ আ গিটার’। ব্যস, ক’দিনের জ্বর। ধরা পড়ল এভার টিবি হয়েছে। এবং টিবির কোনও চিকিৎসা ছিল না তখন। মারা গেল খুব কম বয়সে এভা। তবে ততদিনে পিকাসো জড়িয়েছেন আর এক ফরাসি সুন্দরীর সঙ্গে: গ্যাবি দেপের। তবে শুধু গ্যাবিতে খিদে মেটেনি পিকাসোর। তাঁর শরীর সর্বদা ক্ষুধার্ত, সর্বদা লাভার মতো জ্বলন্ত। দু’টি বিশ বছরের মেয়ে এল পিকাসোর মডেল হয়ে পাকুয়েরেত এবং আইরিন। ঝলসে উঠল পিকাসোর ইজেল।

এরপর পিকাসোর জীবনে এল রাশিয়ান ব্যালে ডান্সার ওলগা খোকোভা। এবার কিছুটা সিরিয়াস পিকাসো। একদিন সম্পূর্ণ নগ্ন ব্যালে নর্তকীকে পিকাসো প্রশ্ন করলেন, বিয়ে করলে কেমন হয়? মন্দ হয় না, বলল অলগা। ১৯১৮ সাল, অলগার সারা অঙ্গে তুলি বোলাতে-বোলাতে পিকাসো বললেন, তা হলে কাল আমাদের বিয়ে। হল বিয়ে। তিন বছর পরে একটি পুত্র সন্তানও হল। ততদিনে পিকাসোর জীবনে নারীপ্রবাহ বয়ে গেছে। ওলগা ডিভোর্স চাইল। পিকাসো বলল, পাগল! তোমাকে ডিভোর্স দিলে আমাকে তো আদ্ধেক সম্পত্তিও তোমাকে দিয়ে দিতে হবে। ওটি হচ্ছে না। কোনওদিন বিয়ে বিচ্ছিন্ন হলেন না পিকাসো। ১৯৫৫ সালে অলগার মৃত্যু, কোনওরকম সম্পর্ক ছাড়াই, অলগার স্বামীর আসনে বসে থাকলেন পিকাসো। এক পয়সা দিলেন না বউকে! তিনি নিজে অবশ্য ততদিনে অকল্পনীয় ধনী।

এই সময়ে পিকাসোর ছবিতে নারী হয়ে উঠল ক্রমশ ভায়োলেন্ট। কারও-কারও চোখে তা অসহনীয় মনে হতে পারে। মনে হতেই পারে, পিকাসোর নারীবিদ্বেষ এইভাবে প্রকাশ পেয়েছে। যাই হোক, অনেকেই হয়তো জানেন না, ১৯৩৫ সাল থেকে পিকাসো কবিতা লেখার দিকে ঝুঁকলেন। ১৯৩৫ থেকে ১৯৩৬ সাল: পিকাসো ছবি আঁকা একেবারে বন্ধ করলেন। ১৯৩৫ সালে তাঁর কবিতার বইও বেরল। ১৯৪১ সালে লিখলেন নাটক, ‘ডিজায়ার কট বাই দ্য টেল’! পাশাপাশি ভাস্কর্য রচনা করছিলেন। কিন্তু ভাস্কর রূপে তেমন খ্যাতি হয়নি তাঁর। তাঁর ভাস্কর-রূপ প্রকাশ পেল ৯১ বছর বয়সে, তার মৃত্যুর পর।
তাঁর আর এক গোপন জীবন আছে, যার খোঁজ আমরা অনেকেই রাখি না। একদিকে যেমন পিকাসোর জীবনে নারীপ্রবাহের শেষ নেই, আইন-বেআইনি মিলিয়ে চার-পাঁচটি ছেলেমেয়েও আছে তাঁর, যাদের পিতৃত্ব তিনি স্বীকার করে গেছেন।

এবার আসি মারি-থেরেসে প্রসঙ্গে। মারি পাবলো পিকাসোর গোপন, আড়াল-করা, মিসট্রেস! মারির সঙ্গে পিকাসোর জীবন সান্ধ্যপ্রদীপের মতো শান্ত। অনন্য নারীদের সঙ্গে যেমন তার ঝোড়ো সম্পর্ক, তীব্র প্রেম ও তীব্র ঘৃণায় তোলপাড় সম্পর্ক, মারির সঙ্গে তা নয়। মারির সঙ্গে পিকাসোর সম্পর্ক তাঁর কবিতাগুচ্ছের মতো। গভীর অন্তরাল। প্রচারের আলোর বাইরে। মারির সঙ্গে তাঁর একটি মেয়ে হয়েছিল। নাম মায়া। ১৯৩২ সালে মারির একটি ছবিও আঁকেন তিনি। ছবিটার নাম ‘গার্ল বিফোর আ মিরর’। ওই ছবিটা নিজের ড্রয়িংরুমে কিনে সাজিয়ে রাখার মতো ধনী পৃথিবীতে নেই। ‘গার্ল বিফোর আ মিরর’ অমূল্য। ভালো কথা, ফরাসি ফটোগ্রাফার ডোরা মার-এর সঙ্গে এক হুল্লুড়ে প্রেম শুরু করেন পিকাসো। সেই প্রেম দেখে অলগা চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করে। এবং পিকাসো প্রতিশোধ নেন এক সিরিজ ছবি এঁকে। সিরিজের নাম, ‘স্ক্রিমিং অলগা’! এমন না হলে পুরুষের জীবন! কী বলেন?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved